১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদেও এবার চালু হচ্ছে ‘আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ’ ব্যবস্থা যুদ্ধ থামছে না কেন? অপরাধ যখন ধর্মের পরিচয় পায় ঝলমলে শিল্পে আত্মভালোবাসার বার্তা দিচ্ছেন সারা শাকিল শতায়ু বাবা-মায়ের সন্তানদের আয়ু ও সুস্বাস্থ্যের সম্ভাবনা বেশি শিক্ষিত, দক্ষ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণদেরই ফাঁদে ফেলছে মানবপাচারকারীরা পাকিস্তান-রাশিয়া সম্পর্ক: অবহেলিত হলেও কেন বাড়ছে কৌশলগত গুরুত্ব বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ-তিনগুণ, সুযোগ নিয়ে থাকছে প্রশ্ন গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন তথ্য, জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে হচ্ছে না

প্রতীকী মূল্যে জলিল টেক্সটাইলের ৫৪.৯৯ একর জমি পাচ্ছে সেনাবাহিনী, মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন

চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে অবস্থিত বন্ধ হয়ে যাওয়া জলিল টেক্সটাইল মিলসের ৫৪.৯৯ একর জমি প্রতীকী মূল্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (বিওএফ) বা বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার সম্প্রসারণের জন্য জমিটি ব্যবহার করা হবে।

বুধবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। জলিল টেক্সটাইল মিলসটি বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) নিয়ন্ত্রণাধীন।

জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জলিল টেক্সটাইল মিলসের ৫৪.৯৯ একর জমি প্রতীকী মূল্যে বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিকে দেওয়া হবে। প্রতীকী মূল্য হিসেবে নির্ধারিত অর্থ বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার পক্ষ থেকে বিটিএমসিকে পরিশোধ করা হবে।

এই অনুমোদনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হলো।

আগের দুই দফায় কেন অনুমোদন মেলেনি

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একই প্রস্তাব দুই দফা অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হলেও অনুমোদন পায়নি।

প্রথমবার ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই প্রতীকী মূল্যে জমি হস্তান্তরের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। তবে তখন অন্তর্বর্তী সরকার সেটি অনুমোদন দেয়নি। সভা শেষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, প্রতীকী মূল্যে জমি দেওয়ার পরিবর্তে যথাযথ মূল্য পরিশোধের পক্ষেই সরকার অবস্থান নিয়েছিল। তাঁর ভাষ্য ছিল, প্রতীকী মূল্যে জমি দিলে অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জমির চাহিদা দেখানো হয় এবং জমির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

দ্বিতীয়বারও প্রস্তাব আটকে যায়

পরে ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর একই প্রস্তাব আবারও উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় ওঠে। সে সময় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জলিল টেক্সটাইল মিলসের বকেয়া দায় পরিশোধ করে ৫৪.৯৯ একর জমি গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু সেই প্রস্তাবও অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদন পায়নি।

বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্ত

সবশেষে বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রস্তাবটি নীতিগত অনুমোদন পাওয়ায় বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি সম্প্রসারণের জন্য জলিল টেক্সটাইল মিলসের জমি প্রতীকী মূল্যে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের পথ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হলো।

প্রতীকী মূল্যে জলিল টেক্সটাইলের ৫৪.৯৯ একর জমি সেনাবাহিনীকে হস্তান্তরের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সম্প্রসারণে ব্যবহার হবে বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদেও এবার চালু হচ্ছে ‘আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ’ ব্যবস্থা

প্রতীকী মূল্যে জলিল টেক্সটাইলের ৫৪.৯৯ একর জমি পাচ্ছে সেনাবাহিনী, মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন

০৬:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে অবস্থিত বন্ধ হয়ে যাওয়া জলিল টেক্সটাইল মিলসের ৫৪.৯৯ একর জমি প্রতীকী মূল্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (বিওএফ) বা বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার সম্প্রসারণের জন্য জমিটি ব্যবহার করা হবে।

বুধবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। জলিল টেক্সটাইল মিলসটি বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) নিয়ন্ত্রণাধীন।

জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জলিল টেক্সটাইল মিলসের ৫৪.৯৯ একর জমি প্রতীকী মূল্যে বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিকে দেওয়া হবে। প্রতীকী মূল্য হিসেবে নির্ধারিত অর্থ বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার পক্ষ থেকে বিটিএমসিকে পরিশোধ করা হবে।

এই অনুমোদনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হলো।

আগের দুই দফায় কেন অনুমোদন মেলেনি

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একই প্রস্তাব দুই দফা অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হলেও অনুমোদন পায়নি।

প্রথমবার ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই প্রতীকী মূল্যে জমি হস্তান্তরের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। তবে তখন অন্তর্বর্তী সরকার সেটি অনুমোদন দেয়নি। সভা শেষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, প্রতীকী মূল্যে জমি দেওয়ার পরিবর্তে যথাযথ মূল্য পরিশোধের পক্ষেই সরকার অবস্থান নিয়েছিল। তাঁর ভাষ্য ছিল, প্রতীকী মূল্যে জমি দিলে অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জমির চাহিদা দেখানো হয় এবং জমির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

দ্বিতীয়বারও প্রস্তাব আটকে যায়

পরে ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর একই প্রস্তাব আবারও উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় ওঠে। সে সময় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জলিল টেক্সটাইল মিলসের বকেয়া দায় পরিশোধ করে ৫৪.৯৯ একর জমি গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু সেই প্রস্তাবও অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদন পায়নি।

বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্ত

সবশেষে বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রস্তাবটি নীতিগত অনুমোদন পাওয়ায় বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি সম্প্রসারণের জন্য জলিল টেক্সটাইল মিলসের জমি প্রতীকী মূল্যে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের পথ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হলো।

প্রতীকী মূল্যে জলিল টেক্সটাইলের ৫৪.৯৯ একর জমি সেনাবাহিনীকে হস্তান্তরের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সম্প্রসারণে ব্যবহার হবে বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি।