০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বিস্তৃত হওয়ায় বিশ্ব তেলের সরবরাহ বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে তেল মজুত ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান ও জার্মানি।

হরমুজ প্রণালিতে সংকট
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়তে থাকায় হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং সামরিক তৎপরতার কারণে এ পথ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা।

জাহাজে হামলার ঘটনা
ব্রিটিশ এক সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ভেতরে বা আশপাশে তিনটি জাহাজ অজ্ঞাত উৎস থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই হামলার ফলে ওই অঞ্চলে চলাচল করা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববাজারে তেলের প্রভাব
হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবাহিত হওয়ায় এখানে কোনো ধরনের বিঘ্ন বিশ্ববাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে। যুদ্ধের কারণে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক তেলের সরবরাহ সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বহু দেশের উদ্বেগ বাড়ছে।

তেল ছাড়ার প্রস্তুতি জাপান ও জার্মানির
পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাপান ও জার্মানি তাদের কৌশলগত তেল মজুত থেকে তেল ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। এর উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য সরবরাহ সংকটের সময় বিশ্ববাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে তার প্রভাব শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও গভীরভাবে অনুভূত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি

০৭:০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বিস্তৃত হওয়ায় বিশ্ব তেলের সরবরাহ বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে তেল মজুত ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান ও জার্মানি।

হরমুজ প্রণালিতে সংকট
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়তে থাকায় হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং সামরিক তৎপরতার কারণে এ পথ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা।

জাহাজে হামলার ঘটনা
ব্রিটিশ এক সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ভেতরে বা আশপাশে তিনটি জাহাজ অজ্ঞাত উৎস থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই হামলার ফলে ওই অঞ্চলে চলাচল করা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববাজারে তেলের প্রভাব
হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবাহিত হওয়ায় এখানে কোনো ধরনের বিঘ্ন বিশ্ববাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে। যুদ্ধের কারণে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক তেলের সরবরাহ সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বহু দেশের উদ্বেগ বাড়ছে।

তেল ছাড়ার প্রস্তুতি জাপান ও জার্মানির
পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাপান ও জার্মানি তাদের কৌশলগত তেল মজুত থেকে তেল ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। এর উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য সরবরাহ সংকটের সময় বিশ্ববাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে তার প্রভাব শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও গভীরভাবে অনুভূত হবে।