০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • 96

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভারতবর্ষের সাধারণ বর্ণনা

হিউএনচাঙ তাঁর গ্রন্থে সমগ্র ভারতবর্ষ সম্বন্ধে একটা সাধারণ বর্ণনা দিয়েছেন। এই বর্ণনার মুখ্য অংশগুলি নীচে সংকলিত হল।নাম। ভারতবর্ষের অধিবাসীরা ভিন্ন ভিন্ন প্রদেশের ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করেন। কিন্তু সমস্ত দেশের কোনো একটা নাম ব্যবহার করেন না।

পুরাকালে কেউ একে ‘সিনতু’ বলেছেন, কেউ বা ‘হিএনতাই’ বলেছেন। আমার মতে ‘ইনতু’ নাম নির্ভুল আর ভালো। আমাদের ভাষায় ‘ইনতু’ মানে চন্দ্র।

আর সুর্যাস্তের পর যখন পৃথিবী অন্ধকারে আচ্ছন্ন থাকে, তখন চন্দ্রলোকই যেমন সমস্ত জীবলোকের সবচেয়ে আনন্দকর সহায় হয়, তেমনি অজ্ঞানান্ধকারে মগ্ন সংসার-চক্রে ঘূর্ণমান প্রাণীদের জন্যে এই দেশের সাধু ও জ্ঞানী ব্যক্তিরাই যুগে যুগে আলো বিকিরণ করে তাদের পথ দেখিয়েছেন।

এদেশের পরিবারগুলি যেসব জাতিতে বিভক্ত, তার মধ্যে ব্রাহ্মণরাই পবিত্রতা ও মহত্ত্বের জন্যে বিশিষ্ট। এই জন্যে সাধারণ লোকে এদেশকে ব্রাহ্মণের দেশও ব’লে থাকে।দেশের পরিমাণ ইত্যাদি। সমগ্র ভারতবর্ষকে সাধারণত পঞ্চ ভারত বলা হয়।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৪)

০৯:০০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

ভারতবর্ষের সাধারণ বর্ণনা

হিউএনচাঙ তাঁর গ্রন্থে সমগ্র ভারতবর্ষ সম্বন্ধে একটা সাধারণ বর্ণনা দিয়েছেন। এই বর্ণনার মুখ্য অংশগুলি নীচে সংকলিত হল।নাম। ভারতবর্ষের অধিবাসীরা ভিন্ন ভিন্ন প্রদেশের ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করেন। কিন্তু সমস্ত দেশের কোনো একটা নাম ব্যবহার করেন না।

পুরাকালে কেউ একে ‘সিনতু’ বলেছেন, কেউ বা ‘হিএনতাই’ বলেছেন। আমার মতে ‘ইনতু’ নাম নির্ভুল আর ভালো। আমাদের ভাষায় ‘ইনতু’ মানে চন্দ্র।

আর সুর্যাস্তের পর যখন পৃথিবী অন্ধকারে আচ্ছন্ন থাকে, তখন চন্দ্রলোকই যেমন সমস্ত জীবলোকের সবচেয়ে আনন্দকর সহায় হয়, তেমনি অজ্ঞানান্ধকারে মগ্ন সংসার-চক্রে ঘূর্ণমান প্রাণীদের জন্যে এই দেশের সাধু ও জ্ঞানী ব্যক্তিরাই যুগে যুগে আলো বিকিরণ করে তাদের পথ দেখিয়েছেন।

এদেশের পরিবারগুলি যেসব জাতিতে বিভক্ত, তার মধ্যে ব্রাহ্মণরাই পবিত্রতা ও মহত্ত্বের জন্যে বিশিষ্ট। এই জন্যে সাধারণ লোকে এদেশকে ব্রাহ্মণের দেশও ব’লে থাকে।দেশের পরিমাণ ইত্যাদি। সমগ্র ভারতবর্ষকে সাধারণত পঞ্চ ভারত বলা হয়।’

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৪৩)