০৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

 ভারতে  খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়ায় মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৩.৯ শতাংশে, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে মে মাসে খুচরা মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩.৯ শতাংশে পৌঁছেছে। আগের মাস এপ্রিলে এই হার ছিল ৩.৫ শতাংশ। ফলে গত ১৬ মাসের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির হার হিসেবে উঠে এসেছে।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি ২০২৫-এর পর এবারই মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বেড়েছে। সেই সময় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৪.০৬ শতাংশ। যদিও সামগ্রিক হার এখনও ৪ শতাংশের নিচে রয়েছে, খাদ্যপণ্যের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

খাদ্যপণ্যের দামে চাপ

মে মাসে বেশ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। দীর্ঘ সময় পর শস্যজাত পণ্যের মূল্য পরিবর্তন আবার ইতিবাচক অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। শস্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ০.২৮ শতাংশে। এর পেছনে চালের দাম বৃদ্ধিই বড় ভূমিকা রেখেছে। চালের দাম মে মাসে ০.২৩ শতাংশ বেড়েছে।

India's inflation accelerates to 3.93% in May, remains a tad below RBI  target | Reuters

সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে টমেটোর দাম। এপ্রিলে যেখানে টমেটোর মূল্যস্ফীতি ছিল ৩৫.৩ শতাংশ, মে মাসে তা লাফিয়ে বেড়ে ৪৮.৪ শতাংশে পৌঁছেছে। এতে খাদ্য ব্যয়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে।

আবাসন ও জ্বালানি খাতেও বৃদ্ধি

খাদ্যপণ্যের পাশাপাশি আবাসন, পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি খাতেও মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়েছে। খুচরা মূল্যসূচকের বড় অংশজুড়ে থাকা এই খাতের মূল্যস্ফীতি এপ্রিলে ১.৭১ শতাংশ থেকে মে মাসে ১.৭৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, খাদ্যপণ্যের বাজারে মূল্যবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে সামনের মাসগুলোতেও মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ থাকতে পারে। বিশেষ করে সবজি ও প্রধান খাদ্যশস্যের দাম স্থিতিশীল না হলে সাধারণ ভোক্তাদের ব্যয় আরও বাড়তে পারে।

Inflation rises to 9.42% in May

সামনে কী চ্যালেঞ্জ

মূল্যস্ফীতির হার এখনও তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি নীতিনির্ধারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি, মৌসুমি উৎপাদন এবং ভোক্তা চাহিদার ভারসাম্য আগামী মাসগুলোর মূল্যস্ফীতির গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।

খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় বাড়ার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচও ক্রমেই বাড়ছে, যা অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণযোগ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

 ভারতে  খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়ায় মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৩.৯ শতাংশে, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

০২:২১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে মে মাসে খুচরা মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩.৯ শতাংশে পৌঁছেছে। আগের মাস এপ্রিলে এই হার ছিল ৩.৫ শতাংশ। ফলে গত ১৬ মাসের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির হার হিসেবে উঠে এসেছে।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি ২০২৫-এর পর এবারই মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বেড়েছে। সেই সময় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৪.০৬ শতাংশ। যদিও সামগ্রিক হার এখনও ৪ শতাংশের নিচে রয়েছে, খাদ্যপণ্যের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

খাদ্যপণ্যের দামে চাপ

মে মাসে বেশ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। দীর্ঘ সময় পর শস্যজাত পণ্যের মূল্য পরিবর্তন আবার ইতিবাচক অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। শস্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ০.২৮ শতাংশে। এর পেছনে চালের দাম বৃদ্ধিই বড় ভূমিকা রেখেছে। চালের দাম মে মাসে ০.২৩ শতাংশ বেড়েছে।

India's inflation accelerates to 3.93% in May, remains a tad below RBI  target | Reuters

সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে টমেটোর দাম। এপ্রিলে যেখানে টমেটোর মূল্যস্ফীতি ছিল ৩৫.৩ শতাংশ, মে মাসে তা লাফিয়ে বেড়ে ৪৮.৪ শতাংশে পৌঁছেছে। এতে খাদ্য ব্যয়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে।

আবাসন ও জ্বালানি খাতেও বৃদ্ধি

খাদ্যপণ্যের পাশাপাশি আবাসন, পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি খাতেও মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়েছে। খুচরা মূল্যসূচকের বড় অংশজুড়ে থাকা এই খাতের মূল্যস্ফীতি এপ্রিলে ১.৭১ শতাংশ থেকে মে মাসে ১.৭৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, খাদ্যপণ্যের বাজারে মূল্যবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে সামনের মাসগুলোতেও মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ থাকতে পারে। বিশেষ করে সবজি ও প্রধান খাদ্যশস্যের দাম স্থিতিশীল না হলে সাধারণ ভোক্তাদের ব্যয় আরও বাড়তে পারে।

Inflation rises to 9.42% in May

সামনে কী চ্যালেঞ্জ

মূল্যস্ফীতির হার এখনও তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি নীতিনির্ধারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি, মৌসুমি উৎপাদন এবং ভোক্তা চাহিদার ভারসাম্য আগামী মাসগুলোর মূল্যস্ফীতির গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।

খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় বাড়ার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচও ক্রমেই বাড়ছে, যা অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণযোগ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।