০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির যৌথ বিবৃতি: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্য ও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তার ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে বলে এক যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করেছে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। সংস্থাগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেন, এই সংঘাত বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করছে।

যৌথ বিবৃতিতে উদ্বেগ
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুধু ওই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপর্যস্ত করছে না, বরং এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। ইতোমধ্যেই এটি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অন্যতম বড় ধাক্কা সৃষ্টি করেছে।

জ্বালানি ও সারমূল্য বৃদ্ধি
সংস্থাগুলো জানায়, তেল, গ্যাস এবং সারের দাম দ্রুত বাড়ছে। এর সঙ্গে পরিবহন ব্যবস্থায় বাধা তৈরি হওয়ায় সরবরাহ শৃঙ্খলে চাপ বাড়ছে, যা সরাসরি খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহে প্রভাব ফেলছে।

খাদ্য নিরাপত্তায় ঝুঁকি
যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়, এসব কারণ মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম বাড়তে পারে এবং খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও সংকটময় হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে আমদানিনির্ভর ও নিম্ন আয়ের দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে।

দরিদ্র দেশের ওপর বাড়তি চাপ
সংস্থাগুলো আরও জানায়, যেসব দেশে আর্থিক সক্ষমতা সীমিত এবং ঋণের চাপ বেশি, সেসব দেশের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠবে। জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে গেলে সরকারগুলোর পক্ষে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

সমন্বিত সহায়তার প্রতিশ্রুতি
যৌথ বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানায়, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সমন্বিতভাবে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। জীবন ও জীবিকা রক্ষা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে তারা বিদ্যমান কর্মসূচিগুলো আরও জোরদার করবে।

সংস্থাগুলোর ভূমিকা
যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, এই তিন সংস্থা নিজ নিজ দায়িত্ব অনুযায়ী বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, দারিদ্র্য বিমোচন এবং খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে এবং বর্তমান সংকট মোকাবিলায় তাদের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির যৌথ বিবৃতি: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্য ও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা

০৮:২৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তার ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে বলে এক যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করেছে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। সংস্থাগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেন, এই সংঘাত বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করছে।

যৌথ বিবৃতিতে উদ্বেগ
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুধু ওই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপর্যস্ত করছে না, বরং এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। ইতোমধ্যেই এটি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অন্যতম বড় ধাক্কা সৃষ্টি করেছে।

জ্বালানি ও সারমূল্য বৃদ্ধি
সংস্থাগুলো জানায়, তেল, গ্যাস এবং সারের দাম দ্রুত বাড়ছে। এর সঙ্গে পরিবহন ব্যবস্থায় বাধা তৈরি হওয়ায় সরবরাহ শৃঙ্খলে চাপ বাড়ছে, যা সরাসরি খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহে প্রভাব ফেলছে।

খাদ্য নিরাপত্তায় ঝুঁকি
যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়, এসব কারণ মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম বাড়তে পারে এবং খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও সংকটময় হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে আমদানিনির্ভর ও নিম্ন আয়ের দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে।

দরিদ্র দেশের ওপর বাড়তি চাপ
সংস্থাগুলো আরও জানায়, যেসব দেশে আর্থিক সক্ষমতা সীমিত এবং ঋণের চাপ বেশি, সেসব দেশের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠবে। জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে গেলে সরকারগুলোর পক্ষে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

সমন্বিত সহায়তার প্রতিশ্রুতি
যৌথ বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানায়, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সমন্বিতভাবে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। জীবন ও জীবিকা রক্ষা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে তারা বিদ্যমান কর্মসূচিগুলো আরও জোরদার করবে।

সংস্থাগুলোর ভূমিকা
যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, এই তিন সংস্থা নিজ নিজ দায়িত্ব অনুযায়ী বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, দারিদ্র্য বিমোচন এবং খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে এবং বর্তমান সংকট মোকাবিলায় তাদের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।