০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

সংবিধান বাতিল নয়, বিচার বিভাগের জবাবদিহিই ছিল জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য: বিদায়ী প্রধান বিচারপতি

সংবিধান বাতিল করা জুলাই বিপ্লবের উদ্দেশ্য ছিল না বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। তিনি বলেছেন, ওই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল সংবিধানের আলোকে বিচার বিভাগের ভূমিকা আরও স্বচ্ছ, বিশুদ্ধ ও জবাবদিহিমূলক করা।

শেষ কর্মদিবসে বক্তব্য

বৃহস্পতিবার অবসরের আগে আপিল বিভাগে নিজের শেষ কর্মদিবসে বিদায়ী বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যতদিন বিচার বিভাগের মূল্যবোধ অটুট থাকবে, ততদিন সুপ্রিম কোর্ট ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতার শেষ ভরসা হয়ে থাকবে।

সংবিধানের মূল কাঠামো মানার আহ্বান

জুলাই বিপ্লব সংবিধান বাতিলের কথা বলেনি : প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি তার বক্তব্যে বলেন, বিচার বিভাগকে অবশ্যই বর্তমান সংবিধানের মূল কাঠামো নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। এই কাঠামোর মধ্যে রয়েছে ক্ষমতার পৃথকীকরণ, বিচারিক স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, মৌলিক অধিকার এবং জনগণের সার্বভৌমত্বের মতো মৌলিক আদর্শ।

বিচার বিভাগের শক্তির উৎস

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগের প্রকৃত শক্তি কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা দপ্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং সততা, দূরদর্শিতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সম্মিলিত অঙ্গীকারের মধ্যেই এই শক্তির মূল ভিত্তি নিহিত।

শেষ কর্মদিবসে প্রধান বিচারপতি, 'সংবিধান বাতিল করা জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য ছিল  না' – এওয়াননিউজ২৪ ডটকম

বিদায়ী সংবর্ধনা

প্রধান বিচারপতির শেষ কর্মদিবসে আপিল বিভাগের এজলাসেই তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি, আইনজীবী এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

সংবিধান বাতিল নয়, বিচার বিভাগের জবাবদিহিই ছিল জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য: বিদায়ী প্রধান বিচারপতি

০৬:১৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

সংবিধান বাতিল করা জুলাই বিপ্লবের উদ্দেশ্য ছিল না বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। তিনি বলেছেন, ওই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল সংবিধানের আলোকে বিচার বিভাগের ভূমিকা আরও স্বচ্ছ, বিশুদ্ধ ও জবাবদিহিমূলক করা।

শেষ কর্মদিবসে বক্তব্য

বৃহস্পতিবার অবসরের আগে আপিল বিভাগে নিজের শেষ কর্মদিবসে বিদায়ী বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যতদিন বিচার বিভাগের মূল্যবোধ অটুট থাকবে, ততদিন সুপ্রিম কোর্ট ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতার শেষ ভরসা হয়ে থাকবে।

সংবিধানের মূল কাঠামো মানার আহ্বান

জুলাই বিপ্লব সংবিধান বাতিলের কথা বলেনি : প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি তার বক্তব্যে বলেন, বিচার বিভাগকে অবশ্যই বর্তমান সংবিধানের মূল কাঠামো নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। এই কাঠামোর মধ্যে রয়েছে ক্ষমতার পৃথকীকরণ, বিচারিক স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, মৌলিক অধিকার এবং জনগণের সার্বভৌমত্বের মতো মৌলিক আদর্শ।

বিচার বিভাগের শক্তির উৎস

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগের প্রকৃত শক্তি কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা দপ্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং সততা, দূরদর্শিতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সম্মিলিত অঙ্গীকারের মধ্যেই এই শক্তির মূল ভিত্তি নিহিত।

শেষ কর্মদিবসে প্রধান বিচারপতি, 'সংবিধান বাতিল করা জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য ছিল  না' – এওয়াননিউজ২৪ ডটকম

বিদায়ী সংবর্ধনা

প্রধান বিচারপতির শেষ কর্মদিবসে আপিল বিভাগের এজলাসেই তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি, আইনজীবী এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।