০৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-২৪)

জোনাকি

রাগে অন্ধ হয়ে মরিয়মের দিকে তেড়ে যেতেই নাগা ঝাঁপিয়ে পড়ে আবুল হোসেনকে চেপে ধরলো। ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে এমনি করে হাড় গুঁড়ো করে দেবো’ এই বলে সে হাত মুচড়ে দিলো আবুল হোসেনের।

‘মারবি নাকি, মার মার!’

‘মারবোই তো, একশোবার মারবো’ একটা ঘুষি ছুঁড়লো নাগা অন্ধের মতো। আবুল হোসেন মেঝেয় চিত হয়ে পড়ে বললেন, ‘উপযুক্ত ছেলে বটে তুমি, মারো আরো মারো-‘

মরিয়ম দূরে সরে গিয়ে বললে, ‘শখ মিটেছে তো এবার, খুঁটে ঘা করো যেমন-‘

আবুল হোসেন উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘থামলি কেন আরো মার, লেখাপড়া শিখেছিস বাপকে ঠ্যাঙাবি বলেই তো!’

নাগা দু’পা সামনে এসে আরো একটা ঘুষি বসালো। দাঁতে দাঁত ঘষে বললে, ‘চিরকাল সহ্য করবো? যা ইচ্ছে তাই? আমি বুঝি মানুষ না? আমার কোনো মানইজ্জত নেই’

আবুল হোসেন বললেন, ‘বাহ্, বাহ্-‘

ব্যাপারটা হয়তো আরো গড়াতো, বুলু এসে দাঁড়ালো মাঝখানে। সে রুখে উঠলে। নাগাকে ঠেলে নিয়ে গেল একপাশে। বললে, ‘লজ্জা করে না তোমাদের? লোকে বলবে কি? ছি, ছি!’

আবুল হোসেন বুঝলেন না তিরস্কারটা তাঁকে না নাগাকে। বুঝবার মতো মানসিক শৃঙ্খলা আবুল হোসেনের তখন ছিলোও না। তাঁর কপালের একটা পাশ দপদপ করছিলো তখনো। বেশ কিছু পরে কাঁধে অনুভব করলেন প্রচণ্ড ব্যথা। মাত্র কিছুক্ষণ আগে গ্রামের একটা সাঁকো ভেঙে হুড়মুড় করে পড়ে গিয়েছিলেন অনেক নিচে, এইমাত্র যেন উঠে এলেন, পুরো ঘটনাটা ধীরে ধীরে দুঃস্বপ্নের মতো মনে হতে থাকে তাঁর কাছে, শেষে ফিরে আসেন নিজের ঘরে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-২৪)

১২:০০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

জোনাকি

রাগে অন্ধ হয়ে মরিয়মের দিকে তেড়ে যেতেই নাগা ঝাঁপিয়ে পড়ে আবুল হোসেনকে চেপে ধরলো। ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে এমনি করে হাড় গুঁড়ো করে দেবো’ এই বলে সে হাত মুচড়ে দিলো আবুল হোসেনের।

‘মারবি নাকি, মার মার!’

‘মারবোই তো, একশোবার মারবো’ একটা ঘুষি ছুঁড়লো নাগা অন্ধের মতো। আবুল হোসেন মেঝেয় চিত হয়ে পড়ে বললেন, ‘উপযুক্ত ছেলে বটে তুমি, মারো আরো মারো-‘

মরিয়ম দূরে সরে গিয়ে বললে, ‘শখ মিটেছে তো এবার, খুঁটে ঘা করো যেমন-‘

আবুল হোসেন উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘থামলি কেন আরো মার, লেখাপড়া শিখেছিস বাপকে ঠ্যাঙাবি বলেই তো!’

নাগা দু’পা সামনে এসে আরো একটা ঘুষি বসালো। দাঁতে দাঁত ঘষে বললে, ‘চিরকাল সহ্য করবো? যা ইচ্ছে তাই? আমি বুঝি মানুষ না? আমার কোনো মানইজ্জত নেই’

আবুল হোসেন বললেন, ‘বাহ্, বাহ্-‘

ব্যাপারটা হয়তো আরো গড়াতো, বুলু এসে দাঁড়ালো মাঝখানে। সে রুখে উঠলে। নাগাকে ঠেলে নিয়ে গেল একপাশে। বললে, ‘লজ্জা করে না তোমাদের? লোকে বলবে কি? ছি, ছি!’

আবুল হোসেন বুঝলেন না তিরস্কারটা তাঁকে না নাগাকে। বুঝবার মতো মানসিক শৃঙ্খলা আবুল হোসেনের তখন ছিলোও না। তাঁর কপালের একটা পাশ দপদপ করছিলো তখনো। বেশ কিছু পরে কাঁধে অনুভব করলেন প্রচণ্ড ব্যথা। মাত্র কিছুক্ষণ আগে গ্রামের একটা সাঁকো ভেঙে হুড়মুড় করে পড়ে গিয়েছিলেন অনেক নিচে, এইমাত্র যেন উঠে এলেন, পুরো ঘটনাটা ধীরে ধীরে দুঃস্বপ্নের মতো মনে হতে থাকে তাঁর কাছে, শেষে ফিরে আসেন নিজের ঘরে।