০৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫
  • 199

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এখানে আর্যভট ‘এর যে মান দিয়েছেন অর্থাৎ ৬২৮৩২/২০০০, ভাস্করাচার্য সেই মান এখানে ধরেছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য গোলকের আয়তন বের করতে গিয়ে আর্যভটের গণিতপাদের সপ্তম শ্লোকটির সাহায্য নিয়েছেন। গণিতপাদের সপ্তম শ্লোকটি হচ্ছে:

“সমপরিণাহস্যার্থং বিদ্ধস্তাধহতমেব বৃত্তফলম্।

তন্মিজমূলেন হতং ঘন গোল ফলং নিরবশেষম্ ॥

অর্থাৎ পরিধির অর্ধকে ব্যাসার্ধ দিয়ে গুণ করলে বৃত্তের ক্ষেত্রফল পাওয়া যায় এবং তাকে এর বর্গমূল দিয়ে গুণ করলে গোলকের আয়তন পাওয়া যায়। ক্যে’র ধারণা ছিল আর্যভট ‘এর যে মান দিয়েছেন সেটি অন্ততপক্ষে দ্বাদশ শতাব্দীর পূর্ব পর্যন্ত কেউ ব্যবহার করেন নাই।

কিন্তু আমরা পূর্বেই দেখেছি দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য প্রথম আর্যভটের ‘এর মান ব্যবহার করেছেন। এ ছাড়াও বরাহমিহির, লল্প প্রমুখ ভারতীয়রা আর্যভটের ‘এর মান ব্যবহার করেছেন। যেহেতু ‘এর মান গণিতপাদে দেওয়া আছে, অতএব আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি গণিতপাদ আর্যভটীয়ের একটি অংশ। সুতরাং স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে ক্যে’র সিদ্ধান্ত ভ্রমাত্মক।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৪৮)

০৩:০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এখানে আর্যভট ‘এর যে মান দিয়েছেন অর্থাৎ ৬২৮৩২/২০০০, ভাস্করাচার্য সেই মান এখানে ধরেছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য গোলকের আয়তন বের করতে গিয়ে আর্যভটের গণিতপাদের সপ্তম শ্লোকটির সাহায্য নিয়েছেন। গণিতপাদের সপ্তম শ্লোকটি হচ্ছে:

“সমপরিণাহস্যার্থং বিদ্ধস্তাধহতমেব বৃত্তফলম্।

তন্মিজমূলেন হতং ঘন গোল ফলং নিরবশেষম্ ॥

অর্থাৎ পরিধির অর্ধকে ব্যাসার্ধ দিয়ে গুণ করলে বৃত্তের ক্ষেত্রফল পাওয়া যায় এবং তাকে এর বর্গমূল দিয়ে গুণ করলে গোলকের আয়তন পাওয়া যায়। ক্যে’র ধারণা ছিল আর্যভট ‘এর যে মান দিয়েছেন সেটি অন্ততপক্ষে দ্বাদশ শতাব্দীর পূর্ব পর্যন্ত কেউ ব্যবহার করেন নাই।

কিন্তু আমরা পূর্বেই দেখেছি দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য প্রথম আর্যভটের ‘এর মান ব্যবহার করেছেন। এ ছাড়াও বরাহমিহির, লল্প প্রমুখ ভারতীয়রা আর্যভটের ‘এর মান ব্যবহার করেছেন। যেহেতু ‘এর মান গণিতপাদে দেওয়া আছে, অতএব আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি গণিতপাদ আর্যভটীয়ের একটি অংশ। সুতরাং স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে ক্যে’র সিদ্ধান্ত ভ্রমাত্মক।

(চলবে)