০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫
  • 323

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কাশ্মীর ছেড়ে হিউএনচাঙ গঙ্গাতীরের দিকে অগ্রসর হলেন।প্রথমে এলেন শাকলে (বর্তমান শিয়ালকোট)। হিউএনচাঙের পাঁচ শত বছর আগে এখানে গ্রীকদের একটা ছোট রাজ্য ছিল। সেই রাজ্যের রাজাদের মধ্যে একজন, মেনাল্ডের (বৌদ্ধনাম মিলিন্দ), বৌদ্ধশাস্ত্রে বিখ্যাত। তাঁর সঙ্গে বৌদ্ধ ভিক্ষু নাগসেনের বিচার হয়।

সেই বিচারের বিবরণ ‘মিলিন্দ পঞহো’ (মিলিন্দ প্রশ্ন) বৌদ্ধশাস্ত্রের একখানা মূল্যবান গ্রন্থ। হিউএনচাঙের সময়ে শাকলে, মিলিন্দের কোনো স্মৃতি বোধ হয় ছিল না। থাকলে তিনি নিশ্চয়ই তার ‘উল্লেখ করতেন। কিন্তু মহাযানের একজন বিশিষ্ট দার্শনিক, বসুবন্ধু, হিউএনচাঙের দুই শত বছর আগে এখানেই হীনযান ত্যাগ করে মহাযানী হন বলে প্রসিদ্ধি ছিল।

বর্বর হুণদের নৃশংস রাজা মিহিরগুলের প্রধান আড্ডা ছিল শাকলে। গান্ধারের রাজপরিবারকে হত্যা ক’রে, সমস্ত সঙ্ঘারামগুলি, যতগুলি পেরেছিল স্তূপগুলি ধ্বংস ক’রে সেসমস্ত দেশের ধনরত্ন লুঠ করেছিল আর অধিবাসীদের দলে দলে বন্দী ক’রে এনে সিন্ধু নদীর তীরে হত্যা করেছিল। আধুনিক ‘সভ্য জাতিদের’ বীভৎসতার তুলনায় অবশ্য এ কিছুই নয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭২)

০৯:০০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

কাশ্মীর ছেড়ে হিউএনচাঙ গঙ্গাতীরের দিকে অগ্রসর হলেন।প্রথমে এলেন শাকলে (বর্তমান শিয়ালকোট)। হিউএনচাঙের পাঁচ শত বছর আগে এখানে গ্রীকদের একটা ছোট রাজ্য ছিল। সেই রাজ্যের রাজাদের মধ্যে একজন, মেনাল্ডের (বৌদ্ধনাম মিলিন্দ), বৌদ্ধশাস্ত্রে বিখ্যাত। তাঁর সঙ্গে বৌদ্ধ ভিক্ষু নাগসেনের বিচার হয়।

সেই বিচারের বিবরণ ‘মিলিন্দ পঞহো’ (মিলিন্দ প্রশ্ন) বৌদ্ধশাস্ত্রের একখানা মূল্যবান গ্রন্থ। হিউএনচাঙের সময়ে শাকলে, মিলিন্দের কোনো স্মৃতি বোধ হয় ছিল না। থাকলে তিনি নিশ্চয়ই তার ‘উল্লেখ করতেন। কিন্তু মহাযানের একজন বিশিষ্ট দার্শনিক, বসুবন্ধু, হিউএনচাঙের দুই শত বছর আগে এখানেই হীনযান ত্যাগ করে মহাযানী হন বলে প্রসিদ্ধি ছিল।

বর্বর হুণদের নৃশংস রাজা মিহিরগুলের প্রধান আড্ডা ছিল শাকলে। গান্ধারের রাজপরিবারকে হত্যা ক’রে, সমস্ত সঙ্ঘারামগুলি, যতগুলি পেরেছিল স্তূপগুলি ধ্বংস ক’রে সেসমস্ত দেশের ধনরত্ন লুঠ করেছিল আর অধিবাসীদের দলে দলে বন্দী ক’রে এনে সিন্ধু নদীর তীরে হত্যা করেছিল। আধুনিক ‘সভ্য জাতিদের’ বীভৎসতার তুলনায় অবশ্য এ কিছুই নয়।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৭১)