০৫:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৮)

বুলু ও চড়ুই
তিন সপ্তাহ পরে তিনি যখন ফিরে এলেন তখন আর তাঁকে চেনা যায় না। পাগলের মতো লণ্ডভণ্ড চেহারা। ঘরের মাঝখানে ঠায় দাঁড়িয়ে উদ্‌ভ্রান্ত চোখে কি যেন খুঁজতে লাগলেন। সামনের একটাও দাঁত ছিলো না তাঁর। সারা মাথায় ঘা। ‘তোমরা সবাই ভালো আছো তো-‘ এই বলে মেঝের ওপর পড়ে গেলেন। তাঁর হুঁশ ছিলো না তখন। পরে বোঝা গিয়েছিল।
বাড়ি বদল হলো আবার। এবার লালবাগে।
লালবাগের কথা মনে উঠলেই বুলুর চোখের সামনে সবকিছু আঁধার হয়ে যায়, যেমন এই এখন, এই মুহূর্তে; বিকেলের নরোম সোনালি রোদ বিনুনির
ডগার রিবনের মতো খসে যাচ্ছে, খসে যাচ্ছে ধুলোয়, পায়ের তলায়, খসে
যাচ্ছে, খসে যাচ্ছে-
লালবাগ, লালবাগ-
লালবাগ, লালবাগ-
বুলুর কানে তালা লেগে যায়।
একটা নাম ঢোলের শব্দ হয়ে যায়, একটা নাম কামানের গোলাফাটা শব্দ হয়ে যায়; একদিন নিশুতি রাতে রাজপুত্তুর বর তাকে এই লালবাগ থেকেই উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছিলো।
জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৮)

১২:০০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
বুলু ও চড়ুই
তিন সপ্তাহ পরে তিনি যখন ফিরে এলেন তখন আর তাঁকে চেনা যায় না। পাগলের মতো লণ্ডভণ্ড চেহারা। ঘরের মাঝখানে ঠায় দাঁড়িয়ে উদ্‌ভ্রান্ত চোখে কি যেন খুঁজতে লাগলেন। সামনের একটাও দাঁত ছিলো না তাঁর। সারা মাথায় ঘা। ‘তোমরা সবাই ভালো আছো তো-‘ এই বলে মেঝের ওপর পড়ে গেলেন। তাঁর হুঁশ ছিলো না তখন। পরে বোঝা গিয়েছিল।
বাড়ি বদল হলো আবার। এবার লালবাগে।
লালবাগের কথা মনে উঠলেই বুলুর চোখের সামনে সবকিছু আঁধার হয়ে যায়, যেমন এই এখন, এই মুহূর্তে; বিকেলের নরোম সোনালি রোদ বিনুনির
ডগার রিবনের মতো খসে যাচ্ছে, খসে যাচ্ছে ধুলোয়, পায়ের তলায়, খসে
যাচ্ছে, খসে যাচ্ছে-
লালবাগ, লালবাগ-
লালবাগ, লালবাগ-
বুলুর কানে তালা লেগে যায়।
একটা নাম ঢোলের শব্দ হয়ে যায়, একটা নাম কামানের গোলাফাটা শব্দ হয়ে যায়; একদিন নিশুতি রাতে রাজপুত্তুর বর তাকে এই লালবাগ থেকেই উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছিলো।