রমজানের পরপরই সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। তার আগে নির্ধারিত সময়ে একাধিক উপনির্বাচন সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাসুদ। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রস্তুতি ও ব্যস্ততা নিয়ে কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী উপনির্বাচনগুলো যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে, এরপরই সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য রয়েছে।
রমজানের পর সিটি করপোরেশন নির্বাচন
রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আবদুর রহমানেল মাসুদ জানান, রমজান মাস শেষ হলেই সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তার আগে কয়েকটি শূন্য আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়েই সেগুলো সম্পন্ন হবে।
টানা নির্বাচনী ব্যস্ততায় কমিশন
নির্বাচন কমিশনার বলেন, সামনে ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন থাকায় কমিশনকে সারা বছরই ব্যস্ত থাকতে হবে। শুধু চলতি বছর নয়, আগামী কয়েক বছর ধরেই নির্বাচনকেন্দ্রিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি মনে করেন, সাংবিধানিক ও আইনি বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবেই কমিশনকে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে হয়।
প্রতীক নিয়ে সংসদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে কি না, সে বিষয়ে সংসদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের দায়িত্ব সংসদের ওপরই বর্তায় বলে উল্লেখ করেন মাসুদ। কমিশন আইন অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজন করবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন, নিরপেক্ষতার আহ্বান
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 
















