০২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

মারেল্লি অধিগ্রহণে শীর্ষ দশে যেতে মাদারসনের উদ্যোগ

ভারতের অটো যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী মাদারসন গ্রুপ জাপানের সংকটে পড়া মারেল্লি হোল্ডিংস কিনতে চায়। কেনা হলে মাদারসনের বার্ষিক বিক্রি দাঁড়াবে প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলার, যা তাদের বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিং ২৫তম থেকে ১২তম এ নেবে।

বৈচিত্র্যই মাদারসনের কৌশল

মাদারসন কখনও একটি পণ্য, বাজার বা গ্রাহকের ওপর নির্ভর করে না। ইউরোপে মের্সিডিস-বেন্‌জ ও ভক্সওয়াগেন, জাপানে সুজুকি, আর দক্ষিণ কোরিয়ায় হুন্দাইয়ের মতো প্রতিষ্ঠান তাদের বড় ক্রেতা। এতে ঝুঁকি কমে ও নতুন বাজার ধরা সহজ হয়।

মারেল্লির সম্ভাবনা

ইভি ও সফটওয়্যার-নির্ভর গাড়ির অংশে শক্তিশালী মারেল্লি নিজেদের আয়ের অর্ধেকই নিসান ও স্টেলান্টিসের কাছ থেকে পায়। মাদারসন কিনে নিলে নিজের বিস্তৃত গ্রাহক-নীতিকে কাজে লাগিয়ে মারেল্লির বিক্রি বাড়াতে পারবে, আর নিসানদের কাছেও মাদারসনের অন্য পণ্য প্রস্তাব করা সহজ হবে।

তারকাসংখ্যায় গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান

• ২০২৩ অর্থবছরে মাদারসনের অটো যন্ত্রাংশ বিক্রি ১১.৬ বিলিয়ন ডলার, ২০১৮ থেকে ২৫ শতাংশ বেশি।
• ভারতের সবচেয়ে বড়, আর বিশ্বে ২৫তম সরবরাহকারী তারা।
• মারেল্লির আয় ১১.৪ বিলিয়ন ডলার; একত্র হলে মোট আয় হবে ২৩ বিলিয়ন ডলার।

দেশে-বিদেশে দাপট

বিশাল নিজস্ব বাজার থাকা সত্ত্বেও মাদারসন বিদেশে বিস্তারে আগ্রহী। ২০২3-এ তারা জাপানি ইচিকোহের আয়না ব্যবসা ও ২০২৪-এ হোন্ডা-যোগানদাতা ইয়াচিয়োহ কিনেছে। ১৯৮০-র দশক থেকে সুজুকির সঙ্গে যে সম্পর্ক, সেটিই তাদের জাপানে দৃঢ় করেছে।

কেনা-বেচার পেছনের নেপথ্য

অর্থকষ্টে মারেল্লি ভালো কর্মী হারিয়েছে বলে শোনা যায়। মাদারসন অধিগ্রহণ করলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও আস্থা ফিরে আসতে পারে—যা দু’পক্ষেরই লাভ।

বিশেষ বিশ্লেষণ

• ভারতের গাড়ি বিক্রি বাড়ায় দেশীয় সরবরাহকারীরাও চাঙা, তবু বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ছাড়া শীর্ষ স্তরে ওঠা কঠিন।
• বৈচিত্র্যকে সেরা ঢাল বানিয়ে মাদারসন বিশ্বে নতুন গ্রাহক ধরতে চাইছে—এটাই তাদের আক্রমণাত্মক এম অ্যান্ড এ কৌশলের মূল চাবিকাঠি।

সম্ভাব্য পরিণতি

অধিগ্রহণ সফল হলে মাদারসন শুধু আকারেই নয়, ইভি ও সফটওয়্যার-নির্ভর প্রযুক্তিতেও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে জাপান-ভারত সরবরাহ শৃঙ্খলে আরও নিবিড় যোগাযোগ তৈরি হতে পারে, যা বৈশ্বিক অটো শিল্পে নতুন সমীকরণ গড়বে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

মারেল্লি অধিগ্রহণে শীর্ষ দশে যেতে মাদারসনের উদ্যোগ

১১:০২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

ভারতের অটো যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী মাদারসন গ্রুপ জাপানের সংকটে পড়া মারেল্লি হোল্ডিংস কিনতে চায়। কেনা হলে মাদারসনের বার্ষিক বিক্রি দাঁড়াবে প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলার, যা তাদের বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিং ২৫তম থেকে ১২তম এ নেবে।

বৈচিত্র্যই মাদারসনের কৌশল

মাদারসন কখনও একটি পণ্য, বাজার বা গ্রাহকের ওপর নির্ভর করে না। ইউরোপে মের্সিডিস-বেন্‌জ ও ভক্সওয়াগেন, জাপানে সুজুকি, আর দক্ষিণ কোরিয়ায় হুন্দাইয়ের মতো প্রতিষ্ঠান তাদের বড় ক্রেতা। এতে ঝুঁকি কমে ও নতুন বাজার ধরা সহজ হয়।

মারেল্লির সম্ভাবনা

ইভি ও সফটওয়্যার-নির্ভর গাড়ির অংশে শক্তিশালী মারেল্লি নিজেদের আয়ের অর্ধেকই নিসান ও স্টেলান্টিসের কাছ থেকে পায়। মাদারসন কিনে নিলে নিজের বিস্তৃত গ্রাহক-নীতিকে কাজে লাগিয়ে মারেল্লির বিক্রি বাড়াতে পারবে, আর নিসানদের কাছেও মাদারসনের অন্য পণ্য প্রস্তাব করা সহজ হবে।

তারকাসংখ্যায় গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান

• ২০২৩ অর্থবছরে মাদারসনের অটো যন্ত্রাংশ বিক্রি ১১.৬ বিলিয়ন ডলার, ২০১৮ থেকে ২৫ শতাংশ বেশি।
• ভারতের সবচেয়ে বড়, আর বিশ্বে ২৫তম সরবরাহকারী তারা।
• মারেল্লির আয় ১১.৪ বিলিয়ন ডলার; একত্র হলে মোট আয় হবে ২৩ বিলিয়ন ডলার।

দেশে-বিদেশে দাপট

বিশাল নিজস্ব বাজার থাকা সত্ত্বেও মাদারসন বিদেশে বিস্তারে আগ্রহী। ২০২3-এ তারা জাপানি ইচিকোহের আয়না ব্যবসা ও ২০২৪-এ হোন্ডা-যোগানদাতা ইয়াচিয়োহ কিনেছে। ১৯৮০-র দশক থেকে সুজুকির সঙ্গে যে সম্পর্ক, সেটিই তাদের জাপানে দৃঢ় করেছে।

কেনা-বেচার পেছনের নেপথ্য

অর্থকষ্টে মারেল্লি ভালো কর্মী হারিয়েছে বলে শোনা যায়। মাদারসন অধিগ্রহণ করলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও আস্থা ফিরে আসতে পারে—যা দু’পক্ষেরই লাভ।

বিশেষ বিশ্লেষণ

• ভারতের গাড়ি বিক্রি বাড়ায় দেশীয় সরবরাহকারীরাও চাঙা, তবু বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ছাড়া শীর্ষ স্তরে ওঠা কঠিন।
• বৈচিত্র্যকে সেরা ঢাল বানিয়ে মাদারসন বিশ্বে নতুন গ্রাহক ধরতে চাইছে—এটাই তাদের আক্রমণাত্মক এম অ্যান্ড এ কৌশলের মূল চাবিকাঠি।

সম্ভাব্য পরিণতি

অধিগ্রহণ সফল হলে মাদারসন শুধু আকারেই নয়, ইভি ও সফটওয়্যার-নির্ভর প্রযুক্তিতেও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে জাপান-ভারত সরবরাহ শৃঙ্খলে আরও নিবিড় যোগাযোগ তৈরি হতে পারে, যা বৈশ্বিক অটো শিল্পে নতুন সমীকরণ গড়বে।