০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

প্রিন্স হ্যারি–মেগানের নতুন ব্রিটেনযাত্রা, পেছনে পড়ে থাকবে আর্চির প্রিয় ‘মুরগির বাড়ি’

ব্রিটেনে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল। তবে এবারও যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেসিটোর বাড়ি পুরোপুরি ছেড়ে যাচ্ছেন না তারা। সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটের নতুন শিক্ষাজীবনকে সামনে রেখে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত ব্রিটেনে থাকার পরিকল্পনা করছেন এই দম্পতি বলে জানা গেছে।

স্থায়ীভাবে নয়, সাময়িকভাবে ব্রিটেনে

রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর ২০২১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেসিটোতে নিজেদের বিলাসবহুল বাড়িতে বসবাস শুরু করেন হ্যারি ও মেগান। এবার ব্রিটেনে ফিরলেও সেখানে স্থায়ীভাবে বসতি গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে—এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, যুক্তরাজ্যে অবস্থানের সময় তারা কটসওল্ডসের একটি ব্যক্তিগত আবাসনে থাকতে পারেন। তবে তাদের ক্যালিফোর্নিয়ার বাড়িটি আগের মতোই নিজেদের কাছে রাখবেন তারা।

আর্চির প্রিয় জায়গাটি পড়ে থাকবে ক্যালিফোর্নিয়ায়

ব্রিটেনে যাওয়ার সময় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি তাদের পোষা কুকুর মিয়া ও পুলাকেও সঙ্গে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে মন্টেসিটোর বাড়িতে থাকা মুরগিগুলোকে সঙ্গে নেওয়া হবে না।

সেখানেই থেকে যাবে মেগানের তৈরি বিশেষ মুরগির ঘর, যার আদুরে নাম ‘আর্চির চিক ইন’। হ্যারি ও মেগানের তথ্যচিত্রেও এই জায়গাটি দেখা গিয়েছিল। পরিবারের ব্যক্তিগত জীবনের নানা স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই ছোট্ট মুরগির ঘরটি তাই তাদের ক্যালিফোর্নিয়ার জীবনের একটি পরিচিত অংশ হয়ে উঠেছে।

তাদের অনুপস্থিতিতে বাড়ির কর্মীরা মুরগিগুলোর দেখভাল করবেন এবং পুরো সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গেছে।

Harry and Meghan will leave their chickens behind when they move to UK in  days in telling sign about their future plans

মায়ের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রেই

হ্যারি ও মেগান ব্রিটেনে অবস্থান করলেও মেগানের মা ডোরিয়া র‍্যাগল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রেই থাকার কথা রয়েছে। ফলে পরিবারের সবাই একসঙ্গে ব্রিটেনে থাকবেন না।

অন্যদিকে, দম্পতির যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ির পাশাপাশি পর্তুগালে থাকা ছুটির বাড়িটিও তারা নিজেদের কাছে রাখবেন। নিয়মিত দুই জায়গাতেই যাতায়াতের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তাদের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে।

ব্রিটেনে ফেরার ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত

হ্যারি-মেগানের ব্রিটেনযাত্রা নিয়ে নানা আলোচনা হলেও তাদের অবস্থানের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা এখনো নিশ্চিত নয়। ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত তারা যুক্তরাজ্যে থাকতে পারেন—এমন খবর থাকলেও স্থায়ীভাবে সেখানে বসবাস করবেন কি না, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

সব মিলিয়ে তাদের পরিকল্পনা আপাতত স্থায়ী প্রত্যাবর্তনের চেয়ে সাময়িক পারিবারিক অবস্থানের দিকেই ইঙ্গিত করছে। তবে সন্তানদের শিক্ষাজীবন, রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে তাদের সম্পত্তি—সবকিছু মিলিয়ে এই প্রত্যাবর্তন ভবিষ্যতে নতুন কোনো সিদ্ধান্তের পথ খুলে দেয় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

প্রিন্স হ্যারি–মেগানের নতুন ব্রিটেনযাত্রা, পেছনে পড়ে থাকবে আর্চির প্রিয় ‘মুরগির বাড়ি’

০৯:০০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ব্রিটেনে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল। তবে এবারও যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেসিটোর বাড়ি পুরোপুরি ছেড়ে যাচ্ছেন না তারা। সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটের নতুন শিক্ষাজীবনকে সামনে রেখে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত ব্রিটেনে থাকার পরিকল্পনা করছেন এই দম্পতি বলে জানা গেছে।

স্থায়ীভাবে নয়, সাময়িকভাবে ব্রিটেনে

রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর ২০২১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেসিটোতে নিজেদের বিলাসবহুল বাড়িতে বসবাস শুরু করেন হ্যারি ও মেগান। এবার ব্রিটেনে ফিরলেও সেখানে স্থায়ীভাবে বসতি গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে—এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, যুক্তরাজ্যে অবস্থানের সময় তারা কটসওল্ডসের একটি ব্যক্তিগত আবাসনে থাকতে পারেন। তবে তাদের ক্যালিফোর্নিয়ার বাড়িটি আগের মতোই নিজেদের কাছে রাখবেন তারা।

আর্চির প্রিয় জায়গাটি পড়ে থাকবে ক্যালিফোর্নিয়ায়

ব্রিটেনে যাওয়ার সময় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি তাদের পোষা কুকুর মিয়া ও পুলাকেও সঙ্গে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে মন্টেসিটোর বাড়িতে থাকা মুরগিগুলোকে সঙ্গে নেওয়া হবে না।

সেখানেই থেকে যাবে মেগানের তৈরি বিশেষ মুরগির ঘর, যার আদুরে নাম ‘আর্চির চিক ইন’। হ্যারি ও মেগানের তথ্যচিত্রেও এই জায়গাটি দেখা গিয়েছিল। পরিবারের ব্যক্তিগত জীবনের নানা স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই ছোট্ট মুরগির ঘরটি তাই তাদের ক্যালিফোর্নিয়ার জীবনের একটি পরিচিত অংশ হয়ে উঠেছে।

তাদের অনুপস্থিতিতে বাড়ির কর্মীরা মুরগিগুলোর দেখভাল করবেন এবং পুরো সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গেছে।

Harry and Meghan will leave their chickens behind when they move to UK in  days in telling sign about their future plans

মায়ের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রেই

হ্যারি ও মেগান ব্রিটেনে অবস্থান করলেও মেগানের মা ডোরিয়া র‍্যাগল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রেই থাকার কথা রয়েছে। ফলে পরিবারের সবাই একসঙ্গে ব্রিটেনে থাকবেন না।

অন্যদিকে, দম্পতির যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ির পাশাপাশি পর্তুগালে থাকা ছুটির বাড়িটিও তারা নিজেদের কাছে রাখবেন। নিয়মিত দুই জায়গাতেই যাতায়াতের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তাদের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে।

ব্রিটেনে ফেরার ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত

হ্যারি-মেগানের ব্রিটেনযাত্রা নিয়ে নানা আলোচনা হলেও তাদের অবস্থানের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা এখনো নিশ্চিত নয়। ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত তারা যুক্তরাজ্যে থাকতে পারেন—এমন খবর থাকলেও স্থায়ীভাবে সেখানে বসবাস করবেন কি না, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

সব মিলিয়ে তাদের পরিকল্পনা আপাতত স্থায়ী প্রত্যাবর্তনের চেয়ে সাময়িক পারিবারিক অবস্থানের দিকেই ইঙ্গিত করছে। তবে সন্তানদের শিক্ষাজীবন, রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে তাদের সম্পত্তি—সবকিছু মিলিয়ে এই প্রত্যাবর্তন ভবিষ্যতে নতুন কোনো সিদ্ধান্তের পথ খুলে দেয় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।