০২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

সোমালিয়ায় সংক্রামক রোগের কেস তিন মাসে দ্বিগুণ

এপ্রিল–জুলাইয়ের মধ্যে সোমালিয়ায় হাম, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাফ, কলেরা ও তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কেস ২২,৬০০ থেকে ৪৬,০০০-এর বেশি হয়েছে। শিশুদের অংশ সবচেয়ে বেশি। টিকাদান ব্যাহত, ক্লিনিক বন্ধ/সেবাকম এবং নিরাপত্তাজনিত সীমাবদ্ধতায় ‘ক্যাচ-আপ’ ক্যাম্পেইন আটকে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ প্রদেশগুলোতে ডিপথেরিয়ার তীব্রতা বিশেষ নজর কাড়ছে।

পানীয়জলে দ্রত ডায়রিয়া-কলেরার বিস্তার, পাশাপাশি চিকিৎসাকর্মীদের সুরক্ষা সামগ্রী ঘাটতিতে ক্লিনিকের কার্যক্ষমতা কমছে। শহর-গ্রামে একইসঙ্গে প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নজরদারি টিমের ওপর চাপ বেড়েছে।

তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার
উচ্চঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোয় টিকাদান অভিযানে ‘মাইক্রোপ্ল্যান’, কোল্ড-চেইন জোরদার এবং কমিউনিটি ভ্যাকসিনেটরের ভাতা পুনর্বহাল করতে হবে। প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিপথেরিয়া অ্যান্টিটক্সিনের দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।

পরবর্তী পদক্ষেপ
বন্যা/খরা পরিস্থিতির মধ্যে পানি-স্বাস্থ্যবিধি (WASH) বাড়ানো ও স্কুলভিত্তিক স্ক্রিনিং শুরু না করলে আগামী মৌসুমে কেস আরও বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জরুরি তহবিল প্রয়োজন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

সোমালিয়ায় সংক্রামক রোগের কেস তিন মাসে দ্বিগুণ

০৬:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

এপ্রিল–জুলাইয়ের মধ্যে সোমালিয়ায় হাম, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাফ, কলেরা ও তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কেস ২২,৬০০ থেকে ৪৬,০০০-এর বেশি হয়েছে। শিশুদের অংশ সবচেয়ে বেশি। টিকাদান ব্যাহত, ক্লিনিক বন্ধ/সেবাকম এবং নিরাপত্তাজনিত সীমাবদ্ধতায় ‘ক্যাচ-আপ’ ক্যাম্পেইন আটকে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ প্রদেশগুলোতে ডিপথেরিয়ার তীব্রতা বিশেষ নজর কাড়ছে।

পানীয়জলে দ্রত ডায়রিয়া-কলেরার বিস্তার, পাশাপাশি চিকিৎসাকর্মীদের সুরক্ষা সামগ্রী ঘাটতিতে ক্লিনিকের কার্যক্ষমতা কমছে। শহর-গ্রামে একইসঙ্গে প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নজরদারি টিমের ওপর চাপ বেড়েছে।

তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার
উচ্চঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোয় টিকাদান অভিযানে ‘মাইক্রোপ্ল্যান’, কোল্ড-চেইন জোরদার এবং কমিউনিটি ভ্যাকসিনেটরের ভাতা পুনর্বহাল করতে হবে। প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিপথেরিয়া অ্যান্টিটক্সিনের দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।

পরবর্তী পদক্ষেপ
বন্যা/খরা পরিস্থিতির মধ্যে পানি-স্বাস্থ্যবিধি (WASH) বাড়ানো ও স্কুলভিত্তিক স্ক্রিনিং শুরু না করলে আগামী মৌসুমে কেস আরও বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জরুরি তহবিল প্রয়োজন।