০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

রাতে বাগ্‌বিতণ্ডার পর সকালে ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন

নড়াইলের কালিয়ায় নড়াইল-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল আজিজের নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। দলটির নেতাকর্মীদের দাবি, জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কের ঘটনার পরই ওই কার্যালয়ে আগুন ও ভাঙচুর করা হয়।

ঘটনাটি ঘটে রোববার, ২৫ জানুয়ারি, সকালে নড়াইল সদর উপজেলার বিছালী তিন দোকান এলাকায়। ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা জানান, রোববার রাতে ভোট চাইতে গিয়ে একই এলাকায় জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও দুই সংগঠনের সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে রাতেই পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং মীমাংসা হয়ে যায়।

নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মীমাংসার পর কে বা কারা রাতের কোনো এক সময় ইসলামী আন্দোলনের ওই নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে অফিসে থাকা চেয়ার-টেবিল, মাইকসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং হাতপাখা প্রতীক সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। সকালে কার্যালয়ে এসে তারা ভেতরের সবকিছু আগুনে পোড়া ও ভাঙচুর করা অবস্থায় দেখতে পান।

ঘটনার খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থলে যান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নড়াইল জেলা শাখার সেক্রেটারি এস এম নাসির উদ্দিনসহ দলটির নেতাকর্মীরা। এস এম নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচনের শুরু থেকেই এই কার্যালয় থেকে তাদের প্রার্থীর প্রচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। রাতে জামায়াতে ইসলামী কর্মীদের সঙ্গে কথাকাটাকাটির ঘটনার পরই কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অন্যদিকে, বিছালী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো. হাসিবুর মোল্যা বলেন, রাতে বাগ্‌বিতণ্ডা হলেও তা তখনই মীমাংসা হয়ে যায় এবং সবাই সন্তুষ্টভাবে চলে যান। ইসলামী আন্দোলনের কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রকৃত দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিও জানান।

নড়াইল সদর থানার পরিদর্শক অজয় কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে যারাই জড়িত বলে প্রমাণিত হবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

রাতে বাগ্‌বিতণ্ডার পর সকালে ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন

০৯:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

নড়াইলের কালিয়ায় নড়াইল-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল আজিজের নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। দলটির নেতাকর্মীদের দাবি, জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কের ঘটনার পরই ওই কার্যালয়ে আগুন ও ভাঙচুর করা হয়।

ঘটনাটি ঘটে রোববার, ২৫ জানুয়ারি, সকালে নড়াইল সদর উপজেলার বিছালী তিন দোকান এলাকায়। ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা জানান, রোববার রাতে ভোট চাইতে গিয়ে একই এলাকায় জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও দুই সংগঠনের সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে রাতেই পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং মীমাংসা হয়ে যায়।

নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মীমাংসার পর কে বা কারা রাতের কোনো এক সময় ইসলামী আন্দোলনের ওই নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে অফিসে থাকা চেয়ার-টেবিল, মাইকসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং হাতপাখা প্রতীক সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। সকালে কার্যালয়ে এসে তারা ভেতরের সবকিছু আগুনে পোড়া ও ভাঙচুর করা অবস্থায় দেখতে পান।

ঘটনার খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থলে যান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নড়াইল জেলা শাখার সেক্রেটারি এস এম নাসির উদ্দিনসহ দলটির নেতাকর্মীরা। এস এম নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচনের শুরু থেকেই এই কার্যালয় থেকে তাদের প্রার্থীর প্রচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। রাতে জামায়াতে ইসলামী কর্মীদের সঙ্গে কথাকাটাকাটির ঘটনার পরই কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অন্যদিকে, বিছালী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো. হাসিবুর মোল্যা বলেন, রাতে বাগ্‌বিতণ্ডা হলেও তা তখনই মীমাংসা হয়ে যায় এবং সবাই সন্তুষ্টভাবে চলে যান। ইসলামী আন্দোলনের কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রকৃত দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিও জানান।

নড়াইল সদর থানার পরিদর্শক অজয় কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে যারাই জড়িত বলে প্রমাণিত হবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।