০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • 101

প্রদীপ কুমার মজুমদার 

অঙ্কবোধক চিহ্ন সম্পর্কে আবু রৈহান মহম্মদ ইবন আহমদ আল বিরুণীর লেখা গ্রন্থ পাঠ করলে অনেক কিছু আমরা জানতে পারি। আলবিরুণী আরবী, পারসী, সংস্কৃত ভাষায় পণ্ডিত ছিলেন। আবার গণিত, বিজ্ঞান দর্শন প্রভৃতি বিষয়েও সম্যক জ্ঞান ছিল।

তিনি “কিতাব অল অরকম্” এবং “তজকীরা ফি অল হিসাব ওয়াল মদ বি অল অরকম অল সিন্দ ওয়াল হিন্দ” নামে সংখ্যার উপর দুটি গ্রন্থ রচনা করেন। তাঁর লিখিত অথার অল বাকিয়াতে তিনি সংখ্যাকে অল অরকম অল হিন্দ বলেছেন। এবং অক্ষর সংখ্যা থেকে এগুলি ভিন্ন সে কথাও উল্লেখ করেছেন (হারুফ অল জুম্মল বা হিসাব অল জুম্মল)।

আরবীয় সংখ্যা চিহ্ন সম্বন্ধে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি তার গ্রন্থ “তারিক অল হিন্দ” এ বলেছেন “বর্ণমালাগুলি বিভিন্ন আকৃতির, সংখ্যা বোধক চিহ্নগুলিও সেইরূপ। এগুলিকে অঙ্ক নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। যে সংখ্যাবোধক চিহ্নগুলি আমরা ব্যবহার করি সেগুলির আদি হিন্দু চিহ্ন।”

অন্যত্র আলবিরূণী বলেছেন। “আমরা যেভাবে অঙ্কবোধক চিহ্ন ব্যবহার করি। হিন্দুরা এ ব্যাপারে কতটা অগ্রসর হয়েছে সে সম্পর্কে আমি (আলবিরূণী) একটি গ্রন্থ প্রণয়ন করেছি।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৮)

০৭:০০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার 

অঙ্কবোধক চিহ্ন সম্পর্কে আবু রৈহান মহম্মদ ইবন আহমদ আল বিরুণীর লেখা গ্রন্থ পাঠ করলে অনেক কিছু আমরা জানতে পারি। আলবিরুণী আরবী, পারসী, সংস্কৃত ভাষায় পণ্ডিত ছিলেন। আবার গণিত, বিজ্ঞান দর্শন প্রভৃতি বিষয়েও সম্যক জ্ঞান ছিল।

তিনি “কিতাব অল অরকম্” এবং “তজকীরা ফি অল হিসাব ওয়াল মদ বি অল অরকম অল সিন্দ ওয়াল হিন্দ” নামে সংখ্যার উপর দুটি গ্রন্থ রচনা করেন। তাঁর লিখিত অথার অল বাকিয়াতে তিনি সংখ্যাকে অল অরকম অল হিন্দ বলেছেন। এবং অক্ষর সংখ্যা থেকে এগুলি ভিন্ন সে কথাও উল্লেখ করেছেন (হারুফ অল জুম্মল বা হিসাব অল জুম্মল)।

আরবীয় সংখ্যা চিহ্ন সম্বন্ধে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি তার গ্রন্থ “তারিক অল হিন্দ” এ বলেছেন “বর্ণমালাগুলি বিভিন্ন আকৃতির, সংখ্যা বোধক চিহ্নগুলিও সেইরূপ। এগুলিকে অঙ্ক নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। যে সংখ্যাবোধক চিহ্নগুলি আমরা ব্যবহার করি সেগুলির আদি হিন্দু চিহ্ন।”

অন্যত্র আলবিরূণী বলেছেন। “আমরা যেভাবে অঙ্কবোধক চিহ্ন ব্যবহার করি। হিন্দুরা এ ব্যাপারে কতটা অগ্রসর হয়েছে সে সম্পর্কে আমি (আলবিরূণী) একটি গ্রন্থ প্রণয়ন করেছি।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৭)