০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

রণক্ষেত্রে (পর্ব-২১)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫
  • 156

আর্কাদি গাইদার

তৃতীয় পরিচ্ছেদ

গাঁয়ে ঢোকার পর প্রথম কুঁড়ে থেকে একটা চিৎকার শোনা গেল:

‘এই, এই, কোন্ চুলোয় মরতে ছুটেছিস? হেই, বে’টে বামন! থাম্ শিগগির, হে’ডে-মাথা কোথাকার!’

ঘরের ছায়ার ভেতর থেকে রাইফেল-হাতে ছুটে এল একটা লোক। তারপর আমার কাছে এসে দাঁড়াল।

‘কোথায় ছুটে চলেচিস, শুনি? আসচিসই-বা কোথা থেকে?’ আমার মুখটা চাঁদের আলোর দিকে ঘুরিয়ে দিয়ে রক্ষী-সেপাই জিজ্ঞেস করল।

হাঁপাতে-হাঁপাতে বললুম, ‘তোমাদের কাছেই। তোমরা তো কমরেড, তাই না?’ ‘আমরা কমরেড আচি ঠিকই,’ ও বাধা দিল, ‘কিন্তু তুমি কে?’

‘আমিও তাই,’ থমকে থমকে শুরু করলুম আমি। কিন্তু তখনও স্বাভাবিকভাবে দম ফেলতে না-পারায় আর কোনো কথা না-বলে চামড়ার ব্যাগটা ওর হাতে তুলে দিলুম।

‘তুমিও তাই, উ’?’ রক্ষী এবার একটু খুশি-খুশিভাবে প্রশশ্ন করল। যদিও তখনও পর্যন্ত ওর সন্দেহ একেবারে কাটে নি। বলল, ‘ঠিক আচে, তাইলে চল কম্যান্ডারের সঙ্গে দেখা করি গিয়ে।’

বেশ রাত হওয়া সত্ত্বেও সারা গ্রাম তখনও জেগে। ঘোড়াগুলো চি’হি-চি’হি ডাক ছাড়ছে। চাষীদের গাড়িগুলো বাড়ির উঠোন থেকে বের করার জন্যে ক্যাচুকোঁচ আওয়াজ করে গেট খোলার শব্দ হচ্ছে। কাছেই কে একজন চে’চিয়ে ডাকল:

‘দোকুকিন! দো-কু-কিন! কোন চুলোয় মরতি গেল সে?’

‘আঃ, এত চ্যাঁচামেচি কিসের, ভাস্কা?’ যে চিৎকার করছিল তার সামনাসামনি এসে আমার সঙ্গী পাহারাদারটি জিজ্ঞেস করলে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

রণক্ষেত্রে (পর্ব-২১)

০৮:০০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫

আর্কাদি গাইদার

তৃতীয় পরিচ্ছেদ

গাঁয়ে ঢোকার পর প্রথম কুঁড়ে থেকে একটা চিৎকার শোনা গেল:

‘এই, এই, কোন্ চুলোয় মরতে ছুটেছিস? হেই, বে’টে বামন! থাম্ শিগগির, হে’ডে-মাথা কোথাকার!’

ঘরের ছায়ার ভেতর থেকে রাইফেল-হাতে ছুটে এল একটা লোক। তারপর আমার কাছে এসে দাঁড়াল।

‘কোথায় ছুটে চলেচিস, শুনি? আসচিসই-বা কোথা থেকে?’ আমার মুখটা চাঁদের আলোর দিকে ঘুরিয়ে দিয়ে রক্ষী-সেপাই জিজ্ঞেস করল।

হাঁপাতে-হাঁপাতে বললুম, ‘তোমাদের কাছেই। তোমরা তো কমরেড, তাই না?’ ‘আমরা কমরেড আচি ঠিকই,’ ও বাধা দিল, ‘কিন্তু তুমি কে?’

‘আমিও তাই,’ থমকে থমকে শুরু করলুম আমি। কিন্তু তখনও স্বাভাবিকভাবে দম ফেলতে না-পারায় আর কোনো কথা না-বলে চামড়ার ব্যাগটা ওর হাতে তুলে দিলুম।

‘তুমিও তাই, উ’?’ রক্ষী এবার একটু খুশি-খুশিভাবে প্রশশ্ন করল। যদিও তখনও পর্যন্ত ওর সন্দেহ একেবারে কাটে নি। বলল, ‘ঠিক আচে, তাইলে চল কম্যান্ডারের সঙ্গে দেখা করি গিয়ে।’

বেশ রাত হওয়া সত্ত্বেও সারা গ্রাম তখনও জেগে। ঘোড়াগুলো চি’হি-চি’হি ডাক ছাড়ছে। চাষীদের গাড়িগুলো বাড়ির উঠোন থেকে বের করার জন্যে ক্যাচুকোঁচ আওয়াজ করে গেট খোলার শব্দ হচ্ছে। কাছেই কে একজন চে’চিয়ে ডাকল:

‘দোকুকিন! দো-কু-কিন! কোন চুলোয় মরতি গেল সে?’

‘আঃ, এত চ্যাঁচামেচি কিসের, ভাস্কা?’ যে চিৎকার করছিল তার সামনাসামনি এসে আমার সঙ্গী পাহারাদারটি জিজ্ঞেস করলে।