০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

তিন দিন পর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ১০ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার বড়বাড়ি-প্রধানপাড়া সীমান্তে টানা প্রায় ৬৯ ঘণ্টা শূন্যরেখায় আটকে থাকার পর নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে নিজেদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। সীমান্তে কথিত ‘পুশ-ইন’ চেষ্টাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রোববার গভীর রাতে বিএসএফ সীমান্তের নিরাপত্তা বাতি বন্ধ করে শূন্যরেখায় অবস্থানরত ১০ জনকে নিজেদের দিকে নিয়ে যায়। এর আগে শুক্রবার ভোরে ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তবে বিজিবির কড়া নজরদারির কারণে তারা বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।

বিজিবিতে নিয়োগ, আবেদন ফি ৫৬ টাকা

শূন্যরেখায় মানবিক সংকট

শুক্রবার ভোর থেকে রোববার গভীর রাত পর্যন্ত নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জন মানুষ সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করতে বাধ্য হন। বৃষ্টির পানি জমে থাকা একটি সরু আইলের ওপর তারা দিন-রাত কাটান। প্রচণ্ড রোদ, ঝড় ও বৃষ্টির মধ্যে তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

আটকে পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, দুইজন নারী এবং তিনজন শিশু ছিল। দুই দেশের কেউই তাদের নিজ নিজ ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ায় তারা কার্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটান।

সমাধান মেলেনি বৈঠকেও

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্তে একাধিক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে এবং তার আগে শুক্রবার কোম্পানি পর্যায়ে বৈঠক হলেও কোনো সমাধান বের হয়নি। ফলে শূন্যরেখায় অবস্থানরত ব্যক্তিদের দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হয়।

পঞ্চগড় সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ১০ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ

স্থানীয়দের ভাষ্য, শিশু ও নারীদের টানা তিন দিন রোদ-বৃষ্টির মধ্যে থাকতে দেখে সীমান্ত এলাকার মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের সরিয়ে নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।

সীমান্তে নজরদারি অব্যাহত

নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশ বা পুশ-ইনের যেকোনো প্রচেষ্টা ঠেকাতে তাদের কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তারা জানিয়েছেন।

সীমান্ত অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে পুশ-ইন নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও বিজিবি বলছে, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

তিন দিন পর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ১০ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

১১:২৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার বড়বাড়ি-প্রধানপাড়া সীমান্তে টানা প্রায় ৬৯ ঘণ্টা শূন্যরেখায় আটকে থাকার পর নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে নিজেদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। সীমান্তে কথিত ‘পুশ-ইন’ চেষ্টাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রোববার গভীর রাতে বিএসএফ সীমান্তের নিরাপত্তা বাতি বন্ধ করে শূন্যরেখায় অবস্থানরত ১০ জনকে নিজেদের দিকে নিয়ে যায়। এর আগে শুক্রবার ভোরে ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তবে বিজিবির কড়া নজরদারির কারণে তারা বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।

বিজিবিতে নিয়োগ, আবেদন ফি ৫৬ টাকা

শূন্যরেখায় মানবিক সংকট

শুক্রবার ভোর থেকে রোববার গভীর রাত পর্যন্ত নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জন মানুষ সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করতে বাধ্য হন। বৃষ্টির পানি জমে থাকা একটি সরু আইলের ওপর তারা দিন-রাত কাটান। প্রচণ্ড রোদ, ঝড় ও বৃষ্টির মধ্যে তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

আটকে পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, দুইজন নারী এবং তিনজন শিশু ছিল। দুই দেশের কেউই তাদের নিজ নিজ ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ায় তারা কার্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটান।

সমাধান মেলেনি বৈঠকেও

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্তে একাধিক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে এবং তার আগে শুক্রবার কোম্পানি পর্যায়ে বৈঠক হলেও কোনো সমাধান বের হয়নি। ফলে শূন্যরেখায় অবস্থানরত ব্যক্তিদের দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হয়।

পঞ্চগড় সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ১০ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ

স্থানীয়দের ভাষ্য, শিশু ও নারীদের টানা তিন দিন রোদ-বৃষ্টির মধ্যে থাকতে দেখে সীমান্ত এলাকার মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের সরিয়ে নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।

সীমান্তে নজরদারি অব্যাহত

নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশ বা পুশ-ইনের যেকোনো প্রচেষ্টা ঠেকাতে তাদের কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তারা জানিয়েছেন।

সীমান্ত অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে পুশ-ইন নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও বিজিবি বলছে, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।