০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

বরিশাল ভূমিকম্পের পর হঠাৎ ভাঙনে বানারীপাড়ায় বসতবাড়ি ও জমি সন্ধ্যা নদীগর্ভে

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের উত্তর নাজিরপুর গ্রামে ভূমিকম্পের পরপরই সন্ধ্যা নদীর তীর ভেঙে ব্যবসায়ী আবু বকর ঘরামীর বসতবাড়ি, গাছপালা আর ২০–৬০ শতাংশের মতো জমি মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

পরিবার জানায়, ঘরটি নদীর খুব কাছেই ছিল; কিছুদিনের মধ্যে সরানোর পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পর থেকে খসে পড়তে থাকা মাটি দেখতে-দেখতেই পুরো ঘরভিটা নদীতে চলে যায়।
এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও এক ঝটকায় শেষ আশ্রয় হারিয়ে তারা এখন আত্মীয়ের বাড়ি ও আশপাশের মানুষের ঘরে আশ্রিত।
প্রতি বছর অক্টোবর–নভেম্বরেই সন্ধ্যা নদীর ভাঙন তীব্র হয়; এবার ভূমিকম্পের অতিরিক্ত চাপ পড়ায় ভাঙনের গতি আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা প্রশাসন প্রাথমিক তালিকা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে, তবে টেকসই বাঁধ ও সুরক্ষা ছাড়া নদীর ভাঙন বন্ধ হবে না বলে মনে করেন নদী–গবেষকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

বরিশাল ভূমিকম্পের পর হঠাৎ ভাঙনে বানারীপাড়ায় বসতবাড়ি ও জমি সন্ধ্যা নদীগর্ভে

০৩:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের উত্তর নাজিরপুর গ্রামে ভূমিকম্পের পরপরই সন্ধ্যা নদীর তীর ভেঙে ব্যবসায়ী আবু বকর ঘরামীর বসতবাড়ি, গাছপালা আর ২০–৬০ শতাংশের মতো জমি মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

পরিবার জানায়, ঘরটি নদীর খুব কাছেই ছিল; কিছুদিনের মধ্যে সরানোর পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পর থেকে খসে পড়তে থাকা মাটি দেখতে-দেখতেই পুরো ঘরভিটা নদীতে চলে যায়।
এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও এক ঝটকায় শেষ আশ্রয় হারিয়ে তারা এখন আত্মীয়ের বাড়ি ও আশপাশের মানুষের ঘরে আশ্রিত।
প্রতি বছর অক্টোবর–নভেম্বরেই সন্ধ্যা নদীর ভাঙন তীব্র হয়; এবার ভূমিকম্পের অতিরিক্ত চাপ পড়ায় ভাঙনের গতি আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা প্রশাসন প্রাথমিক তালিকা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে, তবে টেকসই বাঁধ ও সুরক্ষা ছাড়া নদীর ভাঙন বন্ধ হবে না বলে মনে করেন নদী–গবেষকরা।