০১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ জাপান-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হস্তক্ষেপে ঘুরে দাঁড়াল ইয়েন, আরও পদক্ষেপের ইঙ্গিত সিন্ধু পানি চুক্তি: ছয় দশক পর বদলে যাওয়া বাস্তবতায় নতুন হিসাবের সময় ভাঁজযোগ্য আইফোনের উৎপাদন দিনে মাত্র কয়েকশ, বাজারে সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা ট্রাম্পের নতুন দাবি: ইউক্রেনকে দেওয়া শত শত বিলিয়ন ডলার ইউরোপের কাছ থেকে ফেরত চান রাশিয়ার নাশকতায় ইউরোপে বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি, চাপে ন্যাটো ছয় মাসের যুদ্ধে আরও আত্মবিশ্বাসী ইরান, বাড়তে পারে সংঘাত পেন্টাগনে ফাঁস ঠেকাতে ৫০ কর্মকর্তার পলিগ্রাফ পরীক্ষা, ইরান যুদ্ধের তথ্য ঘিরে নজিরবিহীন তদন্ত যে ‘ইয়েনটাউন’ একদিন ছিল ভবিষ্যৎ, ৩০ বছর পর ৪কে-তে ফিরছে ‘Swallowtail Butterfly’

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৮)

এই বিবরণে হিউ এনচাঙের উদার মনের পরিচয় পাওয়া যায়।

হিউএনচাঙ সমতট বা দক্ষিণ বাংলার সম্বন্ধে বলেছেন, ‘জমি খুব উর্বরা। রাজধানীর পরিধি চার মাইল। দেশে রীতিমত চাষ হয়-আর প্রচুর শস্য, ফুলফল জন্মে। আবহাওয়া সুখদ, লোকগুলি প্রীতিকর। তারা স্বভাবতই পরিশ্রমী, মাথায় খাটো, রং কালো।

এরা খুব বিদ্যানুরাগী আর বিদ্যাচর্চায় রত। বৌদ্ধ ও বিধর্মী দুইই আছে। গোটা ত্রিশ সঙ্ঘারাম আর দুই হাজার ভিক্ষু আছেন। সকলেই হীনযানী। শতখানেক দেবালয় আছে। সব সম্প্রদায়ের লোকই মিলেমিশে থাকে। নগ্ন নিগ্রন্থী বহু।

একটা সঙ্ঘারামে নীল স্ফটিকে (blue jade) তৈরি আট ফুট উঁচু বুদ্ধমূর্তি আছে। এটা চমৎকারভাবে গড়া আর এর থেকে মধ্যে মধ্যে আধ্যাত্মিক শক্তি প্রকাশিত হয়।’
তাম্রলিপ্তি সম্বন্ধে হিউ এনসাঙ বলেছেন, ‘সমুদ্রের একটা বিস্তীর্ণ উপসাগর এ শহরে প্রবেশ করেছে। জলপথ আর স্থলপথ এখানে একত্র হয়েছে।

সেইজন্যে এখানে বহুমূল্য দুষ্প্রাপ্য জিনিস জমা হয় আর অধিবাসীরা সাধারণতঃ বেশ ধনী।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৮)

০৯:০০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

এই বিবরণে হিউ এনচাঙের উদার মনের পরিচয় পাওয়া যায়।

হিউএনচাঙ সমতট বা দক্ষিণ বাংলার সম্বন্ধে বলেছেন, ‘জমি খুব উর্বরা। রাজধানীর পরিধি চার মাইল। দেশে রীতিমত চাষ হয়-আর প্রচুর শস্য, ফুলফল জন্মে। আবহাওয়া সুখদ, লোকগুলি প্রীতিকর। তারা স্বভাবতই পরিশ্রমী, মাথায় খাটো, রং কালো।

এরা খুব বিদ্যানুরাগী আর বিদ্যাচর্চায় রত। বৌদ্ধ ও বিধর্মী দুইই আছে। গোটা ত্রিশ সঙ্ঘারাম আর দুই হাজার ভিক্ষু আছেন। সকলেই হীনযানী। শতখানেক দেবালয় আছে। সব সম্প্রদায়ের লোকই মিলেমিশে থাকে। নগ্ন নিগ্রন্থী বহু।

একটা সঙ্ঘারামে নীল স্ফটিকে (blue jade) তৈরি আট ফুট উঁচু বুদ্ধমূর্তি আছে। এটা চমৎকারভাবে গড়া আর এর থেকে মধ্যে মধ্যে আধ্যাত্মিক শক্তি প্রকাশিত হয়।’
তাম্রলিপ্তি সম্বন্ধে হিউ এনসাঙ বলেছেন, ‘সমুদ্রের একটা বিস্তীর্ণ উপসাগর এ শহরে প্রবেশ করেছে। জলপথ আর স্থলপথ এখানে একত্র হয়েছে।

সেইজন্যে এখানে বহুমূল্য দুষ্প্রাপ্য জিনিস জমা হয় আর অধিবাসীরা সাধারণতঃ বেশ ধনী।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১২৭)