০৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা জেলা পরিষদে শত কোটি টাকা লুটপাট — ভুয়া বিল, অস্তিত্বহীন প্রকল্প, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

ঢাকা জেলা পরিষদে বছরের পর বছর ধরে শত শত কোটি টাকার সরকারি অর্থ লুটপাট হয়েছে বলে উঠে এসেছে। ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ভুয়া বিল, অতিরিক্ত মূল্য ধরিয়ে কাজ করানো এবং অস্তিত্বহীন প্রকল্পের নামে এই অর্থ লোপাট করা হয়। বিষয়টি তদন্তে দেখা গেছে, সরকারি অনুমোদন ছাড়াই ১৬০ কোটি টাকায় একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

একটি গাড়ির মেরামতেই ২৯ লাখ টাকা

টাইমস অব বাংলাদেশের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০১৭ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একটি সরকারি গাড়িকে ৭৬ বার গ্যারেজে পাঠানো হয়েছে। শুধু মেরামত ফিতেই খরচ হয়েছে ২৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা, জ্বালানি খরচ বাদে। অথচ সরকারি চালক জামির উদ্দিন বেতন পাচ্ছিলেন সারাক্ষণই, তিনি গাড়ি না চালিয়েও। গাড়িটি ব্যবহার করতেন সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান নিজে, ব্যক্তিগত চালক দিয়ে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ, রাস্তা নির্মাণেও অনিয়ম

তদন্তে আরও বেরিয়ে এসেছে যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ, রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প এবং দরিদ্রদের বৃত্তিতেও অনিয়ম হয়েছে। সাবেক চেয়ারম্যান হাসিনা দৌলাসহ একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে তদন্ত হয়েছিল। কেউ কেউ সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন, দুজন মারা গেছেন।

দুদক তদন্তের আশ্বাস

ঢাকা জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. ইয়াসিন ফেরদৌস মোরাদ অনিয়ম স্বীকার করে বলেছেন, সব প্রকল্পের ফাইল পর্যালোচনা শুরু হয়েছে এবং দুদকে অভিযোগ দেওয়া হবে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, জবাবদিহি নিশ্চিত করতে যথাযথ তদন্ত হওয়া জরুরি।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধের মাঝেই কিয়েভে জন্ম নিচ্ছে নতুন প্রাণ

ঢাকা জেলা পরিষদে শত কোটি টাকা লুটপাট — ভুয়া বিল, অস্তিত্বহীন প্রকল্প, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

০৬:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা জেলা পরিষদে বছরের পর বছর ধরে শত শত কোটি টাকার সরকারি অর্থ লুটপাট হয়েছে বলে উঠে এসেছে। ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ভুয়া বিল, অতিরিক্ত মূল্য ধরিয়ে কাজ করানো এবং অস্তিত্বহীন প্রকল্পের নামে এই অর্থ লোপাট করা হয়। বিষয়টি তদন্তে দেখা গেছে, সরকারি অনুমোদন ছাড়াই ১৬০ কোটি টাকায় একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

একটি গাড়ির মেরামতেই ২৯ লাখ টাকা

টাইমস অব বাংলাদেশের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০১৭ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একটি সরকারি গাড়িকে ৭৬ বার গ্যারেজে পাঠানো হয়েছে। শুধু মেরামত ফিতেই খরচ হয়েছে ২৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা, জ্বালানি খরচ বাদে। অথচ সরকারি চালক জামির উদ্দিন বেতন পাচ্ছিলেন সারাক্ষণই, তিনি গাড়ি না চালিয়েও। গাড়িটি ব্যবহার করতেন সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান নিজে, ব্যক্তিগত চালক দিয়ে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ, রাস্তা নির্মাণেও অনিয়ম

তদন্তে আরও বেরিয়ে এসেছে যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ, রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প এবং দরিদ্রদের বৃত্তিতেও অনিয়ম হয়েছে। সাবেক চেয়ারম্যান হাসিনা দৌলাসহ একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে তদন্ত হয়েছিল। কেউ কেউ সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন, দুজন মারা গেছেন।

দুদক তদন্তের আশ্বাস

ঢাকা জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. ইয়াসিন ফেরদৌস মোরাদ অনিয়ম স্বীকার করে বলেছেন, সব প্রকল্পের ফাইল পর্যালোচনা শুরু হয়েছে এবং দুদকে অভিযোগ দেওয়া হবে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, জবাবদিহি নিশ্চিত করতে যথাযথ তদন্ত হওয়া জরুরি।