০৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

মাগুরায় সরকারি হাসপাতালে কম্বল বিতরণ করে ভোট চাওয়ায় জামায়াতের ৫ নেতাকর্মী আটক

মাগুরায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর পাঁচ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে মোহাম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করে ভোট চাওয়ার সময় তারা ধরা পড়েন। রাত ১১টার দিকে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহমানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড চালানো নিষিদ্ধ হলেও তা লঙ্ঘনের এই ঘটনা নির্বাচন কমিশনের কঠোর নজরদারির বিষয়টি তুলে ধরে।

যারা আটক, কী অভিযোগ

আটক পাঁচজনের মধ্যে রয়েছেন মোহাম্মদপুর সদর ইউনিয়ন শাখার আমির হুসাইন আহমেদ কাবুল, ওয়ার্ড ৬-এর সভাপতি মুকুল হোসেন, ওবায়দুল্লাহ বিন হাফিজ, হাবিবুল্লাহ এবং এরশাদ। কর্মকর্তারা জানান, মাগুরা-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ মুশতারশেদ বিল্লাহ বাকেরের পক্ষে ভোট চেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী ও তাদের আত্মীয়দের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছিল। সরকারি প্রতিষ্ঠানে এমন কার্যক্রম নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা ৩২টি কম্বল এতিমখানায় দান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

জরিমানা ও কঠোর সতর্কতা

মোহাম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহনূর জামান জানান, নির্বাচনী তদন্ত কমিটি প্রতিজনকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করে মুক্তি দিয়েছে। তিনি বলেন, প্রশাসন নির্বাচনী আচরণবিধি বাস্তবায়নে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের লঙ্ঘন সহ্য করা হবে না। মাগুরায় এই ঘটনা প্রমাণ করে, নির্বাচনী পরিবেশ নিরপেক্ষ রাখতে প্রশাসন সজাগ রয়েছে।

পুলিশে নারী পুরুষ সমানতালে এগিয়ে

সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এমন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিশ্চিত করছে যে, আগামী নির্বাচন হবে অবাধ ও সুষ্ঠু।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

মাগুরায় সরকারি হাসপাতালে কম্বল বিতরণ করে ভোট চাওয়ায় জামায়াতের ৫ নেতাকর্মী আটক

১১:২৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাগুরায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর পাঁচ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে মোহাম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করে ভোট চাওয়ার সময় তারা ধরা পড়েন। রাত ১১টার দিকে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহমানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড চালানো নিষিদ্ধ হলেও তা লঙ্ঘনের এই ঘটনা নির্বাচন কমিশনের কঠোর নজরদারির বিষয়টি তুলে ধরে।

যারা আটক, কী অভিযোগ

আটক পাঁচজনের মধ্যে রয়েছেন মোহাম্মদপুর সদর ইউনিয়ন শাখার আমির হুসাইন আহমেদ কাবুল, ওয়ার্ড ৬-এর সভাপতি মুকুল হোসেন, ওবায়দুল্লাহ বিন হাফিজ, হাবিবুল্লাহ এবং এরশাদ। কর্মকর্তারা জানান, মাগুরা-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ মুশতারশেদ বিল্লাহ বাকেরের পক্ষে ভোট চেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী ও তাদের আত্মীয়দের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছিল। সরকারি প্রতিষ্ঠানে এমন কার্যক্রম নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা ৩২টি কম্বল এতিমখানায় দান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

জরিমানা ও কঠোর সতর্কতা

মোহাম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহনূর জামান জানান, নির্বাচনী তদন্ত কমিটি প্রতিজনকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করে মুক্তি দিয়েছে। তিনি বলেন, প্রশাসন নির্বাচনী আচরণবিধি বাস্তবায়নে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের লঙ্ঘন সহ্য করা হবে না। মাগুরায় এই ঘটনা প্রমাণ করে, নির্বাচনী পরিবেশ নিরপেক্ষ রাখতে প্রশাসন সজাগ রয়েছে।

পুলিশে নারী পুরুষ সমানতালে এগিয়ে

সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এমন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিশ্চিত করছে যে, আগামী নির্বাচন হবে অবাধ ও সুষ্ঠু।