০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানব পাচারচক্রে আটকে আছেন ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত অনলাইন স্ক্যাম কম্পাউন্ডগুলোতে ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী আটকে আছেন বলে জানা গেছে। ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের থাইল্যান্ড, মিয়ানমার ও ক্যাম্বোডিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে সাইবার জালিয়াতির কাজ করতে।

[সম্পাদকীয় নোট: ইউএনবির সংবাদ শিরোনাম নিশ্চিত হয়েছে। পূর্ণ আর্টিকেলের বিস্তারিত তথ্যের জন্য প্রাথমিক সূত্র যাচাই করুন।]

কীভাবে ফাঁদে পড়ছেন তারা

সাধারণত ডেটা এন্ট্রি, কাস্টমার সার্ভিস বা মার্কেটিং পেশায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দিয়ে দালালরা তরুণদের এই দেশগুলোতে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পরেই পাসপোর্ট জব্দ করা হয় এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে অনলাইনে প্রতারণা করার কাজ করতে বাধ্য করা হয়।

সরকারের কাছে পরিবারের আকুল আবেদন

আটকে পড়া কর্মীদের পরিবারগুলো সরকারের কাছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার দাবি জানাচ্ছেন। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনও একই ধরনের কম্পাউন্ড থেকে তাদের নাগরিকদের উদ্ধারে সক্রিয় পদক্ষেপ নিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানব পাচারচক্রে আটকে আছেন ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী

০৭:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত অনলাইন স্ক্যাম কম্পাউন্ডগুলোতে ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী আটকে আছেন বলে জানা গেছে। ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের থাইল্যান্ড, মিয়ানমার ও ক্যাম্বোডিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে সাইবার জালিয়াতির কাজ করতে।

[সম্পাদকীয় নোট: ইউএনবির সংবাদ শিরোনাম নিশ্চিত হয়েছে। পূর্ণ আর্টিকেলের বিস্তারিত তথ্যের জন্য প্রাথমিক সূত্র যাচাই করুন।]

কীভাবে ফাঁদে পড়ছেন তারা

সাধারণত ডেটা এন্ট্রি, কাস্টমার সার্ভিস বা মার্কেটিং পেশায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দিয়ে দালালরা তরুণদের এই দেশগুলোতে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পরেই পাসপোর্ট জব্দ করা হয় এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে অনলাইনে প্রতারণা করার কাজ করতে বাধ্য করা হয়।

সরকারের কাছে পরিবারের আকুল আবেদন

আটকে পড়া কর্মীদের পরিবারগুলো সরকারের কাছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার দাবি জানাচ্ছেন। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনও একই ধরনের কম্পাউন্ড থেকে তাদের নাগরিকদের উদ্ধারে সক্রিয় পদক্ষেপ নিয়েছে।