১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০০)

প্রথম ভারতীয় গণিতবিদ যিনি এই একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের পরিবর্তে একটি পারিভাষিক শব্দ প্রয়োগ করেছেন

যাই হোক গোবিন্দস্বামী এক মাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণ সম্পর্কে যে আলোচনা করেছেন তাথেকে স্পষ্টই দু ধরণের সমীকরণ পেতে পারি। যেমন

N=ax+R₁=by+R……. (2)

(1) নং তিনি দুভাগে ভাগ করেছেন যথা (ক) যখন ৫ ধনাত্মক অর্থাৎ ক্ষেপ ধনাত্মক তখন এটিকে গন্তব্য বলা হয়।

(খ) যখন ঋণাত্মক অর্থাৎ ক্ষেপ ঋণাত্মক তখন এটিকে গত বলা হয়।

যাই হোক এবার আমরা একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের ব্যুৎপত্তি পরিভাষা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করছি।

পরিভাষা, ব্যুৎপত্তি ইত্যাদি

প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদরা একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের পরিবর্তে কুটুক। কুট্টকার, কুট্টিকার অথবা কুট ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করতেন। যদিও প্রথম আর্যভট
একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন তবে তিনি এই সমীকরণটির কোন নামকরণ করেন নি।

প্রথম ভাস্করাচার্যই (৬০০ খ্রীঃ) প্রথম ভারতীয় গণিতবিদ যিনি এই একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের পরিবর্তে একটি পারিভাষিক শব্দ প্রয়োগ করেছেন। তিনি এই সমীকরণকে কুট্টকার বা ফুট বলেছেন। এরপর ব্রহ্মগুপ্ত বলেছেন কুট্রট, কুট্টকার, কুটুক, মহাবীরাচার্য বলেছেন কুট্টিকার।

সাধারণত N = ax +R1 = by + R2 এই সমীকরণে ৫, ৬ কে ভাগহার, ভাজক, ছেদ ইত্যাদি বলা হয়। R1 Rকে অগ্র, শেষ ইত্যাদি বলা হয়।

ß’কে ভাজক, α’কে ক্ষেপ, ক্ষেপক ইত্যাদি এবং y’কে ভাজ্য বলা হয়। অজ্ঞাত রাশি x’কে গুণক, গুণকার ইত্যাদি বলা হয়। y’কে ফল বলা যায়। অবশ্য মহাবীর x’কে রাশি বলেছেন।

হিংসার্থক কুট ধাতুর উত্তর কর্তৃবাচ্যে ণক্ প্রত্যয় দ্বারা কুটুক পদ নিষ্পন্ন হয়েছে। গণিতশাস্ত্রে হিংসার্থক ধাতু নিষ্পন্ন হনন, ঘাত ইত্যাদি পদে গুণন করা বুঝায়, এজন্য কুট্টক শব্দের অর্থ গুণক। নির্দিষ্ট কোন রাশিকে যে গুণক দ্বারা গুণ করে প্রশ্নোদ্দিষ্ট ক্ষেপ যোগ ও প্রশ্নোক্ত হর দ্বারা ভাগ করলে নিঃশেষ হয়, সেই গুণক কুট্টক নামে অভিহিত।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৯৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৯৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০০)

০৩:০০:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

প্রথম ভারতীয় গণিতবিদ যিনি এই একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের পরিবর্তে একটি পারিভাষিক শব্দ প্রয়োগ করেছেন

যাই হোক গোবিন্দস্বামী এক মাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণ সম্পর্কে যে আলোচনা করেছেন তাথেকে স্পষ্টই দু ধরণের সমীকরণ পেতে পারি। যেমন

N=ax+R₁=by+R……. (2)

(1) নং তিনি দুভাগে ভাগ করেছেন যথা (ক) যখন ৫ ধনাত্মক অর্থাৎ ক্ষেপ ধনাত্মক তখন এটিকে গন্তব্য বলা হয়।

(খ) যখন ঋণাত্মক অর্থাৎ ক্ষেপ ঋণাত্মক তখন এটিকে গত বলা হয়।

যাই হোক এবার আমরা একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের ব্যুৎপত্তি পরিভাষা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করছি।

পরিভাষা, ব্যুৎপত্তি ইত্যাদি

প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদরা একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের পরিবর্তে কুটুক। কুট্টকার, কুট্টিকার অথবা কুট ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করতেন। যদিও প্রথম আর্যভট
একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন তবে তিনি এই সমীকরণটির কোন নামকরণ করেন নি।

প্রথম ভাস্করাচার্যই (৬০০ খ্রীঃ) প্রথম ভারতীয় গণিতবিদ যিনি এই একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের পরিবর্তে একটি পারিভাষিক শব্দ প্রয়োগ করেছেন। তিনি এই সমীকরণকে কুট্টকার বা ফুট বলেছেন। এরপর ব্রহ্মগুপ্ত বলেছেন কুট্রট, কুট্টকার, কুটুক, মহাবীরাচার্য বলেছেন কুট্টিকার।

সাধারণত N = ax +R1 = by + R2 এই সমীকরণে ৫, ৬ কে ভাগহার, ভাজক, ছেদ ইত্যাদি বলা হয়। R1 Rকে অগ্র, শেষ ইত্যাদি বলা হয়।

ß’কে ভাজক, α’কে ক্ষেপ, ক্ষেপক ইত্যাদি এবং y’কে ভাজ্য বলা হয়। অজ্ঞাত রাশি x’কে গুণক, গুণকার ইত্যাদি বলা হয়। y’কে ফল বলা যায়। অবশ্য মহাবীর x’কে রাশি বলেছেন।

হিংসার্থক কুট ধাতুর উত্তর কর্তৃবাচ্যে ণক্ প্রত্যয় দ্বারা কুটুক পদ নিষ্পন্ন হয়েছে। গণিতশাস্ত্রে হিংসার্থক ধাতু নিষ্পন্ন হনন, ঘাত ইত্যাদি পদে গুণন করা বুঝায়, এজন্য কুট্টক শব্দের অর্থ গুণক। নির্দিষ্ট কোন রাশিকে যে গুণক দ্বারা গুণ করে প্রশ্নোদ্দিষ্ট ক্ষেপ যোগ ও প্রশ্নোক্ত হর দ্বারা ভাগ করলে নিঃশেষ হয়, সেই গুণক কুট্টক নামে অভিহিত।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৯৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৯৯)