০৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
উপকূলের পানিতে লবণাক্ততা, বাড়ছে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি যুদ্ধের ছয় মাসে যুদ্ধকবলিত দেশ থেকেই আসছে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক তেল দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনার মধ্যে ড্রোন সক্ষমতা বাড়াচ্ছে ফিলিপাইন জেমি ডিমন ও স্ত্রীর ১২ মিলিয়ন ডলারের অনুদান, অর্থনৈতিক সুযোগ পাবে ১২ কৃষ্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় মোজাম্বিকে সাগরে নিখোঁজ চার জেলে, জঙ্গিদের অপহরণের আশঙ্কা ইরান যুদ্ধ জিতেও কৌশলগতভাবে কি হেরে গেলেন নেতানিয়াহু? সেউতায় অভিবাসীদের ঢল, ৭২ জনের মৃত্যু; দ্রুত ফেরত পাঠানোর অভিযোগ প্রতিদিন গড়ে খুন হচ্ছে ১০ জন, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড কেন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা অন্তর্বর্তী উপবাসের উপকারিতা কি অতিরঞ্জিত? রাশিয়া-যুক্তরাজ্য কি যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে? কূটনীতি সরে গেলে যে বিপদ বাড়ে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫
  • 305

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

মৌর্য সাম্রাজ্যের পতনের পর গ্রীকরা এসমস্ত দেশ আবার জয় ক’রে ছোট ছোট গ্রীকরাজ্য স্থাপন করে আর তুথার থেকে তক্ষশীলা পর্যন্ত প্রদেশের নাম দেয় বাটিয়া। এখানকার গ্রীকরাও ক্রমশ বৌদ্ধ (কেহ কেহ বৈষ্ণব, শৈব ইত্যাদি) হয়ে যায়।

এই গ্রীক বৌদ্ধদের রূপকর্মের রীতিই ‘গান্ধার শৈলী’ নামে পরিচিত। এর পর ক্রমান্বয়ে শক, পহলব, কুষানরা গ্রীকদের থেকে এ প্রদেশ অধিকার করে। তাতার কুষানরা ক্রমশ বৌদ্ধ, শৈব ইত্যাদি হয়ে যায়।

সম্ভবত কুষানদের রাজত্বকালে খৃস্টাব্দের প্রথম শতাব্দীতে চীনদেশে বৌদ্ধধর্ম প্রথম প্রচারিত হতে আরম্ভ হয়। কিন্তু মৌর্যদের বৌদ্ধধর্ম থেকে কুষানদের বৌদ্ধধর্মে অনেক প্রভেদ ছিল। কারণ এই সময়েই মহাযানের প্রচার আরম্ভ হয়।

কুযানরা এই অঞ্চলে বহু সঙ্ঘারাম, বিহার স্তুপ ইত্যাদি নির্মাণ করে-ছিলেন। মহাযানী বৌদ্ধের কাছে কনিষ্ক রাজাও অশোকরাজার মতই শ্রদ্ধার পাত্র।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৬)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

উপকূলের পানিতে লবণাক্ততা, বাড়ছে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৭)

০৯:০০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

মৌর্য সাম্রাজ্যের পতনের পর গ্রীকরা এসমস্ত দেশ আবার জয় ক’রে ছোট ছোট গ্রীকরাজ্য স্থাপন করে আর তুথার থেকে তক্ষশীলা পর্যন্ত প্রদেশের নাম দেয় বাটিয়া। এখানকার গ্রীকরাও ক্রমশ বৌদ্ধ (কেহ কেহ বৈষ্ণব, শৈব ইত্যাদি) হয়ে যায়।

এই গ্রীক বৌদ্ধদের রূপকর্মের রীতিই ‘গান্ধার শৈলী’ নামে পরিচিত। এর পর ক্রমান্বয়ে শক, পহলব, কুষানরা গ্রীকদের থেকে এ প্রদেশ অধিকার করে। তাতার কুষানরা ক্রমশ বৌদ্ধ, শৈব ইত্যাদি হয়ে যায়।

সম্ভবত কুষানদের রাজত্বকালে খৃস্টাব্দের প্রথম শতাব্দীতে চীনদেশে বৌদ্ধধর্ম প্রথম প্রচারিত হতে আরম্ভ হয়। কিন্তু মৌর্যদের বৌদ্ধধর্ম থেকে কুষানদের বৌদ্ধধর্মে অনেক প্রভেদ ছিল। কারণ এই সময়েই মহাযানের প্রচার আরম্ভ হয়।

কুযানরা এই অঞ্চলে বহু সঙ্ঘারাম, বিহার স্তুপ ইত্যাদি নির্মাণ করে-ছিলেন। মহাযানী বৌদ্ধের কাছে কনিষ্ক রাজাও অশোকরাজার মতই শ্রদ্ধার পাত্র।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৫৬)