০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
যুদ্ধের আড়ালে নিপীড়ন: ইরানে দুই রাজনৈতিক বন্দীর ফাঁসি, ইউরোপে বিক্ষোভ মধ্যপ্রাচ্যে আরো ৬ হাজার সেনা পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র — USS George H.W. Bush রওয়ানা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘আমরা ছয় মাস যুদ্ধ চালাতে প্রস্তুত, কোনো আলোচনা চলছে না’ ইসরায়েল তেহরান ও বৈরুতে একযোগে হামলা — লেবাননে ৭ জন নিহত, হিজবুল্লাহ কমান্ডার খতম ইরান ও হিজবুল্লাহর সাথে যৌথ অভিযানে ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল হুতিরা ট্রাম্প: ‘ইরানকে চুক্তি করতে হবে না’ — একতরফাভাবে সরে আসার ইঙ্গিত আজ রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন ট্রাম্প — ইরান নিয়ে ‘গুরুত্বপূর্ণ আপডেট’ আসছে কাতারের উপকূলে তেলবাহী জাহাজে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত কুয়েত বিমানবন্দরের জ্বালানি ডিপোতে ইরানের ড্রোন হামলা — বিশাল আগুন পাসওভারের রাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলে — ১০ বছরের শিশু গুরুতর আহত

ট্রাম্প: ‘ইরানকে চুক্তি করতে হবে না’ — একতরফাভাবে সরে আসার ইঙ্গিত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করতে ইরানের সাথে কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যখন মনে হবে ইরান দীর্ঘদিনের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা হারিয়েছে, তখন আমেরিকা সরে আসবে।

যুদ্ধের যুক্তি বদলাচ্ছে ট্রাম্পের

ট্রাম্পের এই বক্তব্য তার আগের অবস্থান থেকে বড় পরিবর্তন। আগে তিনি বলছিলেন, ইরান হরমুজ প্রণালি না খুললে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উড়িয়ে দেওয়া হবে। এখন বলছেন, প্রণালি খোলার জন্য মিত্রদেরই উদ্যোগ নিতে হবে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের এই অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে মার্কিন জনগণের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ এবং ৪ ডলারে পৌঁছে যাওয়া গ্যাসের দাম।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধের আড়ালে নিপীড়ন: ইরানে দুই রাজনৈতিক বন্দীর ফাঁসি, ইউরোপে বিক্ষোভ

ট্রাম্প: ‘ইরানকে চুক্তি করতে হবে না’ — একতরফাভাবে সরে আসার ইঙ্গিত

০৭:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করতে ইরানের সাথে কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যখন মনে হবে ইরান দীর্ঘদিনের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা হারিয়েছে, তখন আমেরিকা সরে আসবে।

যুদ্ধের যুক্তি বদলাচ্ছে ট্রাম্পের

ট্রাম্পের এই বক্তব্য তার আগের অবস্থান থেকে বড় পরিবর্তন। আগে তিনি বলছিলেন, ইরান হরমুজ প্রণালি না খুললে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উড়িয়ে দেওয়া হবে। এখন বলছেন, প্রণালি খোলার জন্য মিত্রদেরই উদ্যোগ নিতে হবে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের এই অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে মার্কিন জনগণের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ এবং ৪ ডলারে পৌঁছে যাওয়া গ্যাসের দাম।