০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -২০)

বঙ্গজ কায়স্থ ঐ ৯৯ পদ্ধতির কায়স্থবংশ মধ্যে যাহারা বঙ্গে বাস করেন, তাহারা কান্যকুব্জাগত কায়স্থগণের বংশধর। তাহাদিগের গুণানুসারে কৌলীন্য মর্যাদা প্রদান করেন। এই নিয়মানুসারে বসু, ঘোষ, শুহ ও মিত্র উপাধিধারী কায়স্থ বঙ্গের কুলীন হইলেন। দত্ত, নাগ, নাথ ও দাস উপাধিধারী কায়স্থ মধ্যল্য এবং সেন, কর, দাম, পালিত, চন্দ্র, পাল, রাহা, ভদ্র, ধর, নন্দী, দেব, কুণ্ড, সোম, রক্ষিত, অঙ্কুর, সিংহ, বিষ্ণু, আঢ্য এবং নন্দন এই ১৯টি উপাধিধারী কায়স্থ মহাপাত্র নামে পরিচিত হইল। অবশিষ্ট সর্বগুণবিহীন কায়স্থগণ যথা-হোড়, স্মর, ধরণী, আইচ, খুর, শর্মা, বর্মা, গুপ্ত প্রভৃতি দ্বিসপ্ততিবংশ “বাহাত্তরে কায়স্থ” বলিয়া কীর্তিত হন। বল্লাল সেনের কৌলীন্যপ্রথা প্রচলিত হওয়ার পরে, বঙ্গজশ্রেণি কায়স্থগণের মেল বন্ধ এবং তাহাদের মধ্যে কুলপ্রথার পরিবর্তন ঘটে, তাহার বিস্তারিত বিবরণ লিখা বাহুল্য বিবেচনায় এ ক্ষুদ্র পুস্তকে সন্নিবেশিত হইল না। এই সম্বন্ধে কেবল দুই একটি কথা উল্লেখ করা গেল। কুলীনের সমঘরে কন্যাদান ও কন্যাগ্রহণ করাই উত্তম কার্য। কুলীনের সকল সন্তান পিতার মত কুলমর্যাদা পাইয়া থাকেন, যদি আদান প্রদানে কুলভ্রষ্ট না হইয়া থাকেন। বল্লাল সেনের পর “বংশজ” নামে একটি শ্রেণি গঠিত হয়। যাহারা কুলীনের বংশজাত অথচ কুলহীন, তাহারাই “বংশজ” নামে প্রসিদ্ধ হইল।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -২০)

০৪:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বঙ্গজ কায়স্থ ঐ ৯৯ পদ্ধতির কায়স্থবংশ মধ্যে যাহারা বঙ্গে বাস করেন, তাহারা কান্যকুব্জাগত কায়স্থগণের বংশধর। তাহাদিগের গুণানুসারে কৌলীন্য মর্যাদা প্রদান করেন। এই নিয়মানুসারে বসু, ঘোষ, শুহ ও মিত্র উপাধিধারী কায়স্থ বঙ্গের কুলীন হইলেন। দত্ত, নাগ, নাথ ও দাস উপাধিধারী কায়স্থ মধ্যল্য এবং সেন, কর, দাম, পালিত, চন্দ্র, পাল, রাহা, ভদ্র, ধর, নন্দী, দেব, কুণ্ড, সোম, রক্ষিত, অঙ্কুর, সিংহ, বিষ্ণু, আঢ্য এবং নন্দন এই ১৯টি উপাধিধারী কায়স্থ মহাপাত্র নামে পরিচিত হইল। অবশিষ্ট সর্বগুণবিহীন কায়স্থগণ যথা-হোড়, স্মর, ধরণী, আইচ, খুর, শর্মা, বর্মা, গুপ্ত প্রভৃতি দ্বিসপ্ততিবংশ “বাহাত্তরে কায়স্থ” বলিয়া কীর্তিত হন। বল্লাল সেনের কৌলীন্যপ্রথা প্রচলিত হওয়ার পরে, বঙ্গজশ্রেণি কায়স্থগণের মেল বন্ধ এবং তাহাদের মধ্যে কুলপ্রথার পরিবর্তন ঘটে, তাহার বিস্তারিত বিবরণ লিখা বাহুল্য বিবেচনায় এ ক্ষুদ্র পুস্তকে সন্নিবেশিত হইল না। এই সম্বন্ধে কেবল দুই একটি কথা উল্লেখ করা গেল। কুলীনের সমঘরে কন্যাদান ও কন্যাগ্রহণ করাই উত্তম কার্য। কুলীনের সকল সন্তান পিতার মত কুলমর্যাদা পাইয়া থাকেন, যদি আদান প্রদানে কুলভ্রষ্ট না হইয়া থাকেন। বল্লাল সেনের পর “বংশজ” নামে একটি শ্রেণি গঠিত হয়। যাহারা কুলীনের বংশজাত অথচ কুলহীন, তাহারাই “বংশজ” নামে প্রসিদ্ধ হইল।