০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 100

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ কুচায় এক শো সঙ্ঘারাম ও পাঁচ হাজারের বেশী হীনযানী ভিক্ষু দেখেন। তিনি বলেন, ‘সব সঙ্ঘারামগুলিতেই চমৎকার কারুকার্যময় বুদ্ধমূর্তি আছে। এগুলি বহুমূল্যরত্নখচিত আর রেশমীবস্ত্রে মণ্ডিত। পর্বের দিনে এসমস্ত মৃতি রথে চড়িয়ে শোভাযাত্রা করা হয়।’ একটা সঙ্ঘারামে তিনি এত চমৎকার একটা বুদ্ধমূর্তি দেখেছিলেন যে, তিনি বলেন, ‘এটা দেবতার তৈরি।’

হিউএনচাঙের সময়ে যিনি কুচার রাজা ছিলেন, তাঁর নাম তুখারীয়ভাষায় স্বর্ণটেপ (সংস্কৃত- স্বর্ণদেব)। এ’র পিতার নাম ছিল স্বর্ণপুষ্প।স্বর্ণদেব খুব ধার্মিক বৌদ্ধ ছিলেন। তাঁর প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন মোক্ষগুপ্ত,আর মোক্ষগুপ্তের অধীনে পাঁচ শত ভিক্ষু রাজা দ্বারা প্রতিপালিত হতেন।

হিউএনচাঙের আগমনবার্তা পেয়ে রাজা প্রধান প্রধান রাজকর্মচারীআর ভিক্ষুদের সঙ্গে করে বাদ্যযন্ত্রসহকারে তাঁকে অভ্যর্থনা করে নিয়েএলেন। নগরে প্রবেশ করবার পর একজন ভিক্ষু তাঁকে এক ঝুড়ি সদ্য-ফোটা ফুল দিলেন।

সেইসব নিয়ে হিউএনচাঙ নগরের দশ-বারোটি বৌদ্ধ মন্দিরে পূজা দিলেন। প্রত্যেক মঠে বুদ্ধের প্রতিমা পূজা করবার জন্যে তাঁকে ফুল ও মদ দেওয়া হল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৮)

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৯)

০৯:০০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙ কুচায় এক শো সঙ্ঘারাম ও পাঁচ হাজারের বেশী হীনযানী ভিক্ষু দেখেন। তিনি বলেন, ‘সব সঙ্ঘারামগুলিতেই চমৎকার কারুকার্যময় বুদ্ধমূর্তি আছে। এগুলি বহুমূল্যরত্নখচিত আর রেশমীবস্ত্রে মণ্ডিত। পর্বের দিনে এসমস্ত মৃতি রথে চড়িয়ে শোভাযাত্রা করা হয়।’ একটা সঙ্ঘারামে তিনি এত চমৎকার একটা বুদ্ধমূর্তি দেখেছিলেন যে, তিনি বলেন, ‘এটা দেবতার তৈরি।’

হিউএনচাঙের সময়ে যিনি কুচার রাজা ছিলেন, তাঁর নাম তুখারীয়ভাষায় স্বর্ণটেপ (সংস্কৃত- স্বর্ণদেব)। এ’র পিতার নাম ছিল স্বর্ণপুষ্প।স্বর্ণদেব খুব ধার্মিক বৌদ্ধ ছিলেন। তাঁর প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন মোক্ষগুপ্ত,আর মোক্ষগুপ্তের অধীনে পাঁচ শত ভিক্ষু রাজা দ্বারা প্রতিপালিত হতেন।

হিউএনচাঙের আগমনবার্তা পেয়ে রাজা প্রধান প্রধান রাজকর্মচারীআর ভিক্ষুদের সঙ্গে করে বাদ্যযন্ত্রসহকারে তাঁকে অভ্যর্থনা করে নিয়েএলেন। নগরে প্রবেশ করবার পর একজন ভিক্ষু তাঁকে এক ঝুড়ি সদ্য-ফোটা ফুল দিলেন।

সেইসব নিয়ে হিউএনচাঙ নগরের দশ-বারোটি বৌদ্ধ মন্দিরে পূজা দিলেন। প্রত্যেক মঠে বুদ্ধের প্রতিমা পূজা করবার জন্যে তাঁকে ফুল ও মদ দেওয়া হল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৮)

হিউএনচাঙ (পর্ব-২৮)