০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 98

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

পশ্চিম তুরুস্কদের সাম্রাজ্য এই সময়ে চরম বিস্তৃতি লাভ করেছিল। আল্টাই থেকে হিন্দুকুশ পর্বত, ইরান থেকে চাঁর্নের সীমান্ত পর্যন্ত এদের রাজত্ব ছিল। তুরুস্করা তাতারদেরই একটা শাখা।

যদিও এদের যাযাবর অসভ্য জাতিই বলা যায় তবু সভ্যতার সংস্পর্শ যে এদের একেবারে ছিল না তা নয়। হিউএনচাঙ এদের যে বিবরণ দিয়েছেন তার থেকে হুন্ আটিলা বা ভবিষ্যৎ তাতার সম্রাট চেংঘিস্ কানের কথা মনে পড়ে-‘এই অসভ্যদের প্রচুর ঘোড়া।

সম্রাটের পরিধানে সবুজ সাটিনের কোট ছিল। মাথার চুল সবই দেখা যাচ্ছিল, তবে কপাল একটা দশ ফুট লম্বা রেশমের কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল। এর চারিপাশে শ দুই যোদ্ধা ছিল। তাদের সবারই বেণী বাঁধা আর পরিধানে ব্রোকেডের কোট।

অন্য সৈন্যরা সকলেই উদ্ভারোহী বা অশ্বারোহী। তাদের পরনে লোমের বা ভালো পশমের পরিচ্ছদ; আর হাতে লম্বা বর্শা, নিশান আর সরল ধনুক। যতদূর দৃষ্টি চলে, সমস্ত জায়গাই সৈন্যদলে ভরা ছিল।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৪)

০৯:০০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

পশ্চিম তুরুস্কদের সাম্রাজ্য এই সময়ে চরম বিস্তৃতি লাভ করেছিল। আল্টাই থেকে হিন্দুকুশ পর্বত, ইরান থেকে চাঁর্নের সীমান্ত পর্যন্ত এদের রাজত্ব ছিল। তুরুস্করা তাতারদেরই একটা শাখা।

যদিও এদের যাযাবর অসভ্য জাতিই বলা যায় তবু সভ্যতার সংস্পর্শ যে এদের একেবারে ছিল না তা নয়। হিউএনচাঙ এদের যে বিবরণ দিয়েছেন তার থেকে হুন্ আটিলা বা ভবিষ্যৎ তাতার সম্রাট চেংঘিস্ কানের কথা মনে পড়ে-‘এই অসভ্যদের প্রচুর ঘোড়া।

সম্রাটের পরিধানে সবুজ সাটিনের কোট ছিল। মাথার চুল সবই দেখা যাচ্ছিল, তবে কপাল একটা দশ ফুট লম্বা রেশমের কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল। এর চারিপাশে শ দুই যোদ্ধা ছিল। তাদের সবারই বেণী বাঁধা আর পরিধানে ব্রোকেডের কোট।

অন্য সৈন্যরা সকলেই উদ্ভারোহী বা অশ্বারোহী। তাদের পরনে লোমের বা ভালো পশমের পরিচ্ছদ; আর হাতে লম্বা বর্শা, নিশান আর সরল ধনুক। যতদূর দৃষ্টি চলে, সমস্ত জায়গাই সৈন্যদলে ভরা ছিল।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৩৩)