০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪২)

অচল সিকি

‘এই যে আমার কোনো বাচ্চাকাচ্চা হচ্ছে না, ভেতরে ভেতরে তুমি নিশ্চয়ই-

বাধা দিয়ে এনামুল বললে, ‘ব্যস্ ব্যস্ ব্যস্’

‘আমাকে তুমি আবার ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেও!’

‘কী আশ্চর্য! থামবে, না গুঁতো খাবে আমার?’

‘ঠাট্টা নয়, দেখতে দেখতে বছর ঘুরতে চললো, আমার কিন্তু ভারি ভয় করছে-‘

‘তুমি একটা যা-তা, ওসব কথা পরে হবে, আমি কি ভাবছি জানো?’

‘একবার যখন ঘুরে গেলে তখন এক-আধটা কবিতা না লিখে তুমি ছাড়বে না, এ আমি জানি। আমার মাথাতেও কিন্তু একটা আইডিয়া এসেছে। ভাবছি স্কুলের ম্যাগাজিনে শালবন বিহারের ওপর একটা আর্টিকেল লিখলে মন্দ হয় না’

এনামুল বললে, ‘আমাকে দিয়ে কারেকশান করিয়ে নিও, যে বিদ্যের জাহাজ!’

‘তবু তো তোমার মতো লোক ঠকানো কবিতা লিখি না?’

‘একবার চেষ্টা করেই দ্যাখো না লক্ষ্মীটি!’

‘কাজ নেই বাবা ঐসব পণ্ডশ্রমে। আমরা বোধহয় এসে গেছি। ওটা স্টেশনের সিগন্যাল না?’

এনামুল বললে, ‘তাইতো মনে হচ্ছে!’

‘যাক বাঁচা গেল। কষ্টটা মনে থাকবে অনেকদিন।’

এনামুল বললে, ‘পরে এই কষ্টটাই আনন্দ দেবে-‘

হঠাৎ জেবুন্নেসা আনন্দে চমকে উঠলো। ওর গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে বললে, ‘খুব তো ভয় দেখিয়েছিলে যে ঐ আনিঘষা সিকিটা চালাতে পারবো না, বুড়ো কিন্তু টেরই পায় নি!’

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪২)

১২:০০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

অচল সিকি

‘এই যে আমার কোনো বাচ্চাকাচ্চা হচ্ছে না, ভেতরে ভেতরে তুমি নিশ্চয়ই-

বাধা দিয়ে এনামুল বললে, ‘ব্যস্ ব্যস্ ব্যস্’

‘আমাকে তুমি আবার ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেও!’

‘কী আশ্চর্য! থামবে, না গুঁতো খাবে আমার?’

‘ঠাট্টা নয়, দেখতে দেখতে বছর ঘুরতে চললো, আমার কিন্তু ভারি ভয় করছে-‘

‘তুমি একটা যা-তা, ওসব কথা পরে হবে, আমি কি ভাবছি জানো?’

‘একবার যখন ঘুরে গেলে তখন এক-আধটা কবিতা না লিখে তুমি ছাড়বে না, এ আমি জানি। আমার মাথাতেও কিন্তু একটা আইডিয়া এসেছে। ভাবছি স্কুলের ম্যাগাজিনে শালবন বিহারের ওপর একটা আর্টিকেল লিখলে মন্দ হয় না’

এনামুল বললে, ‘আমাকে দিয়ে কারেকশান করিয়ে নিও, যে বিদ্যের জাহাজ!’

‘তবু তো তোমার মতো লোক ঠকানো কবিতা লিখি না?’

‘একবার চেষ্টা করেই দ্যাখো না লক্ষ্মীটি!’

‘কাজ নেই বাবা ঐসব পণ্ডশ্রমে। আমরা বোধহয় এসে গেছি। ওটা স্টেশনের সিগন্যাল না?’

এনামুল বললে, ‘তাইতো মনে হচ্ছে!’

‘যাক বাঁচা গেল। কষ্টটা মনে থাকবে অনেকদিন।’

এনামুল বললে, ‘পরে এই কষ্টটাই আনন্দ দেবে-‘

হঠাৎ জেবুন্নেসা আনন্দে চমকে উঠলো। ওর গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে বললে, ‘খুব তো ভয় দেখিয়েছিলে যে ঐ আনিঘষা সিকিটা চালাতে পারবো না, বুড়ো কিন্তু টেরই পায় নি!’