০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

হিউএনচাঙ (পর্ব-২১)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 127

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

হামির মরূদ্যানে হিউএনচাঙ একটি সঙ্ঘারামে কিছুদিন যাপন করেন। এই সঙ্ঘারামে তাঁর নিজ গ্রামের এক বৃদ্ধ সন্ন্যাসীকে দেখে ধর্মগুরু আনন্দাশ্রু ত্যাগ করেন।হিউএনচাঙ যখন ভারতবর্ষের অভিমুখে আসেন তখন এ দেশ পশ্চিম তুরুস্ক সাম্রাজ্যের অধীন ছিল, যদিও প্রত্যেক মরূদ্যানে এক এক জন রাজা ছিলেন।

হামির পশ্চিমদিকের নিকটতম মরূদ্যান ছিল কাওচাঙ (আধুনিক তুরফান)। তুরফান আধুনিক লিংকিআং প্রদেশে বারকুলের দক্ষিণে, মরুভূমির মধ্যে অবস্থিত। এর উত্তরে আর দক্ষিণে পর্বতমালা। রাজধানী ছিল আধুনিক তুরফানের পঁচিশ মাইল পূবে কারাখোজায়।

হিউএনচাঙের সময়ে তুরফানের রাজা ছিলেন চীনদেশীয়। তাঁর নাম ছিল কু-ওএন-তাই (রাজ্যকাল ৬২০-৬৪০)। থাইচুঙ চীনের সম্রাট হওয়ার অল্প সময়ের ভিতর ইনি সম্রাটের সঙ্গে উপহার আদান প্রদান দ্বারা সখ্যসূত্রে আবদ্ধ হন। এর স্বভাব অনেকটা রাজসিক প্রকৃতির ছিল।

হিউএনচাঙ হামিতে আছেন শুনে ইনি পঞ্চাশ-ষাট জন কর্মচারীকে সুসজ্জিত ঘোড়ায় চড়িয়ে হিউএনচাঙকে নিমন্ত্রণ করতে পাঠালেন। হিউএনচাঙের যদিও অন্যপথে যাবার ইচ্ছা ছিল তবু তাঁকে একরকম জোর করেই তুরফানে আনা হল। ছ’দিনের পথ অতিক্রম করে তিনি তুরফানে পৌঁছলেন। রাজার প্রেরিত অনুচররা তাঁকে সন্ধ্যার সময়ে পথে বিশ্রাম করতে না দিয়ে রাতদুপুরে তুরফানে পৌঁছে দিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২০)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

হিউএনচাঙ (পর্ব-২১)

০৯:০০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু 

হামির মরূদ্যানে হিউএনচাঙ একটি সঙ্ঘারামে কিছুদিন যাপন করেন। এই সঙ্ঘারামে তাঁর নিজ গ্রামের এক বৃদ্ধ সন্ন্যাসীকে দেখে ধর্মগুরু আনন্দাশ্রু ত্যাগ করেন।হিউএনচাঙ যখন ভারতবর্ষের অভিমুখে আসেন তখন এ দেশ পশ্চিম তুরুস্ক সাম্রাজ্যের অধীন ছিল, যদিও প্রত্যেক মরূদ্যানে এক এক জন রাজা ছিলেন।

হামির পশ্চিমদিকের নিকটতম মরূদ্যান ছিল কাওচাঙ (আধুনিক তুরফান)। তুরফান আধুনিক লিংকিআং প্রদেশে বারকুলের দক্ষিণে, মরুভূমির মধ্যে অবস্থিত। এর উত্তরে আর দক্ষিণে পর্বতমালা। রাজধানী ছিল আধুনিক তুরফানের পঁচিশ মাইল পূবে কারাখোজায়।

হিউএনচাঙের সময়ে তুরফানের রাজা ছিলেন চীনদেশীয়। তাঁর নাম ছিল কু-ওএন-তাই (রাজ্যকাল ৬২০-৬৪০)। থাইচুঙ চীনের সম্রাট হওয়ার অল্প সময়ের ভিতর ইনি সম্রাটের সঙ্গে উপহার আদান প্রদান দ্বারা সখ্যসূত্রে আবদ্ধ হন। এর স্বভাব অনেকটা রাজসিক প্রকৃতির ছিল।

হিউএনচাঙ হামিতে আছেন শুনে ইনি পঞ্চাশ-ষাট জন কর্মচারীকে সুসজ্জিত ঘোড়ায় চড়িয়ে হিউএনচাঙকে নিমন্ত্রণ করতে পাঠালেন। হিউএনচাঙের যদিও অন্যপথে যাবার ইচ্ছা ছিল তবু তাঁকে একরকম জোর করেই তুরফানে আনা হল। ছ’দিনের পথ অতিক্রম করে তিনি তুরফানে পৌঁছলেন। রাজার প্রেরিত অনুচররা তাঁকে সন্ধ্যার সময়ে পথে বিশ্রাম করতে না দিয়ে রাতদুপুরে তুরফানে পৌঁছে দিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২০)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২০)