০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

ডিজেলের আমদানি মূল্য ১৯৮ টাকা, বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়: জুনে ভর্তুকির বোঝা ১৬ হাজার কোটি ছাড়াতে পারে

দাম ধরে রাখতে গিয়ে বিশাল ক্ষতি

ইরান যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া হওয়ার পরও বাংলাদেশ সরকার সাধারণ মানুষের কথা ভেবে পাম্পে দাম অপরিবর্তিত রেখেছে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের মাশুল দিতে হচ্ছে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে। সরকারি হিসাব বলছে, এখন প্রতি লিটার ডিজেলের আমদানি মূল্য প্রায় ১৯৮ টাকা, অথচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি লিটারেই সরকারকে গুনতে হচ্ছে ৯৮ টাকা ভর্তুকি।

মাসে মাসে কত টাকা যাচ্ছে

শুধু মার্চ মাসেই ডিজেলে ভর্তুকি দিতে হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ২৩১ কোটি টাকা এবং অকটেনে ৭৭৯ কোটি টাকা। অকটেনের আমদানি মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রতি লিটারে ১৫০ টাকার বেশি, কিন্তু বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যুদ্ধ চলতে থাকলে জুন পর্যন্ত মোট ভর্তুকির পরিমাণ ১৬ হাজার ৪৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে লাভবান করার চেষ্টা করছে সরকার:  জ্বালানিমন্ত্রী

এই ভার কতদিন বহন করা সম্ভব

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, স্বল্পমেয়াদে মানুষের কষ্ট লাঘাবে এই ভর্তুকি নীতি। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এত বিশাল ভর্তুকির বোঝা বহন করার সক্ষমতা সরকারের সীমিত। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও রাজস্ব আদায়ের ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে দাম বাড়ানো ছাড়া কোনো উপায় নাও থাকতে পারে।

মালয়েশিয়া থেকে ডিজেলের জাহাজ আসছে আজ

পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি জোরদার করেছে। আজ (৪ এপ্রিল) মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বলে বন্দর সচিব জানিয়েছেন। মন্ত্রিসভা ২ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানির জরুরি আমদানির অনুমোদনও দিয়েছে।

মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন

পাম্পে এখনো লম্বা লাইন। অনেক জায়গায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি মিলছে না। অথচ মজুতদাররা চড়া দামে বিক্রি করছে। সাধারণ মানুষ জানতে চাইছেন, সরকার এত ভর্তুকি দিলে পাম্পে জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না কেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

ডিজেলের আমদানি মূল্য ১৯৮ টাকা, বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়: জুনে ভর্তুকির বোঝা ১৬ হাজার কোটি ছাড়াতে পারে

০২:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

দাম ধরে রাখতে গিয়ে বিশাল ক্ষতি

ইরান যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া হওয়ার পরও বাংলাদেশ সরকার সাধারণ মানুষের কথা ভেবে পাম্পে দাম অপরিবর্তিত রেখেছে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের মাশুল দিতে হচ্ছে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে। সরকারি হিসাব বলছে, এখন প্রতি লিটার ডিজেলের আমদানি মূল্য প্রায় ১৯৮ টাকা, অথচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি লিটারেই সরকারকে গুনতে হচ্ছে ৯৮ টাকা ভর্তুকি।

মাসে মাসে কত টাকা যাচ্ছে

শুধু মার্চ মাসেই ডিজেলে ভর্তুকি দিতে হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ২৩১ কোটি টাকা এবং অকটেনে ৭৭৯ কোটি টাকা। অকটেনের আমদানি মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রতি লিটারে ১৫০ টাকার বেশি, কিন্তু বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যুদ্ধ চলতে থাকলে জুন পর্যন্ত মোট ভর্তুকির পরিমাণ ১৬ হাজার ৪৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে লাভবান করার চেষ্টা করছে সরকার:  জ্বালানিমন্ত্রী

এই ভার কতদিন বহন করা সম্ভব

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, স্বল্পমেয়াদে মানুষের কষ্ট লাঘাবে এই ভর্তুকি নীতি। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এত বিশাল ভর্তুকির বোঝা বহন করার সক্ষমতা সরকারের সীমিত। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও রাজস্ব আদায়ের ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে দাম বাড়ানো ছাড়া কোনো উপায় নাও থাকতে পারে।

মালয়েশিয়া থেকে ডিজেলের জাহাজ আসছে আজ

পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি জোরদার করেছে। আজ (৪ এপ্রিল) মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বলে বন্দর সচিব জানিয়েছেন। মন্ত্রিসভা ২ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানির জরুরি আমদানির অনুমোদনও দিয়েছে।

মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন

পাম্পে এখনো লম্বা লাইন। অনেক জায়গায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি মিলছে না। অথচ মজুতদাররা চড়া দামে বিক্রি করছে। সাধারণ মানুষ জানতে চাইছেন, সরকার এত ভর্তুকি দিলে পাম্পে জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না কেন।