০৭:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৫:০২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • 102

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর আরও কতকগুলি নিয়ম দেখা যায়। এদের মধ্যে তিনটি প্রণালীর উল্লেখ করছি।

(ক) এই প্রণালীকে সাংকেতিক ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়-N = 34(x – 1) + y

এখানে x = 1, 2, 3 ,***********,16 এবং y = 1, 2 ,*************,34

অর্থাৎ x হচ্ছে অ, আ, ই, ঈ, ঋ, ঋ, ৯, ই, এ, ঐ, ও, ঔ, অং, অঃ এই ষোলটি স্বরবর্ণ। এবং y হচ্ছে ক থেকেহ এবং ল বাক্ষ।

এই পদ্ধতিতে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণ অসম্পৃক্ত অবস্থায় কোন সংখ্যা জ্ঞাপন করে না।

(খ) N = 16(y – 1) +x এই সাংকেতিক ভাষায় একটি নূতন অক্ষর সংখ্যা প্রণালী ভারতবর্ষে চালু ছিল। এখানে স্বরবর্ণের মুখ্য ভূমিকা।

(গ) এটি একটি নূতন প্রণালী। সাংকেতিক ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়: N = 12(y – 1) + x

এখানে স্বরবর্ণ বারটি, অর্থাৎ ঋ, স্কু, ৯, ৪ ধরা হয় না। ক কার সম্পৃক্ত হয়ে ঐ বারটি স্বর যথাক্রমে ১ থেকে ১২ সংখ্যা নির্দেশ করে। খ কার সম্পৃক্ত হয়ে ১৩ থেকে ২৪ সংখ্যা খ্যাপন করে। প্রকৃতপক্ষে এখানে-

x = 1, 2 ,********,12;y=1,2,*******,34

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৪)

০৫:০২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর আরও কতকগুলি নিয়ম দেখা যায়। এদের মধ্যে তিনটি প্রণালীর উল্লেখ করছি।

(ক) এই প্রণালীকে সাংকেতিক ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়-N = 34(x – 1) + y

এখানে x = 1, 2, 3 ,***********,16 এবং y = 1, 2 ,*************,34

অর্থাৎ x হচ্ছে অ, আ, ই, ঈ, ঋ, ঋ, ৯, ই, এ, ঐ, ও, ঔ, অং, অঃ এই ষোলটি স্বরবর্ণ। এবং y হচ্ছে ক থেকেহ এবং ল বাক্ষ।

এই পদ্ধতিতে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণ অসম্পৃক্ত অবস্থায় কোন সংখ্যা জ্ঞাপন করে না।

(খ) N = 16(y – 1) +x এই সাংকেতিক ভাষায় একটি নূতন অক্ষর সংখ্যা প্রণালী ভারতবর্ষে চালু ছিল। এখানে স্বরবর্ণের মুখ্য ভূমিকা।

(গ) এটি একটি নূতন প্রণালী। সাংকেতিক ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়: N = 12(y – 1) + x

এখানে স্বরবর্ণ বারটি, অর্থাৎ ঋ, স্কু, ৯, ৪ ধরা হয় না। ক কার সম্পৃক্ত হয়ে ঐ বারটি স্বর যথাক্রমে ১ থেকে ১২ সংখ্যা নির্দেশ করে। খ কার সম্পৃক্ত হয়ে ১৩ থেকে ২৪ সংখ্যা খ্যাপন করে। প্রকৃতপক্ষে এখানে-

x = 1, 2 ,********,12;y=1,2,*******,34

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৩)