০৯:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মাদকবিরোধী সমঝোতা, তথ্য বিনিময় ও যৌথ অভিযানে জোর

মাদক পাচার ও মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধে সহযোগিতা জোরদার করতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে। শুক্রবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের পক্ষে এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি চুক্তিতে সই করেন। এই সমঝোতার মাধ্যমে দুই দেশ মাদক পাচার প্রতিরোধ, তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

তথ্য বিনিময় ও গোয়েন্দা সহযোগিতা

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান মাদক পাচারকারী, মাদক চক্র, নতুন পাচারপথ এবং পাচারের নতুন কৌশল সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য বিনিময় করবে। পাশাপাশি সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধী সংগঠন সম্পর্কেও গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।

দুই দেশই মাদক পাচার ও সংশ্লিষ্ট অর্থপাচার ঠেকাতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রয়োজনে সমন্বিত গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা

সমঝোতা স্মারকে মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া মাদক প্রতিরোধ ও আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ের বিষয়েও দুই দেশ সম্মত হয়েছে।

প্রযুক্তিগত সহযোগিতার আওতায় গোপনে লুকিয়ে রাখা মাদক শনাক্তে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি এবং স্নিফার কুকুর ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করা হবে। এতে মাদক শনাক্ত ও প্রতিরোধ কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

দুই সংস্থা থাকবে ফোকাল পয়েন্ট

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের অ্যান্টি নারকোটিকস ফোর্স নিয়মিত ও কার্যক্রমভিত্তিক তথ্য বিনিময়ের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

দুই দেশই তথ্য ও নথিপত্রের গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়ে একমত হয়েছে। পারস্পরিক সম্মতি ছাড়া কোনো তৃতীয় পক্ষের কাছে এসব তথ্য প্রকাশ করা যাবে না বলেও চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

১০ বছরের জন্য কার্যকর

সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। পরবর্তীতে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে এর মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয়ই আশা প্রকাশ করেছে, এই সহযোগিতার মাধ্যমে মাদক পাচার ও অপব্যবহার মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে এবং দুই দেশের জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা আরও সুরক্ষিত হবে।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান মাদকবিরোধী সমঝোতা

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে মাদক পাচার ঠেকাতে ১০ বছরের সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। তথ্য বিনিময় ও যৌথ অভিযানে গুরুত্ব দিয়েছে দুই দেশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মাদকবিরোধী সমঝোতা, তথ্য বিনিময় ও যৌথ অভিযানে জোর

০৮:১৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

মাদক পাচার ও মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধে সহযোগিতা জোরদার করতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে। শুক্রবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের পক্ষে এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি চুক্তিতে সই করেন। এই সমঝোতার মাধ্যমে দুই দেশ মাদক পাচার প্রতিরোধ, তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

তথ্য বিনিময় ও গোয়েন্দা সহযোগিতা

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান মাদক পাচারকারী, মাদক চক্র, নতুন পাচারপথ এবং পাচারের নতুন কৌশল সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য বিনিময় করবে। পাশাপাশি সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধী সংগঠন সম্পর্কেও গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।

দুই দেশই মাদক পাচার ও সংশ্লিষ্ট অর্থপাচার ঠেকাতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রয়োজনে সমন্বিত গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা

সমঝোতা স্মারকে মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া মাদক প্রতিরোধ ও আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ের বিষয়েও দুই দেশ সম্মত হয়েছে।

প্রযুক্তিগত সহযোগিতার আওতায় গোপনে লুকিয়ে রাখা মাদক শনাক্তে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি এবং স্নিফার কুকুর ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করা হবে। এতে মাদক শনাক্ত ও প্রতিরোধ কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

দুই সংস্থা থাকবে ফোকাল পয়েন্ট

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের অ্যান্টি নারকোটিকস ফোর্স নিয়মিত ও কার্যক্রমভিত্তিক তথ্য বিনিময়ের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

দুই দেশই তথ্য ও নথিপত্রের গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়ে একমত হয়েছে। পারস্পরিক সম্মতি ছাড়া কোনো তৃতীয় পক্ষের কাছে এসব তথ্য প্রকাশ করা যাবে না বলেও চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

১০ বছরের জন্য কার্যকর

সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। পরবর্তীতে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে এর মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয়ই আশা প্রকাশ করেছে, এই সহযোগিতার মাধ্যমে মাদক পাচার ও অপব্যবহার মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে এবং দুই দেশের জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা আরও সুরক্ষিত হবে।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান মাদকবিরোধী সমঝোতা

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে মাদক পাচার ঠেকাতে ১০ বছরের সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। তথ্য বিনিময় ও যৌথ অভিযানে গুরুত্ব দিয়েছে দুই দেশ।