০৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-২৯)

অচল সিকি

গেট পার হয়ে লোকটা পেছনে পেছনে এগিয়ে এলো। বললে, ‘গতকাল আমেরিকার বার্বোন সাহেব খুশি হয়ে পাঁচ টাকা বখশিশ দিয়ে গিয়েছেন, আর এমনিতেও সকলে দেয়-‘

এনামুল বিরক্ত হলো। হ্যাংলামির একটা মাত্রা থাকা উচিত। এই দারোয়ান লোকটা চতুর ও লোভী ধরনের, মুখ দেখে বুঝতে পারে এনামুল। সে ভূক্ষেপ করলো না লোকটার কথায়।

কিন্তু দেরি করলো না জেবুন্নেসা। সে তার কুমিরের চামড়ার ব্যাগ থেকে পাঁচ টাকার একটা নোট বের করে বাড়িয়ে ধরলো। বললে, ‘আবার আমরা যখন আসবো তখন বেশি করে দেবো, এখন এই নাও।’

লম্বা সালাম ঠুকে লোকটা ফিরে গেল। বোঝা গেল খুব খুশি হয়েছে।

ভগ্নস্তূপের চতুর্দিকে ঘুরতে ঘুরতে ওরা অন্য প্রসঙ্গে ডুবে ছিলো, যা কিছুটা অসংলগ্ন। লোভী লোকটা কোথা থেকে উড়ে এসে মধুর আলাপের গায়ে নির্মম অস্ত্রাঘাত করে গেল। এই অতিরিক্ত বখশিশের ব্যাপারে খুশি হতে পারে না এনামুল। সে আড়চোখে জেবুন্নেসার দিকে তাকালো; এ কি উড়োনচণ্ডীপনা-ভাবখানা এই রকম।

‘সত্যিই মায়া হয়! এই ভূতুড়ে জঙ্গলে একা একা বেচারা ইটপাথর সামলে পড়ে আছে!’

এনামুল বললে, ‘তোমার দেওয়া পাঁচটা টাকায় ওর বরাত খুলে যাবে-‘

‘তোমার মনটা ভারি ছোটো। এতো কিপটেমিও জানো। তবু যদি তোমার পকেট থেকে যেতো!’

বাদ দাও।’ এনামুল ফিক করে হেসে বললে, ‘যা বলছিলে তাই বলো।’

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-২৯)

১২:০০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

অচল সিকি

গেট পার হয়ে লোকটা পেছনে পেছনে এগিয়ে এলো। বললে, ‘গতকাল আমেরিকার বার্বোন সাহেব খুশি হয়ে পাঁচ টাকা বখশিশ দিয়ে গিয়েছেন, আর এমনিতেও সকলে দেয়-‘

এনামুল বিরক্ত হলো। হ্যাংলামির একটা মাত্রা থাকা উচিত। এই দারোয়ান লোকটা চতুর ও লোভী ধরনের, মুখ দেখে বুঝতে পারে এনামুল। সে ভূক্ষেপ করলো না লোকটার কথায়।

কিন্তু দেরি করলো না জেবুন্নেসা। সে তার কুমিরের চামড়ার ব্যাগ থেকে পাঁচ টাকার একটা নোট বের করে বাড়িয়ে ধরলো। বললে, ‘আবার আমরা যখন আসবো তখন বেশি করে দেবো, এখন এই নাও।’

লম্বা সালাম ঠুকে লোকটা ফিরে গেল। বোঝা গেল খুব খুশি হয়েছে।

ভগ্নস্তূপের চতুর্দিকে ঘুরতে ঘুরতে ওরা অন্য প্রসঙ্গে ডুবে ছিলো, যা কিছুটা অসংলগ্ন। লোভী লোকটা কোথা থেকে উড়ে এসে মধুর আলাপের গায়ে নির্মম অস্ত্রাঘাত করে গেল। এই অতিরিক্ত বখশিশের ব্যাপারে খুশি হতে পারে না এনামুল। সে আড়চোখে জেবুন্নেসার দিকে তাকালো; এ কি উড়োনচণ্ডীপনা-ভাবখানা এই রকম।

‘সত্যিই মায়া হয়! এই ভূতুড়ে জঙ্গলে একা একা বেচারা ইটপাথর সামলে পড়ে আছে!’

এনামুল বললে, ‘তোমার দেওয়া পাঁচটা টাকায় ওর বরাত খুলে যাবে-‘

‘তোমার মনটা ভারি ছোটো। এতো কিপটেমিও জানো। তবু যদি তোমার পকেট থেকে যেতো!’

বাদ দাও।’ এনামুল ফিক করে হেসে বললে, ‘যা বলছিলে তাই বলো।’