০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 264

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

তখন, অলৌকিক ঘটনা ঘটল। এই ভাবে শতবার প্রণত হবার পর পূবের দেওয়ালে ভিক্ষুর ভিক্ষাপাত্রের আকারের একটা আলোর আভা মুহূর্তের জন্যে তিনি দেখতে পেলেন। দুঃখে, আনন্দে আবার আরাধনা করতে লাগলেন, আবার ক্ষণিকের জন্যে তার চেয়েও একটা বড় আভা দেখতে পেলেন।

প্রেম ও উৎসাহে পূর্ণ হয়ে তিনি শপথ করলেন যে, পবিত্র ছায়া না দেখে তিনি কিছুতেই যাবেন না। এই ভাবে আরাধনা করতে করতে হঠাৎ সমস্ত গুহাটা একটা প্রভায় সমুজ্জ্বল হয়ে উঠল আর হঠাৎ মেঘ কেটে গিয়ে যেমন স্বর্ণপর্বতের আশ্চর্য দৃশ্য দেখা যায়, তেমনি পূর্ব দেওয়ালে উজ্জ্বল শ্বেতবর্ণে তথাগতের মহিমময় ছায়ার প্রকাশ হল!

তাঁর দৈব আনন অত্যুজ্জ্বল প্রভাময়! হিউএনচাঙ গভীর আনন্দে পূর্ণ হয়ে তাঁর মহিমান্বিত অনুপম আরাধ্যকে দেখতে লাগলেন। বুদ্ধের শরীর আর সন্ন্যাস-বস্ত্র গৈরিক বর্ণের ছিল। হাঁটুর উপরের সমস্ত শরীরের শোভা সমুজ্জল ছিল। কিন্তু নীচের কমলাসন কতকটা ঝাপসা ছিল। তাঁর ডাইনে বামে পিছনে বোধিসত্ত্বদের আর পুণ্যাত্মা ভিক্ষুদের ছায়া দেখা যাচ্ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬২)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)

০৯:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

তখন, অলৌকিক ঘটনা ঘটল। এই ভাবে শতবার প্রণত হবার পর পূবের দেওয়ালে ভিক্ষুর ভিক্ষাপাত্রের আকারের একটা আলোর আভা মুহূর্তের জন্যে তিনি দেখতে পেলেন। দুঃখে, আনন্দে আবার আরাধনা করতে লাগলেন, আবার ক্ষণিকের জন্যে তার চেয়েও একটা বড় আভা দেখতে পেলেন।

প্রেম ও উৎসাহে পূর্ণ হয়ে তিনি শপথ করলেন যে, পবিত্র ছায়া না দেখে তিনি কিছুতেই যাবেন না। এই ভাবে আরাধনা করতে করতে হঠাৎ সমস্ত গুহাটা একটা প্রভায় সমুজ্জ্বল হয়ে উঠল আর হঠাৎ মেঘ কেটে গিয়ে যেমন স্বর্ণপর্বতের আশ্চর্য দৃশ্য দেখা যায়, তেমনি পূর্ব দেওয়ালে উজ্জ্বল শ্বেতবর্ণে তথাগতের মহিমময় ছায়ার প্রকাশ হল!

তাঁর দৈব আনন অত্যুজ্জ্বল প্রভাময়! হিউএনচাঙ গভীর আনন্দে পূর্ণ হয়ে তাঁর মহিমান্বিত অনুপম আরাধ্যকে দেখতে লাগলেন। বুদ্ধের শরীর আর সন্ন্যাস-বস্ত্র গৈরিক বর্ণের ছিল। হাঁটুর উপরের সমস্ত শরীরের শোভা সমুজ্জল ছিল। কিন্তু নীচের কমলাসন কতকটা ঝাপসা ছিল। তাঁর ডাইনে বামে পিছনে বোধিসত্ত্বদের আর পুণ্যাত্মা ভিক্ষুদের ছায়া দেখা যাচ্ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬২)