০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

রবীন্দ্রনাথের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা, ঢাকায় সঙ্গীত ও আবৃত্তির বিশেষ আয়োজন

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় এক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে সঙ্গীত ও কবিতার মাধ্যমে বিশ্বকবির সাহিত্য, দর্শন ও মানবিক চেতনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এবং ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল ‘ইতি রবীন্দ্রনাথ’। এতে রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীল জীবন, সাহিত্য এবং সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রয়াস দেখা যায়।

অনুষ্ঠানে দেশের স্বনামধন্য শিল্পী স্বপ্নীল সজীব এবং সামিউল ইসলাম পলক সঙ্গীত ও কবিতা পরিবেশন করেন। তাঁদের পরিবেশনায় রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি নতুন মাত্রা পায় এবং উপস্থিত দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে।

আয়োজকেরা বলেন, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য, সঙ্গীত ও চিন্তাধারা শুধু বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; তাঁর মানবতাবাদী দর্শন ও সৃষ্টিকর্ম বিশ্বের বিভিন্ন প্রজন্মকে আজও সমানভাবে অনুপ্রাণিত করে। দুই বাংলার সাংস্কৃতিক বন্ধনেও তাঁর অবদান অনন্য।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীসহ আমন্ত্রিত অতিথি, সংস্কৃতিবিদ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বিশ্বকবির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁর আদর্শ ও সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য, গান, কবিতা ও দর্শন বাংলা সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর প্রয়াণের এত বছর পরও তাঁর সৃষ্টিকর্ম মানুষের চিন্তা, অনুভূতি ও সংস্কৃতিচর্চায় সমানভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

রবীন্দ্রনাথের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা, ঢাকায় সঙ্গীত ও আবৃত্তির বিশেষ আয়োজন

০৬:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় এক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে সঙ্গীত ও কবিতার মাধ্যমে বিশ্বকবির সাহিত্য, দর্শন ও মানবিক চেতনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এবং ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল ‘ইতি রবীন্দ্রনাথ’। এতে রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীল জীবন, সাহিত্য এবং সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রয়াস দেখা যায়।

অনুষ্ঠানে দেশের স্বনামধন্য শিল্পী স্বপ্নীল সজীব এবং সামিউল ইসলাম পলক সঙ্গীত ও কবিতা পরিবেশন করেন। তাঁদের পরিবেশনায় রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি নতুন মাত্রা পায় এবং উপস্থিত দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে।

আয়োজকেরা বলেন, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য, সঙ্গীত ও চিন্তাধারা শুধু বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; তাঁর মানবতাবাদী দর্শন ও সৃষ্টিকর্ম বিশ্বের বিভিন্ন প্রজন্মকে আজও সমানভাবে অনুপ্রাণিত করে। দুই বাংলার সাংস্কৃতিক বন্ধনেও তাঁর অবদান অনন্য।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীসহ আমন্ত্রিত অতিথি, সংস্কৃতিবিদ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বিশ্বকবির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁর আদর্শ ও সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য, গান, কবিতা ও দর্শন বাংলা সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর প্রয়াণের এত বছর পরও তাঁর সৃষ্টিকর্ম মানুষের চিন্তা, অনুভূতি ও সংস্কৃতিচর্চায় সমানভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে রয়েছে।