০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা অমান্য: যুক্তরাজ্যর রুশ দূত প্রত্যাহার

উচ্চ পর্যায়ে কূটনৈতিক উত্তেজনা
যুক্তরাজ্য রাশিয়ায় নিজে নিযুক্ত দূতকে ডেকে ফিরিয়েছে, কারণ মস্কো ইউক্রেন যুদ্ধ সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা বলছেন, রাশিয়ার কর্মকাণ্ড “গ্রহণযোগ্য সীমার বাইরে” গেছে। মস্কো পাল্টা জ্বালিয়েছে—নিয়ে গেছে সমস্ত পরবর্তী পরমাণু নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের সমন্বয় থেকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ইউক্রেন-যুদ্ধ মোকাবিলায় পশ্চিমা ঐক্যের দুর্বল দিক তুলে দিয়েছে।

কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব
এ ধরনের দূত প্রত্যাহার ব্রিটেনের বিরল পদক্ষেপ এবং রুশ অব্যাহত অমান্যকে নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে। তবে এটি পশ্চিমা রাজধানীগুলোকে পুনর্মূল্যায়নের দিকে ঠেলে দিচ্ছে—বিশেষত নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ ও সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি-আলোকপাতের ক্ষেত্রে। এদিকে রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া—নৌ ও পরমাণু তথ্য বিনিময় বন্ধ—শুধু দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা অমান্য: যুক্তরাজ্যর রুশ দূত প্রত্যাহার

০৪:৫৭:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

উচ্চ পর্যায়ে কূটনৈতিক উত্তেজনা
যুক্তরাজ্য রাশিয়ায় নিজে নিযুক্ত দূতকে ডেকে ফিরিয়েছে, কারণ মস্কো ইউক্রেন যুদ্ধ সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা বলছেন, রাশিয়ার কর্মকাণ্ড “গ্রহণযোগ্য সীমার বাইরে” গেছে। মস্কো পাল্টা জ্বালিয়েছে—নিয়ে গেছে সমস্ত পরবর্তী পরমাণু নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের সমন্বয় থেকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ইউক্রেন-যুদ্ধ মোকাবিলায় পশ্চিমা ঐক্যের দুর্বল দিক তুলে দিয়েছে।

কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব
এ ধরনের দূত প্রত্যাহার ব্রিটেনের বিরল পদক্ষেপ এবং রুশ অব্যাহত অমান্যকে নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে। তবে এটি পশ্চিমা রাজধানীগুলোকে পুনর্মূল্যায়নের দিকে ঠেলে দিচ্ছে—বিশেষত নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ ও সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি-আলোকপাতের ক্ষেত্রে। এদিকে রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া—নৌ ও পরমাণু তথ্য বিনিময় বন্ধ—শুধু দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে।