০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৩৪)

অচল সিকি

‘জন্মোছো কসাই হয়ে-‘

‘গরু-ছাগলের সঙ্গে সম্পর্ক।’

‘দ্যাখো, মুখ সামলে কথা বোলো!’

‘কেন, মারবে নাকি?’

‘শুধু বাজে কথা, শুধু বাজে কথা! আমাকে তো এখনো চেনোনি, আমি সব পারি-‘

‘তা পারো।’

‘তা পারো, মানে?’

‘জঘন্য কথা আমার ঠোঁটে আসে না রানী?’

‘মাগো!’

‘আমি ভদ্রঘরের সন্তান, অর্থাৎ এনামুল সৈয়দ, অর্থাৎ-‘

‘অর্থাৎ- ফর্থাৎ বুঝি না, সন্দেহ আছে তোমার সৈয়দে! সন্দেহ আছে বলেই শেষে লেখো। এরকম লোকের ঘর করা শক্ত, অতিষ্ঠ করে তুলেছে, বাবারে বাবা, ঢাকায় ফিরেই আমি ডাইভোর্স নেবো।’

‘তবু ভালো, নেবে-‘

‘দেবো!’

‘চেষ্টা করে দেখলে খুশি হবো!’

‘বেশ, খুশি হয়ো!’

এনামুল এবার ওর একটা হাত ধরলো, বুঝলো বেশি হয়ে যাচ্ছে; স্ত্রীলোকের মেজাজ, এর চেয়ে কাচের পিরিচ নিয়ে খেলা অনেক সুবিধের, অনেক কম ভয়ের। বললে, ‘সত্যি বলছি, রাগলে অদ্ভুত লাগে তোমাকে। মুখের চেহারা ভোজবাজির মতো পাল্টে গেছে! আহা এই রঙ যদি সবসময় থাকতো।’

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৩৪)

১২:০০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

অচল সিকি

‘জন্মোছো কসাই হয়ে-‘

‘গরু-ছাগলের সঙ্গে সম্পর্ক।’

‘দ্যাখো, মুখ সামলে কথা বোলো!’

‘কেন, মারবে নাকি?’

‘শুধু বাজে কথা, শুধু বাজে কথা! আমাকে তো এখনো চেনোনি, আমি সব পারি-‘

‘তা পারো।’

‘তা পারো, মানে?’

‘জঘন্য কথা আমার ঠোঁটে আসে না রানী?’

‘মাগো!’

‘আমি ভদ্রঘরের সন্তান, অর্থাৎ এনামুল সৈয়দ, অর্থাৎ-‘

‘অর্থাৎ- ফর্থাৎ বুঝি না, সন্দেহ আছে তোমার সৈয়দে! সন্দেহ আছে বলেই শেষে লেখো। এরকম লোকের ঘর করা শক্ত, অতিষ্ঠ করে তুলেছে, বাবারে বাবা, ঢাকায় ফিরেই আমি ডাইভোর্স নেবো।’

‘তবু ভালো, নেবে-‘

‘দেবো!’

‘চেষ্টা করে দেখলে খুশি হবো!’

‘বেশ, খুশি হয়ো!’

এনামুল এবার ওর একটা হাত ধরলো, বুঝলো বেশি হয়ে যাচ্ছে; স্ত্রীলোকের মেজাজ, এর চেয়ে কাচের পিরিচ নিয়ে খেলা অনেক সুবিধের, অনেক কম ভয়ের। বললে, ‘সত্যি বলছি, রাগলে অদ্ভুত লাগে তোমাকে। মুখের চেহারা ভোজবাজির মতো পাল্টে গেছে! আহা এই রঙ যদি সবসময় থাকতো।’