১২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিউইয়র্কে ৯/১১ হামলার ২৫ বছর: গ্রাউন্ড জিরোতে ২,৯৮৩ নাম পাঠে স্মরণ সৌদি তেল রপ্তানিতে বড় ধাক্কা, হরমুজ ও লোহিত সাগর দুই পথেই বাড়ছে ঝুঁকি সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জীর পাঁচ চিরকুট মোদি-পুতিনের বৈঠক, পশ্চিমা চাপের বাইরে নতুন বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির প্ল্যাটফর্ম চায় ব্রিকস বরিশালে সমকালের কার্যালয়ে সাংবাদিক পুলক চট্টোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সৌদি আরবের তেল পাইপলাইন বন্ধ, লোহিত সাগরের কৌশলগত দ্বীপ দখলে হুথিরা ৮ বিভাগেই বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা সিডনির মঞ্চে আজ জেমস ও রূপম, দুই বাংলার রক দিল্লিতে মোদি-পেজেশকিয়ান বৈঠক, নাবিকদের নিরাপত্তায় জোর  ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুন, মৃত্যু বেড়ে ৩৫, নিখোঁজ ৫৪

 ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুন, মৃত্যু বেড়ে ৩৫, নিখোঁজ ৫৪

ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুন লেগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধারকারীরা আরও মরদেহ উদ্ধারের পর এই সংখ্যা জানানো হয়। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৫৪ জন। বেঁচে ফিরেছেন ৪৩ জন যাত্রী ও ক্রু সদস্য।
বুধবার রাতে পালাওয়ান প্রদেশের কাছে অগ্নিকাণ্ডটি ঘটে। কোস্ট গার্ডের প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, জাহাজের ভেতরের অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। সেখানে ছাই, দুমড়েমুচড়ে যাওয়া ধাতব কাঠামো ও ক্ষতিগ্রস্ত একটি গাড়ি দেখা যায়। জীবিত উদ্ধার হওয়া আরনুলফো নকি ভিয়ানুয়েভা জানান, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় পাননি। নিউজফাইভে প্রচারিত ভিডিওতে তিনি বলেন, মেঝেতে পড়ে গিয়ে তার পিঠ পুড়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জানালা দিয়ে লাফিয়ে তিনি বের হন। আতঙ্কিত যাত্রীরা তার ওপর দিয়ে ছোটাছুটি করায় লাইফ জ্যাকেট নিতে পারেননি বলেও জানান তিনি।
Death toll from Philippines ferry fire rises to 35, as officials warn toll  will grow | Philippines | The Guardian
বৃহস্পতিবার তীব্র তাপ ও ঘন ধোঁয়ার কারণে উদ্ধারকর্মীরা জাহাজের কয়েকটি অংশে ঢুকতে পারেননি। শুক্রবার পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকে এবং তখনই মৃতের সংখ্যা ৩৫ বলে নিশ্চিত করা হয়। ফেরিটি ম্যানিলা থেকে ছেড়ে কোরোনের দিকে যাচ্ছিল। গন্তব্যের কাছে তুর্দা গ্রাম থেকে প্রায় ৭ দশমিক ৪ কিলোমিটার দূরে থাকা অবস্থায় আগুনের খবর পাওয়া যায়। আগুনের কারণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।
জাহাজের তালিকা অনুযায়ী ১৩৪ জন আরোহী ছিলেন, এর মধ্যে ১১৭ জন যাত্রী ও ১৭ জন ক্রু। ৫৩ মিটার দীর্ঘ ফেরিটিতে সর্বোচ্চ ৩০৬ জন যাত্রী ও ২৭ জন ক্রু বহনের অনুমোদন ছিল। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, তালিকায় নাম থাকা দুজন পরে জানিয়েছেন তারা জাহাজে ওঠেননি। ফেরি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান আতিয়েনসা ইন্টারআইল্যান্ড ফেরিজের কর্মী র‍্যাচেল কনসারম্যান জানান, জীবিতদের মধ্যে দুজন চিলির পর্যটক রয়েছেন, যারা কোরোনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ফিলিপাইনের দ্বীপগুলোর মধ্যে যোগাযোগের বড় মাধ্যম ফেরি। কিন্তু ঝড়, রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি, অতিরিক্ত যাত্রী ও নিরাপত্তাবিধি প্রয়োগের দুর্বলতা দুর্ঘটনা ঘটিয়েই চলেছে। ১৯৮৭ সালে ডোনা পাজ ফেরি একটি জ্বালানি ট্যাংকারের সঙ্গে সংঘর্ষে ডুবে গেলে ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ মারা যান। কোরোন তার স্বচ্ছ পানি ও চুনাপাথরের পাহাড়ের জন্য পরিচিত পর্যটন গন্তব্য, আর এবার সেখানকার উদ্ধারকেন্দ্রে অপেক্ষা করছেন স্বজনরা।
Death toll in Philippine ferry fire rises to 35 as more bodies are  recovered | International News | wxow.com
জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্কে ৯/১১ হামলার ২৫ বছর: গ্রাউন্ড জিরোতে ২,৯৮৩ নাম পাঠে স্মরণ

 ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুন, মৃত্যু বেড়ে ৩৫, নিখোঁজ ৫৪

১১:৪৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুন লেগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধারকারীরা আরও মরদেহ উদ্ধারের পর এই সংখ্যা জানানো হয়। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৫৪ জন। বেঁচে ফিরেছেন ৪৩ জন যাত্রী ও ক্রু সদস্য।
বুধবার রাতে পালাওয়ান প্রদেশের কাছে অগ্নিকাণ্ডটি ঘটে। কোস্ট গার্ডের প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, জাহাজের ভেতরের অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। সেখানে ছাই, দুমড়েমুচড়ে যাওয়া ধাতব কাঠামো ও ক্ষতিগ্রস্ত একটি গাড়ি দেখা যায়। জীবিত উদ্ধার হওয়া আরনুলফো নকি ভিয়ানুয়েভা জানান, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় পাননি। নিউজফাইভে প্রচারিত ভিডিওতে তিনি বলেন, মেঝেতে পড়ে গিয়ে তার পিঠ পুড়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জানালা দিয়ে লাফিয়ে তিনি বের হন। আতঙ্কিত যাত্রীরা তার ওপর দিয়ে ছোটাছুটি করায় লাইফ জ্যাকেট নিতে পারেননি বলেও জানান তিনি।
Death toll from Philippines ferry fire rises to 35, as officials warn toll  will grow | Philippines | The Guardian
বৃহস্পতিবার তীব্র তাপ ও ঘন ধোঁয়ার কারণে উদ্ধারকর্মীরা জাহাজের কয়েকটি অংশে ঢুকতে পারেননি। শুক্রবার পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকে এবং তখনই মৃতের সংখ্যা ৩৫ বলে নিশ্চিত করা হয়। ফেরিটি ম্যানিলা থেকে ছেড়ে কোরোনের দিকে যাচ্ছিল। গন্তব্যের কাছে তুর্দা গ্রাম থেকে প্রায় ৭ দশমিক ৪ কিলোমিটার দূরে থাকা অবস্থায় আগুনের খবর পাওয়া যায়। আগুনের কারণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।
জাহাজের তালিকা অনুযায়ী ১৩৪ জন আরোহী ছিলেন, এর মধ্যে ১১৭ জন যাত্রী ও ১৭ জন ক্রু। ৫৩ মিটার দীর্ঘ ফেরিটিতে সর্বোচ্চ ৩০৬ জন যাত্রী ও ২৭ জন ক্রু বহনের অনুমোদন ছিল। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, তালিকায় নাম থাকা দুজন পরে জানিয়েছেন তারা জাহাজে ওঠেননি। ফেরি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান আতিয়েনসা ইন্টারআইল্যান্ড ফেরিজের কর্মী র‍্যাচেল কনসারম্যান জানান, জীবিতদের মধ্যে দুজন চিলির পর্যটক রয়েছেন, যারা কোরোনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ফিলিপাইনের দ্বীপগুলোর মধ্যে যোগাযোগের বড় মাধ্যম ফেরি। কিন্তু ঝড়, রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি, অতিরিক্ত যাত্রী ও নিরাপত্তাবিধি প্রয়োগের দুর্বলতা দুর্ঘটনা ঘটিয়েই চলেছে। ১৯৮৭ সালে ডোনা পাজ ফেরি একটি জ্বালানি ট্যাংকারের সঙ্গে সংঘর্ষে ডুবে গেলে ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ মারা যান। কোরোন তার স্বচ্ছ পানি ও চুনাপাথরের পাহাড়ের জন্য পরিচিত পর্যটন গন্তব্য, আর এবার সেখানকার উদ্ধারকেন্দ্রে অপেক্ষা করছেন স্বজনরা।
Death toll in Philippine ferry fire rises to 35 as more bodies are  recovered | International News | wxow.com