০৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর

শ্রীমঙ্গলে ৭ ডিগ্রিতে নেমে এলো তাপমাত্রা

পাহাড়ি টিলা ও হাওরবেষ্টিত চায়ের রাজধানী হিসেবে পরিচিত মৌলভীবাজারের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। কনকনে ঠান্ডায় কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার স্বাভাবিক জনজীবন। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। এদিন সকালবেলা সেখানে তাপমাত্রা নেমে আসে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মো. আনিছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এর আগের দিন বুধবার শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত কয়েক দিন ধরে মধ্যরাতের পর থেকেই ঘন কুয়াশা পড়ছে। সঙ্গে বইছে কনকনে ঠান্ডা বাতাস। অনেক এলাকায় দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না। ফলে শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষিজীবী ও শ্রমজীবী মানুষ। বিশেষ করে হাওর এলাকার বোরো চাষি এবং চা বাগানের শ্রমিকদের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ঠান্ডা থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই খড়কুটা জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছেন। একই সঙ্গে শীতে গৃহপালিত পশুপাখিও মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছে।

হঠাৎ করে তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাওয়ায় সকাল থেকে কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষ, দিনমজুর ও চা শ্রমিকদের কষ্ট আরও বেড়েছে। ঘন কুয়াশায় দুপুর পর্যন্ত ঢাকা থাকছে সড়ক-মহাসড়ক, চা বাগান ও পাহাড়ি জনপদ। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দূরপাল্লার যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে।

এদিকে শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডাজনিত রোগবালাইও বাড়ছে। জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীদের ভিড় বাড়ছে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ফেনী, খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়াসহ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই শৈত্যপ্রবাহ আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব

শ্রীমঙ্গলে ৭ ডিগ্রিতে নেমে এলো তাপমাত্রা

০৮:০৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

পাহাড়ি টিলা ও হাওরবেষ্টিত চায়ের রাজধানী হিসেবে পরিচিত মৌলভীবাজারের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। কনকনে ঠান্ডায় কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার স্বাভাবিক জনজীবন। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। এদিন সকালবেলা সেখানে তাপমাত্রা নেমে আসে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মো. আনিছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এর আগের দিন বুধবার শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত কয়েক দিন ধরে মধ্যরাতের পর থেকেই ঘন কুয়াশা পড়ছে। সঙ্গে বইছে কনকনে ঠান্ডা বাতাস। অনেক এলাকায় দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না। ফলে শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষিজীবী ও শ্রমজীবী মানুষ। বিশেষ করে হাওর এলাকার বোরো চাষি এবং চা বাগানের শ্রমিকদের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ঠান্ডা থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই খড়কুটা জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছেন। একই সঙ্গে শীতে গৃহপালিত পশুপাখিও মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছে।

হঠাৎ করে তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাওয়ায় সকাল থেকে কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষ, দিনমজুর ও চা শ্রমিকদের কষ্ট আরও বেড়েছে। ঘন কুয়াশায় দুপুর পর্যন্ত ঢাকা থাকছে সড়ক-মহাসড়ক, চা বাগান ও পাহাড়ি জনপদ। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দূরপাল্লার যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে।

এদিকে শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডাজনিত রোগবালাইও বাড়ছে। জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীদের ভিড় বাড়ছে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ফেনী, খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়াসহ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই শৈত্যপ্রবাহ আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।