০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫
  • 265

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের ভারত-আগমনের দুই শত বছর আগে একদল তাতার হুণরা ভারত আক্রমণ করে। এরা ভীষণ নৃশংস, বর্বর ছিল। উত্তর-পশ্চিম থেকে সমস্ত দেশে লুঠ ও হত্যা করতে করতে নগর, মন্দির, স্ত প, সঙ্ঘারাম, ভাস্কর্য ইত্যাদি ধ্বংস করতে করতে এরা অগ্রসর হল।

কুষানরা উদ্যান ও কাশ্মীরে পালিয়ে গেলেন। গুপ্ত সাম্রাজ্য ধ্বংস হয়ে গেল। বর্বরদের মধ্যেও সৎচেয়ে নৃশংস ছিল তোরমানের পুত্র মিহিরগুল। সৌভাগ্যক্রমে মালবরাজ যশোবর্মণ, মগধের শেষ গুপ্ত সম্রাট বালাদিত্যের সঙ্গে মিলিত হয়ে ৫২৮ খৃস্টাব্দে হুণ সৈন্যদল পরাজিত ক’রে মিহিরগুলকে বন্দী করেন।

কিন্তু (হিউএনচাঙ বলেন, বালাদিত্যের মাতার সুপারিশে) তাকে হত্যা না করে নির্বাসন দিলেন। মিহিরগুল কাশ্মীরে আশ্রয় নিল। কিন্তু যড়যন্ত্র ক’রে আশ্রয়দাতার সঙ্গে যুদ্ধ বাধিয়ে দিল আর কাশ্মীররাজকে হারিয়ে কাশ্মীর আর গান্ধারের অধিবাসীদের হত্যা করতে লাগল।

যা হোক, এর বছর খানেক পরে তার মৃত্যু হয়। আর সেই থেকে হুণদের অত্যাচার ভারতে বন্ধ হয়। উত্তর-পশ্চিমে আর মালবে হুণদের ছোট ছোট রাজ্য টিকে ছিল বটে, কিন্তু ক্রমশ এরাও ভারতীয়ই হয়ে যায়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৮)

০৯:০০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

হিউএনচাঙের ভারত-আগমনের দুই শত বছর আগে একদল তাতার হুণরা ভারত আক্রমণ করে। এরা ভীষণ নৃশংস, বর্বর ছিল। উত্তর-পশ্চিম থেকে সমস্ত দেশে লুঠ ও হত্যা করতে করতে নগর, মন্দির, স্ত প, সঙ্ঘারাম, ভাস্কর্য ইত্যাদি ধ্বংস করতে করতে এরা অগ্রসর হল।

কুষানরা উদ্যান ও কাশ্মীরে পালিয়ে গেলেন। গুপ্ত সাম্রাজ্য ধ্বংস হয়ে গেল। বর্বরদের মধ্যেও সৎচেয়ে নৃশংস ছিল তোরমানের পুত্র মিহিরগুল। সৌভাগ্যক্রমে মালবরাজ যশোবর্মণ, মগধের শেষ গুপ্ত সম্রাট বালাদিত্যের সঙ্গে মিলিত হয়ে ৫২৮ খৃস্টাব্দে হুণ সৈন্যদল পরাজিত ক’রে মিহিরগুলকে বন্দী করেন।

কিন্তু (হিউএনচাঙ বলেন, বালাদিত্যের মাতার সুপারিশে) তাকে হত্যা না করে নির্বাসন দিলেন। মিহিরগুল কাশ্মীরে আশ্রয় নিল। কিন্তু যড়যন্ত্র ক’রে আশ্রয়দাতার সঙ্গে যুদ্ধ বাধিয়ে দিল আর কাশ্মীররাজকে হারিয়ে কাশ্মীর আর গান্ধারের অধিবাসীদের হত্যা করতে লাগল।

যা হোক, এর বছর খানেক পরে তার মৃত্যু হয়। আর সেই থেকে হুণদের অত্যাচার ভারতে বন্ধ হয়। উত্তর-পশ্চিমে আর মালবে হুণদের ছোট ছোট রাজ্য টিকে ছিল বটে, কিন্তু ক্রমশ এরাও ভারতীয়ই হয়ে যায়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)