০৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত হ্যাঙ্গার

ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটেনের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ঘাঁটির একটি হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনটি ছিল শাহেদ ধরনের এবং এটি লেবাননের রাজধানী বৈরুত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।

ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

সাইপ্রাসের দক্ষিণ উপকূলে লিমাসলের কাছে অবস্থিত ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের আকরোটিরি বিমানঘাঁটিতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। একটি শাহেদ ড্রোন ঘাঁটির একটি হ্যাঙ্গারে আঘাত হানে, ফলে অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়।

সামরিক সূত্র বলছে, হামলার সময় ঘাঁটিতে একটি পরিবহন বিমান অবতরণ করেছিল। ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে তদন্ত চলছে।

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটিতে সন্দেহজনক ড্রোন হামলা

ড্রোনের উৎস নিয়ে তদন্ত

সাইপ্রাসের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে ড্রোনটি বৈরুত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। তবে হামলার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এটি চালানো হয়েছে—তা নিয়ে এখনো বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, শাহেদ ধরনের ড্রোন সাধারণত দূরপাল্লার হামলায় ব্যবহৃত হয় এবং সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে এ ধরনের ড্রোনের ব্যবহার বেড়েছে।

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রভাব

এই হামলা মধ্যপ্রাচ্য ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি হওয়ায় ঘটনাটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

সাইপ্রাস সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিরোধে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত হ্যাঙ্গার

১১:৪৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটেনের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ঘাঁটির একটি হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনটি ছিল শাহেদ ধরনের এবং এটি লেবাননের রাজধানী বৈরুত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।

ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

সাইপ্রাসের দক্ষিণ উপকূলে লিমাসলের কাছে অবস্থিত ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের আকরোটিরি বিমানঘাঁটিতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। একটি শাহেদ ড্রোন ঘাঁটির একটি হ্যাঙ্গারে আঘাত হানে, ফলে অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়।

সামরিক সূত্র বলছে, হামলার সময় ঘাঁটিতে একটি পরিবহন বিমান অবতরণ করেছিল। ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে তদন্ত চলছে।

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটিতে সন্দেহজনক ড্রোন হামলা

ড্রোনের উৎস নিয়ে তদন্ত

সাইপ্রাসের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে ড্রোনটি বৈরুত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। তবে হামলার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এটি চালানো হয়েছে—তা নিয়ে এখনো বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, শাহেদ ধরনের ড্রোন সাধারণত দূরপাল্লার হামলায় ব্যবহৃত হয় এবং সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে এ ধরনের ড্রোনের ব্যবহার বেড়েছে।

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রভাব

এই হামলা মধ্যপ্রাচ্য ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি হওয়ায় ঘটনাটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

সাইপ্রাস সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিরোধে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে।