০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

লেবানন–ইসরায়েল আলোচনা: শান্তির পথ নাকি জাতীয় আদর্শের সঙ্গে আপস?

লেবানন ও ইসরায়েল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। তবে এই সংলাপকে ঘিরে লেবাননের জনগণের মধ্যে তীব্র মতবিভাজন তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—দীর্ঘদিনের শত্রুর সঙ্গে আলোচনায় বসা কি রক্তপাত ঠেকানোর বাস্তবসম্মত পথ, নাকি এটি দেশের আদর্শ ও অবস্থানের সঙ্গে আপস?

জনমতের বিভক্তি

দেশটির ভেতরে এই আলোচনাকে ঘিরে দুই ধরনের মতামত স্পষ্ট। এক পক্ষ মনে করছে, ক্রমাগত সংঘাত ও সহিংসতা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সংলাপ ছাড়া বিকল্প নেই। অন্যদিকে, আরেকটি অংশ এটিকে জাতীয় স্বার্থ ও নীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছে। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের বিরোধী শক্তির সঙ্গে আলোচনায় বসা দেশের অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে।

ওয়াশিংটনের ভূমিকা ও যুদ্ধবিরতি

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের উদ্যোগে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকের ফলেই ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যার ফলে চলমান সংঘর্ষ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছে।

হিজবুল্লাহ ও আঞ্চলিক রাজনীতি

হিজবুল্লাহকে ইরান-সমর্থিত একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের অন্যতম প্রধান প্রভাবশালী শক্তি। লেবাননের সংঘাত থামানো গেলে তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায়ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সামনের পথ কতটা কঠিন

বর্তমান পরিস্থিতিতে সংলাপ শুরু হলেও স্থায়ী সমাধান কতটা সম্ভব, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। একদিকে শান্তির সম্ভাবনা, অন্যদিকে রাজনৈতিক ও আদর্শগত দ্বন্দ্ব—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া এখন লেবাননের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

লেবানন–ইসরায়েল আলোচনা: শান্তির পথ নাকি জাতীয় আদর্শের সঙ্গে আপস?

০৮:৪৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

লেবানন ও ইসরায়েল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। তবে এই সংলাপকে ঘিরে লেবাননের জনগণের মধ্যে তীব্র মতবিভাজন তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—দীর্ঘদিনের শত্রুর সঙ্গে আলোচনায় বসা কি রক্তপাত ঠেকানোর বাস্তবসম্মত পথ, নাকি এটি দেশের আদর্শ ও অবস্থানের সঙ্গে আপস?

জনমতের বিভক্তি

দেশটির ভেতরে এই আলোচনাকে ঘিরে দুই ধরনের মতামত স্পষ্ট। এক পক্ষ মনে করছে, ক্রমাগত সংঘাত ও সহিংসতা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সংলাপ ছাড়া বিকল্প নেই। অন্যদিকে, আরেকটি অংশ এটিকে জাতীয় স্বার্থ ও নীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছে। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের বিরোধী শক্তির সঙ্গে আলোচনায় বসা দেশের অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে।

ওয়াশিংটনের ভূমিকা ও যুদ্ধবিরতি

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের উদ্যোগে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকের ফলেই ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যার ফলে চলমান সংঘর্ষ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছে।

হিজবুল্লাহ ও আঞ্চলিক রাজনীতি

হিজবুল্লাহকে ইরান-সমর্থিত একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের অন্যতম প্রধান প্রভাবশালী শক্তি। লেবাননের সংঘাত থামানো গেলে তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায়ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সামনের পথ কতটা কঠিন

বর্তমান পরিস্থিতিতে সংলাপ শুরু হলেও স্থায়ী সমাধান কতটা সম্ভব, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। একদিকে শান্তির সম্ভাবনা, অন্যদিকে রাজনৈতিক ও আদর্শগত দ্বন্দ্ব—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া এখন লেবাননের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।