০২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

হাইকোর্টে গ্রাম আদালত আইন সংবিধানবিরোধী কিনা যাচাইয়ের রুল

সোমবার হাইকোর্টে একটি রুল জারি করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে কেন ২০০৬ সালের গ্রাম আদালত আইন, যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিচারিক ক্ষমতা দেয়, তা অবৈধ ঘোষণা করা যাবে না।

হাইকোর্টের বেন্চে বিচারক আহমেদ সোহেল ও বিচারক ফাতেমা আনোয়ার রুলটি জারি করেন। এটি একটি রিট পিটিশনের শুনানির পর আসে, যেখানে আইনটির সংবিধানগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আদালত আইন সচিব ও সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেন।

রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিচারিক ক্ষমতা প্রদান সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের বিরোধী, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। এছাড়া ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পক্ষপাতহীন ও স্বাধীন আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চয়তা পায়।

New Age | Reconstructing judicial independence

পিটিশনের যুক্তি অনুযায়ী গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারক নেই, প্রমাণ আইন ১৮৭২ এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াগত আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ হয় না এবং আইনজীবীদের অংশগ্রহণ সীমিত। এই পরিস্থিতি বিচারিক স্বাধীনতা ও ন্যায়সঙ্গত বিচার প্রক্রিয়ার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে।

রিটে আরও বলা হয়েছে যে ভৌগলিকভাবে পৃথক এই বিচার ব্যবস্থা নাগরিকদের সমান অধিকার এবং সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত সমান সুরক্ষা হরণের অধিকার লঙ্ঘন করছে। পিটিশনে ৭, ২২, ২৭, ৩১, ৩৩, ৩৫, ১০৯ এবং ১১৬এ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অবৈধ ঘোষণা করার জন্য রুল চাওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

হাইকোর্টে গ্রাম আদালত আইন সংবিধানবিরোধী কিনা যাচাইয়ের রুল

১১:৩৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সোমবার হাইকোর্টে একটি রুল জারি করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে কেন ২০০৬ সালের গ্রাম আদালত আইন, যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিচারিক ক্ষমতা দেয়, তা অবৈধ ঘোষণা করা যাবে না।

হাইকোর্টের বেন্চে বিচারক আহমেদ সোহেল ও বিচারক ফাতেমা আনোয়ার রুলটি জারি করেন। এটি একটি রিট পিটিশনের শুনানির পর আসে, যেখানে আইনটির সংবিধানগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আদালত আইন সচিব ও সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেন।

রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিচারিক ক্ষমতা প্রদান সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের বিরোধী, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। এছাড়া ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পক্ষপাতহীন ও স্বাধীন আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চয়তা পায়।

New Age | Reconstructing judicial independence

পিটিশনের যুক্তি অনুযায়ী গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারক নেই, প্রমাণ আইন ১৮৭২ এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াগত আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ হয় না এবং আইনজীবীদের অংশগ্রহণ সীমিত। এই পরিস্থিতি বিচারিক স্বাধীনতা ও ন্যায়সঙ্গত বিচার প্রক্রিয়ার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে।

রিটে আরও বলা হয়েছে যে ভৌগলিকভাবে পৃথক এই বিচার ব্যবস্থা নাগরিকদের সমান অধিকার এবং সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত সমান সুরক্ষা হরণের অধিকার লঙ্ঘন করছে। পিটিশনে ৭, ২২, ২৭, ৩১, ৩৩, ৩৫, ১০৯ এবং ১১৬এ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অবৈধ ঘোষণা করার জন্য রুল চাওয়া হয়েছে।