০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে কর্মসংস্থানে রূপ দিতে সঠিক নীতিমালা জরুরি উপসাগরীয় তেল সংকট সরকারগুলোর প্রস্তুতির ঘাটতি উন্মোচন করছে লাল রঙের শক্তি: শিল্পের ইতিহাসে এক রঙের বিস্ময় বিদেশে নতুন জীবন, ক্যামেরায় গল্প: ফিলিপিনো নারীদের ভাইরাল যাত্রা ও ভাঙছে পুরনো ধারণা সাংহাইয়ে বয়স্কদের কাজে ফেরানোর উদ্যোগ, জনসংখ্যা সংকটে নতুন পথ খুঁজছে চীন আশা ভোঁসলেকে নিয়ে রুনা লায়লার স্মৃতিচারণ: আমার প্রিয় আশা দিদি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের আগে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কায় ফিরছে লাখো অভিবাসী শ্রমিক ভেনেজুয়েলা: মাদুরো-পরবর্তী পরিবর্তনের আশাবাদ, বাস্তবতায় রয়ে গেছে বড় অনিশ্চয়তা জ্বালানি সংকটে অ-ভর্তুকিযুক্ত তেলের দাম হঠাৎ লাফিয়ে বৃদ্ধি, বৈশ্বিক সরবরাহ চাপে বাড়ছে উদ্বেগ কাতার: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের মাঝে আটকে পড়া এক অর্থনৈতিক ধাক্কার গল্প

ট্রাম্প: ‘ইরানকে চুক্তি করতে হবে না’ — একতরফাভাবে সরে আসার ইঙ্গিত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করতে ইরানের সাথে কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যখন মনে হবে ইরান দীর্ঘদিনের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা হারিয়েছে, তখন আমেরিকা সরে আসবে।

যুদ্ধের যুক্তি বদলাচ্ছে ট্রাম্পের

ট্রাম্পের এই বক্তব্য তার আগের অবস্থান থেকে বড় পরিবর্তন। আগে তিনি বলছিলেন, ইরান হরমুজ প্রণালি না খুললে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উড়িয়ে দেওয়া হবে। এখন বলছেন, প্রণালি খোলার জন্য মিত্রদেরই উদ্যোগ নিতে হবে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের এই অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে মার্কিন জনগণের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ এবং ৪ ডলারে পৌঁছে যাওয়া গ্যাসের দাম।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে কর্মসংস্থানে রূপ দিতে সঠিক নীতিমালা জরুরি

ট্রাম্প: ‘ইরানকে চুক্তি করতে হবে না’ — একতরফাভাবে সরে আসার ইঙ্গিত

০৭:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করতে ইরানের সাথে কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যখন মনে হবে ইরান দীর্ঘদিনের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা হারিয়েছে, তখন আমেরিকা সরে আসবে।

যুদ্ধের যুক্তি বদলাচ্ছে ট্রাম্পের

ট্রাম্পের এই বক্তব্য তার আগের অবস্থান থেকে বড় পরিবর্তন। আগে তিনি বলছিলেন, ইরান হরমুজ প্রণালি না খুললে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উড়িয়ে দেওয়া হবে। এখন বলছেন, প্রণালি খোলার জন্য মিত্রদেরই উদ্যোগ নিতে হবে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের এই অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে মার্কিন জনগণের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ এবং ৪ ডলারে পৌঁছে যাওয়া গ্যাসের দাম।