০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

হিউএনচাঙ (পর্ব-১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • 89

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

খৃস্টাব্দের প্রথম শতাব্দীতে বা তার আগেই বৌদ্ধধর্ম চীনে পৌঁছেছিল। সেই থেকে বহু ভারতীয় বৌদ্ধ সন্ন্যাসী দুর্গম পথ অতিক্রম ক’রে চীনে ধর্ম প্রচার করতে যেতেন। আর অনেক চৈনিক ভক্ত বৌদ্ধও তাঁদের ধর্মের প্রধান প্রধান তীর্থস্থানগুলি দেখবার জন্যে আর মূল শাস্ত্রগুলির অনুসন্ধানে ভারতবর্ষে আসতেন।

তাঁদের মধ্যে একজন, শাক্যপুত্র ফা হিয়ান, ৪০০ খৃস্টাব্দে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ভারতে প্রবেশ ক’রে উত্তরভারতে চৌদ্দ-পনের বছর যাপন ক’রে তাম্রলিপ্তি বন্দর থেকে সমুদ্রপথে চীনদেশে প্রত্যাগমন করেন।

৪৫৩ খৃস্টাব্দে তৎকালীন চীনসম্রাট থো-পা-সুঙ, বৌদ্ধধর্ম অবলম্বন করেন আর সেই থেকে বৌদ্ধধর্মও লাওজে এবং কনফুসীয়াসের প্রবর্তিত ধর্মের সঙ্গে অন্তত সমান সমাদর পেয়ে আসছে।

ষষ্ঠ শতাব্দীর চীন সম্রাট লিআঙ, বুটি-র বৌদ্ধধর্মপ্রীতির আতিশয্য ছিল। বৌদ্ধধর্মের ভিতর দিয়ে ভারতীয় সংস্কৃতি যে চৈনিক সংস্কৃতির উপর গভীর স্থায়ী প্রভাব অঙ্কিত করেছে তার প্রমাণ চীনের বর্ণমালার উচ্চারণে অঙ্কশাস্ত্র জ্যোতিষ সাহিত্য সংগীত স্থাপত্য রূপকর্ম ইত্যাদি সংস্কৃতির সমস্ত নিদর্শনেই পাওয়া যায়।’

চলবে

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

হিউএনচাঙ (পর্ব-১)

০৯:০০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

খৃস্টাব্দের প্রথম শতাব্দীতে বা তার আগেই বৌদ্ধধর্ম চীনে পৌঁছেছিল। সেই থেকে বহু ভারতীয় বৌদ্ধ সন্ন্যাসী দুর্গম পথ অতিক্রম ক’রে চীনে ধর্ম প্রচার করতে যেতেন। আর অনেক চৈনিক ভক্ত বৌদ্ধও তাঁদের ধর্মের প্রধান প্রধান তীর্থস্থানগুলি দেখবার জন্যে আর মূল শাস্ত্রগুলির অনুসন্ধানে ভারতবর্ষে আসতেন।

তাঁদের মধ্যে একজন, শাক্যপুত্র ফা হিয়ান, ৪০০ খৃস্টাব্দে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ভারতে প্রবেশ ক’রে উত্তরভারতে চৌদ্দ-পনের বছর যাপন ক’রে তাম্রলিপ্তি বন্দর থেকে সমুদ্রপথে চীনদেশে প্রত্যাগমন করেন।

৪৫৩ খৃস্টাব্দে তৎকালীন চীনসম্রাট থো-পা-সুঙ, বৌদ্ধধর্ম অবলম্বন করেন আর সেই থেকে বৌদ্ধধর্মও লাওজে এবং কনফুসীয়াসের প্রবর্তিত ধর্মের সঙ্গে অন্তত সমান সমাদর পেয়ে আসছে।

ষষ্ঠ শতাব্দীর চীন সম্রাট লিআঙ, বুটি-র বৌদ্ধধর্মপ্রীতির আতিশয্য ছিল। বৌদ্ধধর্মের ভিতর দিয়ে ভারতীয় সংস্কৃতি যে চৈনিক সংস্কৃতির উপর গভীর স্থায়ী প্রভাব অঙ্কিত করেছে তার প্রমাণ চীনের বর্ণমালার উচ্চারণে অঙ্কশাস্ত্র জ্যোতিষ সাহিত্য সংগীত স্থাপত্য রূপকর্ম ইত্যাদি সংস্কৃতির সমস্ত নিদর্শনেই পাওয়া যায়।’

চলবে