০৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

শিলাবৃষ্টিতে লালমনিরহাটে ব্যাপক ক্ষতি, ঘরহারা শতাধিক পরিবার

শুক্রবার গভীর রাতে হঠাৎ ঝড়ের সঙ্গে ভারী শিলাবৃষ্টিতে লালমনিরহাট জেলাজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘরবাড়ি ও দাঁড়ানো ফসলের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে, অনেক পরিবার পড়েছে বিপাকে।

জেলাজুড়ে তাণ্ডব, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ উপজেলা
ঝড়টি জেলার পাঁচটি উপজেলায় একযোগে আঘাত হানে। এতে অসংখ্য বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অনেক স্থাপনা ভেঙে যায় এবং মাঠের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। বড় আকারের শিলায় টিনের চাল ছিদ্র হয়ে পড়ে, ফলে ঘরের ভেতরের জিনিসপত্র ভিজে যায়। তীব্র বাতাসে বেড়া ও ছাউনি উড়ে গিয়ে অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে।

খোলা আকাশের নিচে আশ্রয়, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন
শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক পরিবার বাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ায় খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। টিনের চাল উড়ে গিয়ে দূরের মাঠ ও গাছের ডালে ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ঝড়ে গাছ উপড়ে বিদ্যুৎ লাইনের ওপর পড়ায় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তবে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, দুশ্চিন্তায় কৃষক
এই দুর্যোগে ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুন, তামাক, বাদামসহ বিভিন্ন সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চাষাবাদে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করায় ক্ষতির আশঙ্কায় কৃষকেরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা
সদর উপজেলার হারাটি ও খুনিয়াগাছ ইউনিয়ন, কালীগঞ্জের ভোটমারি ও কাকিনা, আদিতমারীর মহিষখোঁচা এবং তিস্তা চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত, সহায়তার আশ্বাস
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করছেন। মহিষখোঁচা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ হোসেন জানান, প্রায় ১০০টি পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মীর ফয়সাল আলী বলেছেন, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ চলছে এবং বরাদ্দ পেলে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

শিলাবৃষ্টিতে লালমনিরহাটে ব্যাপক ক্ষতি, ঘরহারা শতাধিক পরিবার

০৮:১০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

শুক্রবার গভীর রাতে হঠাৎ ঝড়ের সঙ্গে ভারী শিলাবৃষ্টিতে লালমনিরহাট জেলাজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘরবাড়ি ও দাঁড়ানো ফসলের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে, অনেক পরিবার পড়েছে বিপাকে।

জেলাজুড়ে তাণ্ডব, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ উপজেলা
ঝড়টি জেলার পাঁচটি উপজেলায় একযোগে আঘাত হানে। এতে অসংখ্য বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অনেক স্থাপনা ভেঙে যায় এবং মাঠের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। বড় আকারের শিলায় টিনের চাল ছিদ্র হয়ে পড়ে, ফলে ঘরের ভেতরের জিনিসপত্র ভিজে যায়। তীব্র বাতাসে বেড়া ও ছাউনি উড়ে গিয়ে অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে।

খোলা আকাশের নিচে আশ্রয়, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন
শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক পরিবার বাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ায় খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। টিনের চাল উড়ে গিয়ে দূরের মাঠ ও গাছের ডালে ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ঝড়ে গাছ উপড়ে বিদ্যুৎ লাইনের ওপর পড়ায় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তবে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, দুশ্চিন্তায় কৃষক
এই দুর্যোগে ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুন, তামাক, বাদামসহ বিভিন্ন সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চাষাবাদে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করায় ক্ষতির আশঙ্কায় কৃষকেরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা
সদর উপজেলার হারাটি ও খুনিয়াগাছ ইউনিয়ন, কালীগঞ্জের ভোটমারি ও কাকিনা, আদিতমারীর মহিষখোঁচা এবং তিস্তা চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত, সহায়তার আশ্বাস
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করছেন। মহিষখোঁচা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ হোসেন জানান, প্রায় ১০০টি পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মীর ফয়সাল আলী বলেছেন, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ চলছে এবং বরাদ্দ পেলে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়া হবে।