০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩১)

নাগার্জুন ভারতের ইতিহাসে এক অদ্ভুত চরিত্র। ভারতবর্ষে, চীনে ও মহাযানী সাহিত্যে ইনি একজন অদ্ভুত প্রতিভাসম্পন্ন, সমস্ত শাস্ত্রে ও বিস্তায় অসাধারণ পণ্ডিত বলে বর্ণিত হয়েছেন। তাঁর সম্বন্ধে বহু অলৌকিক আখ্যায়িকাও প্রচলিত আছে।

তিনি দ্বিতীয় ও তৃতীয় শতাব্দীর লোক ছিলেন। বিদর্ভ তাঁর জন্মভূমি ছিল, কিন্তু কনিষ্কের সভায় আর নালন্দাতেও অনেক সময় থাকতেন। মহাযানী ‘মাধ্যমিক’ মতের তিনিই প্রতিষ্ঠাতা।

কথিত আছে, দাক্ষিণাত্যের অরু একজন মহাযানী পণ্ডিত আর্যদের মৈত্রেয়নাথ নাগার্জুনকে তর্কযুদ্ধে আহ্বান করতে এসে উদ্ধতভাবে তাঁর দ্বারে করাঘাত করেন।

আর্যদেব এসেছেন শুনে নাগার্জুন তাঁকে সসম্মানে ভিতরে আসতে আহ্বান করলেন। তখন আর্যদের শুধু নাগার্জুনের অদ্ভুত প্রতিভামণ্ডিত মুণের দিকে চেয়েই বিস্ময়ে নির্বাক হন আর তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।

নাগার্জুনের লিখিত আর চীনা ভাষায় অনূদিত আঠারো-উনিশ খানা পাণ্ডিত্যপূর্ণ গ্রন্থ ও কবিতা আজও সে দেশে পড়া হয়। জ্যোতিষ, পরীক্ষামূলক রসায়ন ও চিকিৎসা শাস্ত্রেও তাঁর প্রতিভা ছিল।

তাঁর লেখা নানা রোগের প্রেপসন, বিশেষতঃ চক্ষুরোগের চিকিৎসা সম্বন্ধে গ্রন্থ চীন ভাষায় অনুদিত হয়েছিল। পাশ্চাত্য পণ্ডিতদের মধ্যে কেবল লেওনার্ডে-ডা-ভিঞ্চি কতকটা এ’র সঙ্গে তুলনীয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩০)

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩১)

০৯:০০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

নাগার্জুন ভারতের ইতিহাসে এক অদ্ভুত চরিত্র। ভারতবর্ষে, চীনে ও মহাযানী সাহিত্যে ইনি একজন অদ্ভুত প্রতিভাসম্পন্ন, সমস্ত শাস্ত্রে ও বিস্তায় অসাধারণ পণ্ডিত বলে বর্ণিত হয়েছেন। তাঁর সম্বন্ধে বহু অলৌকিক আখ্যায়িকাও প্রচলিত আছে।

তিনি দ্বিতীয় ও তৃতীয় শতাব্দীর লোক ছিলেন। বিদর্ভ তাঁর জন্মভূমি ছিল, কিন্তু কনিষ্কের সভায় আর নালন্দাতেও অনেক সময় থাকতেন। মহাযানী ‘মাধ্যমিক’ মতের তিনিই প্রতিষ্ঠাতা।

কথিত আছে, দাক্ষিণাত্যের অরু একজন মহাযানী পণ্ডিত আর্যদের মৈত্রেয়নাথ নাগার্জুনকে তর্কযুদ্ধে আহ্বান করতে এসে উদ্ধতভাবে তাঁর দ্বারে করাঘাত করেন।

আর্যদেব এসেছেন শুনে নাগার্জুন তাঁকে সসম্মানে ভিতরে আসতে আহ্বান করলেন। তখন আর্যদের শুধু নাগার্জুনের অদ্ভুত প্রতিভামণ্ডিত মুণের দিকে চেয়েই বিস্ময়ে নির্বাক হন আর তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।

নাগার্জুনের লিখিত আর চীনা ভাষায় অনূদিত আঠারো-উনিশ খানা পাণ্ডিত্যপূর্ণ গ্রন্থ ও কবিতা আজও সে দেশে পড়া হয়। জ্যোতিষ, পরীক্ষামূলক রসায়ন ও চিকিৎসা শাস্ত্রেও তাঁর প্রতিভা ছিল।

তাঁর লেখা নানা রোগের প্রেপসন, বিশেষতঃ চক্ষুরোগের চিকিৎসা সম্বন্ধে গ্রন্থ চীন ভাষায় অনুদিত হয়েছিল। পাশ্চাত্য পণ্ডিতদের মধ্যে কেবল লেওনার্ডে-ডা-ভিঞ্চি কতকটা এ’র সঙ্গে তুলনীয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-১৩০)