০১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদেও এবার চালু হচ্ছে ‘আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ’ ব্যবস্থা যুদ্ধ থামছে না কেন? অপরাধ যখন ধর্মের পরিচয় পায় ঝলমলে শিল্পে আত্মভালোবাসার বার্তা দিচ্ছেন সারা শাকিল শতায়ু বাবা-মায়ের সন্তানদের আয়ু ও সুস্বাস্থ্যের সম্ভাবনা বেশি শিক্ষিত, দক্ষ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণদেরই ফাঁদে ফেলছে মানবপাচারকারীরা পাকিস্তান-রাশিয়া সম্পর্ক: অবহেলিত হলেও কেন বাড়ছে কৌশলগত গুরুত্ব বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ-তিনগুণ, সুযোগ নিয়ে থাকছে প্রশ্ন গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন তথ্য, জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে হচ্ছে না

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভারত নীরব — সম্পর্কোন্নয়নে “সতর্ক আশাবাদী” ঢাকা

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শংকরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যেটি ছিল ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রথম উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। বৈঠকে বাংলাদেশ পক্ষ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত পাঠানোর আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পুনরায় জানিয়েছে।

ভারতের প্রতিক্রিয়া ও সম্পর্কের নতুন সমীকরণ

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৈঠকের পর সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে প্রত্যর্পণ অনুরোধ বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের উল্লেখ করেনি। তবে ড. খলিলুর রহমান পরে জানান, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে চিঠি বিনিময় করেছেন এবং সরাসরি ফোনে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “আমি যুক্তিসঙ্গতভাবে আশাবাদী।” বাংলাদেশ সরকার নিজেদের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি হিসেবে “বাংলাদেশ ফার্স্ট” ঘোষণা করেছে।

প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া কোথায় দাঁড়িয়ে

হাসিনার প্রত্যর্পণ চাওয়ার ব্যাপারটি দুটি সরকার পর পর চালিয়ে যাচ্ছে। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রথম নোট ভার্বাল পাঠিয়েছিল এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর দ্বিতীয় অনুরোধ পাঠানো হয়। ভারত এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণের সময়সীমা জানায়নি। ড. জয়শংকর বলেছেন, বিষয়টি “চলমান আইনি ও অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার” অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদেও এবার চালু হচ্ছে ‘আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ’ ব্যবস্থা

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভারত নীরব — সম্পর্কোন্নয়নে “সতর্ক আশাবাদী” ঢাকা

০৬:২৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শংকরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যেটি ছিল ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রথম উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। বৈঠকে বাংলাদেশ পক্ষ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত পাঠানোর আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পুনরায় জানিয়েছে।

ভারতের প্রতিক্রিয়া ও সম্পর্কের নতুন সমীকরণ

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৈঠকের পর সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে প্রত্যর্পণ অনুরোধ বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের উল্লেখ করেনি। তবে ড. খলিলুর রহমান পরে জানান, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে চিঠি বিনিময় করেছেন এবং সরাসরি ফোনে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “আমি যুক্তিসঙ্গতভাবে আশাবাদী।” বাংলাদেশ সরকার নিজেদের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি হিসেবে “বাংলাদেশ ফার্স্ট” ঘোষণা করেছে।

প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া কোথায় দাঁড়িয়ে

হাসিনার প্রত্যর্পণ চাওয়ার ব্যাপারটি দুটি সরকার পর পর চালিয়ে যাচ্ছে। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রথম নোট ভার্বাল পাঠিয়েছিল এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর দ্বিতীয় অনুরোধ পাঠানো হয়। ভারত এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণের সময়সীমা জানায়নি। ড. জয়শংকর বলেছেন, বিষয়টি “চলমান আইনি ও অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার” অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে।