০১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদেও এবার চালু হচ্ছে ‘আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ’ ব্যবস্থা যুদ্ধ থামছে না কেন? অপরাধ যখন ধর্মের পরিচয় পায় ঝলমলে শিল্পে আত্মভালোবাসার বার্তা দিচ্ছেন সারা শাকিল শতায়ু বাবা-মায়ের সন্তানদের আয়ু ও সুস্বাস্থ্যের সম্ভাবনা বেশি শিক্ষিত, দক্ষ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণদেরই ফাঁদে ফেলছে মানবপাচারকারীরা পাকিস্তান-রাশিয়া সম্পর্ক: অবহেলিত হলেও কেন বাড়ছে কৌশলগত গুরুত্ব বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ-তিনগুণ, সুযোগ নিয়ে থাকছে প্রশ্ন গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন তথ্য, জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে হচ্ছে না

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -২১)

নরহরিদাসের বংশ– নরহরির তিন পুত্র। তাহারা কনিষ্ঠ পুত্র বগুড়ায় বাস করেন। এই নরহরি দাসের বংশধরেরা ময়দান দিঘি, চৌপাকিয়া, পাবনা, মালঞ্চি, কেচুয়াডাঙা, মেহেরপুর প্রভৃতি স্থানে বসতি বিস্তার করেন। ইহাদের অনেকেই সুশিক্ষিত।

ভূগুনন্দীর বংশ-ভূগুনন্দীর কালু ও মাধব দুই পুত্র। ইহারা পাবনা জেলার অন্তর্গত পোতাজিয়ার নিকট অষ্টমনিষা গ্রামে বাস করেন। কালু ও মাধবের বংশধরেরা পোতাজিয়া, অষ্টমনিষা প্রভৃতি স্থানে বাস করিয়া বিখ্যাত হয়। এই বংশের গোবিন্দ রায় নামক একজন পোতাজিয়া গ্রামে একটি বৃহৎ নবরত্ন নির্মাণ করেন। সেই জন্য ইহার বংশধরেরা “নবরত্নপাড়ার রায়” নামে প্রসিদ্ধ। এই বংশীয় রূপরাম রায় নামে একজন পারসি ও আরবি ভাষায় বিশেষ পণ্ডিত ছিলেন। নবাব সায়েস্তা খাঁর অধীনে কোন প্রধান পদে রূপরাম ছিলেন। পিতার সহিত মনান্তর হওয়ায় ইনি পোতাজিয়া ত্যাগ করিয়া রাজসাহীর অন্তর্গত ডিহি কাশীপুরের মধ্যে বাসভবন নির্দেশ করেন। কাশীপুর প্রভৃতি ২৭ খান গ্রাম রূপরামের সম্পত্তি ছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদেও এবার চালু হচ্ছে ‘আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ’ ব্যবস্থা

রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -২১)

০৪:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নরহরিদাসের বংশ– নরহরির তিন পুত্র। তাহারা কনিষ্ঠ পুত্র বগুড়ায় বাস করেন। এই নরহরি দাসের বংশধরেরা ময়দান দিঘি, চৌপাকিয়া, পাবনা, মালঞ্চি, কেচুয়াডাঙা, মেহেরপুর প্রভৃতি স্থানে বসতি বিস্তার করেন। ইহাদের অনেকেই সুশিক্ষিত।

ভূগুনন্দীর বংশ-ভূগুনন্দীর কালু ও মাধব দুই পুত্র। ইহারা পাবনা জেলার অন্তর্গত পোতাজিয়ার নিকট অষ্টমনিষা গ্রামে বাস করেন। কালু ও মাধবের বংশধরেরা পোতাজিয়া, অষ্টমনিষা প্রভৃতি স্থানে বাস করিয়া বিখ্যাত হয়। এই বংশের গোবিন্দ রায় নামক একজন পোতাজিয়া গ্রামে একটি বৃহৎ নবরত্ন নির্মাণ করেন। সেই জন্য ইহার বংশধরেরা “নবরত্নপাড়ার রায়” নামে প্রসিদ্ধ। এই বংশীয় রূপরাম রায় নামে একজন পারসি ও আরবি ভাষায় বিশেষ পণ্ডিত ছিলেন। নবাব সায়েস্তা খাঁর অধীনে কোন প্রধান পদে রূপরাম ছিলেন। পিতার সহিত মনান্তর হওয়ায় ইনি পোতাজিয়া ত্যাগ করিয়া রাজসাহীর অন্তর্গত ডিহি কাশীপুরের মধ্যে বাসভবন নির্দেশ করেন। কাশীপুর প্রভৃতি ২৭ খান গ্রাম রূপরামের সম্পত্তি ছিল।